ইসলামাবাদেই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফা আলোচনা এ সপ্তাহের শেষে

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১৬: ১৩
যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্থান ও ইরানের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র, পাকিস্থান ও ইরানের পতাকা। ছবি: সংগৃহীত

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদল চলতি সপ্তাহের শেষ দিকে (বৃহস্পতিবার) আবারও পাকিস্তানের ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনায় বসতে পারে। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) গত আলোচনার সঙ্গে জড়িত পাঁচটি সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখনও কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করা হয়নি, তবে দুই দেশই চলতি সপ্তাহের শেষ নাগাদ আলোচনায় ফিরতে পারে। ইরানের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন, ‘কোনো চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারিত হয়নি, তবে প্রতিনিধি দলগুলো শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত সময় খোলা রাখছে।’

গত শনিবার ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনা কোনো সমাধান ছাড়াই শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক দিন পরই এমন খবর সামনে এলো। গত মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টার পর (বাংলাদেশ সময় বুধবার ভোর ৪টার দিকে) ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার ৪ দিন পর পাকিস্তানের রাজধানীতে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে আয়োজিত এ বৈঠক ছিল গত এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে দুই দেশের কর্মকর্তাদের প্রথম সরাসরি সাক্ষাৎ। এমনকি ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর এটিই ছিল সবচেয়ে উচ্চপর্যায়ের রাজনৈতিক যোগাযোগ।

রয়টার্স বলছে, আলোচনা পুনরায় শুরু করতে দুই দেশের প্রতিনিধিদের আবারও ইসলামাবাদে পাঠানোর বিষয়ে উভয় পক্ষকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আলোচনার বিষয়ে অবগত পাকিস্তানের দুটি সূত্র জানায়, পরবর্তী দফার আলোচনার সময় নিয়ে ইসলামাবাদ উভয় পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং এই বৈঠকটি সম্ভবত সপ্তাহান্তেই অনুষ্ঠিত হবে।

পাকিস্তান সরকারের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘আমরা ইরানের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি এবং তাদের কাছ থেকে ইতিবাচক সাড়া পেয়েছি যে তারা দ্বিতীয় দফা আলোচনার জন্য প্রস্তুত।’ তবে এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, সামরিক বাহিনী এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় কোনো সাড়া দেয়নি। হোয়াইট হাউস থেকেও তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

গত দফার আলোচনায় মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ নিজ নিজ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। সেখানে হরমুজ প্রণালীসহ বেশ কিছু অমীমাংসিত ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের প্রধান এই পথটি ইরান কার্যত বন্ধ করে দিলেও যুক্তরাষ্ট্র তা পুনরায় খুলে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে। এ ছাড়া ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং তেহরানের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা নিয়েও কথা হয়।

আলোচনা শেষে ভ্যান্স সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এখান থেকে একটি অত্যন্ত সহজ প্রস্তাব নিয়ে যাচ্ছি; এটি একটি সমঝোতার পথ যা আমাদের চূড়ান্ত এবং সেরা প্রস্তাব।’

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement
ইসলামাবাদেই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় দফা আলোচনা এ সপ্তাহের শেষে