
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

‘ইরান যুদ্ধে সমর্থন নেই’ জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টারটেরোরিজম সেন্টারের (এনসিটিসি) পরিচালক জো কেন্ট পদত্যাগ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইরান কোনো ধরনের হুমকির কারণ ছিল না বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। আরও বলেছেন, কেবল ইসরায়েল ও তাদের ‘লবি’র চাপেই যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধ জড়িয়েছে।
সামাজিক যোাগযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে জো কেন্ট বলেন, নিজের বিবেকের কারণে আমি ইরানের বিরুদ্ধে চলমান এই যুদ্ধকে সমর্থন করতে পারছি না।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার এই পদত্যাগপত্র জমা দেন কেন্ট । গত বছরের জুলাই মাসে তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
ট্রাম্পকে লেখা পদত্যাগপত্রে কেন্ট লিখেছেন, আমি ২০১৬, ২০২০ ও ২০২৪ সালের প্রচারে আপনার ঘোষিত মূল্যবোধ ও পররাষ্ট্রনীতিকে সমর্থন করি। এ নীতিমালা আপনি আপনার প্রথম মেয়াদে কার্যকর করেছিলেন। ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত আপনি নিজেও বুঝেছিলেন যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধগুলো একটি ফাঁদ। এই যুদ্ধ আমেরিকার দেশপ্রেমিকদের মূল্যবান প্রাণ কেড়ে নেয় এবং আমাদের জাতির সম্পদ ও সমৃদ্ধি শেষ করে দেয়।
তা সত্ত্বেও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি এনসিটিসির প্রধান৷ পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেছেন, ইরান আমাদের জাতির জন্য কোনো আসন্ন হুমকি তৈরি করেনি। এটি এখন স্পষ্ট যে ইসরায়েল ও তাদের শক্তিশালী আমেরিকান লবির চাপের কারণেই আমরা এই যুদ্ধ শুরু করেছি।
কেন্ট আরও লিখেছেন, একজন অভিজ্ঞ সেনা হিসেবে ১১ বার যুদ্ধে অংশ নিয়েছি। একজন ‘গোল্ড স্টার’ স্বামী হিসেবে ইসরায়েলের তৈরি একটি যুদ্ধে নিজের প্রিয়তমা স্ত্রী শ্যাননকে হারিয়েছি। আমি পরবর্তী প্রজন্মকে এমন একটি যুদ্ধে লড়াই করে মরতে পাঠানোকে সমর্থন দিতে পারি না, যা আমেরিকার জনগণের কোনো উপকারে আসে না কিংবা যে যুদ্ধকে প্রাণের বিনিময়েও ন্যায়সঙ্গত বলা যায় না।

‘ইরান যুদ্ধে সমর্থন নেই’ জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টারটেরোরিজম সেন্টারের (এনসিটিসি) পরিচালক জো কেন্ট পদত্যাগ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইরান কোনো ধরনের হুমকির কারণ ছিল না বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। আরও বলেছেন, কেবল ইসরায়েল ও তাদের ‘লবি’র চাপেই যুক্তরাষ্ট্র এই যুদ্ধ জড়িয়েছে।
সামাজিক যোাগযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে জো কেন্ট বলেন, নিজের বিবেকের কারণে আমি ইরানের বিরুদ্ধে চলমান এই যুদ্ধকে সমর্থন করতে পারছি না।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার এই পদত্যাগপত্র জমা দেন কেন্ট । গত বছরের জুলাই মাসে তাকে এ পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
ট্রাম্পকে লেখা পদত্যাগপত্রে কেন্ট লিখেছেন, আমি ২০১৬, ২০২০ ও ২০২৪ সালের প্রচারে আপনার ঘোষিত মূল্যবোধ ও পররাষ্ট্রনীতিকে সমর্থন করি। এ নীতিমালা আপনি আপনার প্রথম মেয়াদে কার্যকর করেছিলেন। ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত আপনি নিজেও বুঝেছিলেন যে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধগুলো একটি ফাঁদ। এই যুদ্ধ আমেরিকার দেশপ্রেমিকদের মূল্যবান প্রাণ কেড়ে নেয় এবং আমাদের জাতির সম্পদ ও সমৃদ্ধি শেষ করে দেয়।
তা সত্ত্বেও ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে জড়ানোর সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি এনসিটিসির প্রধান৷ পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেছেন, ইরান আমাদের জাতির জন্য কোনো আসন্ন হুমকি তৈরি করেনি। এটি এখন স্পষ্ট যে ইসরায়েল ও তাদের শক্তিশালী আমেরিকান লবির চাপের কারণেই আমরা এই যুদ্ধ শুরু করেছি।
কেন্ট আরও লিখেছেন, একজন অভিজ্ঞ সেনা হিসেবে ১১ বার যুদ্ধে অংশ নিয়েছি। একজন ‘গোল্ড স্টার’ স্বামী হিসেবে ইসরায়েলের তৈরি একটি যুদ্ধে নিজের প্রিয়তমা স্ত্রী শ্যাননকে হারিয়েছি। আমি পরবর্তী প্রজন্মকে এমন একটি যুদ্ধে লড়াই করে মরতে পাঠানোকে সমর্থন দিতে পারি না, যা আমেরিকার জনগণের কোনো উপকারে আসে না কিংবা যে যুদ্ধকে প্রাণের বিনিময়েও ন্যায়সঙ্গত বলা যায় না।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতাগুলোর বাস্তবায়নে সমর্থন দেওয়া এবং তা এগিয়ে নিতে কাজ চালিয়ে যাবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
অবজারভার আরও জানিয়েছে, পদত্যাগ করার ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে স্ত্রীর সঙ্গে তিনি আলোচনা করেছেন। কাল সোমবারের মধ্যে তার কাছ থেকে এখন একটি স্পষ্ট বিবৃতি প্রত্যাশা করছেন তার লেবার পার্টির উচ্চ পর্যায়ের নেতারা।
১৪ ঘণ্টা আগে
ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, বিধানসভা নির্বাচনে দলটির পরাজয়ের পর প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং বিরোধীদলীয় নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুটি শিবিরের মধ্যে সাংগঠনিক ও আর্থিক নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ক্ষমতা দখলের লড়াই চরম রূপ নিয়েছে। এই দ্বন্দ্বের মাঝেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুস
১ দিন আগে
ইরানের সঙ্গে একটি কূটনৈতিক চুক্তিতে পৌঁছানোর মার্কিন প্রচেষ্টার মধ্যেই বৈরুতে ইসরাইলি বোমাবর্ষণ এবং নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থানের কারণে দুই নেতার মধ্যকার সম্পর্কের নজিরবিহীন অবনতি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
১ দিন আগে