ইসরায়েলে নির্বাচনের এক মাস আগে নিষিদ্ধ প্রধান ২ আরব জোট

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
রাম দলের নেতা মানসুর আব্বাস এ সিদ্ধান্তকে ‘রাজনৈতিক ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ছবি: সংগৃহীত
রাম দলের নেতা মানসুর আব্বাস এ সিদ্ধান্তকে ‘রাজনৈতিক ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন। ছবি: সংগৃহীত

আগামী মাসে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে দুই প্রধান আরব রাজনৈতিক জোটকে নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েলের কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। এর ফলে দেশটির ফিলিস্তিনি নাগরিকদের বড় একটি অংশের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

আল-জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, কমিটি ইউনাইটেড আরব লিস্ট (রাম) ও জয়েন্ট লিস্টকে নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে বিরত রাখার পক্ষে ভোট দেয়। একই সঙ্গে হাদাশের আইনপ্রণেতা ওফের ক্যাসিফ ও বালাদ নেতা সামি আবু শেহাদেহকেও নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

ইসরায়েলের জাতীয় নির্বাচনের তারিখ নির্ধারণ করা আছে আগামী ২৭ অক্টোবর। সে হিসাবে নির্বাচনের মাত্র এক মাস বাকি থাকতেই বিরোধী দুটি জোটের নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ কেড়ে নেওয়া হলো।

তবে এ নিষেধাজ্ঞা এখনো চূড়ান্ত নয়। এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। আর ব্যক্তিগত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য সুপ্রিম কোর্টের অনুমোদন প্রয়োজন।

দলগুলোর পক্ষে আইনি সহায়তাকারী সংগঠন আদালাহ জানিয়েছে, তারা সুপ্রিম কোর্টে এসব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ করবে। তবে নির্বাচনি কমিটি বা আদালতে আপিল করলেও তা কতটা কাজের হবে, তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন পর্যবেক্ষকরা।

রাম দল এ সিদ্ধান্তকে ‘রাজনৈতিক ও অগ্রহণযোগ্য’ বলে প্রত্যাখ্যান করেছে। দলটির অভিযোগ, সরকার গঠনের ক্ষেত্রে আরব দলগুলোর প্রভাব ঠেকাতেই তাদের নির্বাচনের বাইরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।

জয়েন্ট লিস্টও সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে। দলটির দাবি, আরব নাগরিকদের ভোটার উপস্থিতি কমাতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ইসরায়েলের আরব নাগরিকরা দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। ফলে দুটি বড় আরব জোটকে নির্বাচনের বাইরে রাখার সিদ্ধান্ত আগামী নির্বাচনে তাদের রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement