
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার আট দিন পর ইরান নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তার ছেলে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা করেছে। ওই হামলার পর ইরানসহ গোটা অঞ্চল জুড়েই যুদ্ধ শুরু হয়েছে।
আলি খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজতবার নামই ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আলোচনায় ছিল। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে তার নির্বাচিত হওয়ার তথ্য এর আগে ইরানের গণমাধ্যমেও এসেছে। পরে রোববার (৮ মার্চ) রাতে ইরানের ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তার নাম ঘোষণা করে।
কাতারের গণমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা, শক্তিশালী ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড (আইআরজিসি) ও সশস্ত্র বাহিনী নতুন নেতা হিসেবে ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনির প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ৪৭ বছরের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সংকটের সময়ে তাকে দেশটির নেতৃত্ব দিতে হবে।
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলি লারিজানি এবারের যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই নিরাপত্তা কৌশল পরিচালনার দায়িত্বে আছেন। তিনিও নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে সামনে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মাদ বাঘের গালিবাফ এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে অনুসরণ করা একটি ধর্মীয় ও জাতীয় দায়িত্ব।
আলি খামেনির পর ইরানের নতুন নেতৃত্ব হিসেবে বরাবরই আলোচনায় থাকলেও মোজতবা খামেনি এর আগে কখনো কোনো নির্বাচনে অংশ নেননি বা জনভোটের মুখোমুখি হননি। তবে কয়েক দশক ধরে তিনি সর্বোচ্চ নেতার ঘনিষ্ঠ বৃত্তে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত এবং আইআরজিসির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনিকে নির্বাচিত করা ইঙ্গিত দেয় যে ইরানের ক্ষমতার কাঠামোর মধ্যে কঠোরপন্থি গোষ্ঠীগুলোর প্রভাব এখনো শক্তিশালী। একই সঙ্গে যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করার সময় স্বল্পমেয়াদে কোনো সমঝোতা বা আলোচনায় যাওয়ার বিষয়ে সরকারের আগ্রহ কম থাকারও ইঙ্গিত দিতে পারে।
আল জাজিরার সাংবাদিক আলি হাশেম মোজতবা খামেনিকে তার 'বাবার দ্বাররক্ষী' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপারে তিনি মূলত তার বাবার অবস্থানই অনুসরণ করেন। তাই আমরা একজন মুখোমুখি অবস্থান নেওয়া নেতাকেই প্রত্যাশা করছি, কোনো ধরনের নরম অবস্থানের আশা করছি না।
তবে হাশেম আরও বলেন, যদি এই যুদ্ধ শেষ হয় এবং তিনি বেঁচে থাকেন ও দেশ পরিচালনা চালিয়ে যেতে পারেন, তাহলে ইরানের জন্য নতুন পথ খুঁজে বের করার বড় সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।
বৈরুতের আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব বৈরুতের পাবলিক পলিসি ফেলো রামি খৌরি বলেন, মোজতবা খামেনির এই নিয়োগ মূলত ধারাবাহিকতার ইঙ্গিত দেয়। নতুন সর্বোচ্চ নেতা যুদ্ধ শেষ করতে আলোচনার পথে যাবেন কি না, তা এখনো দেখার বিষয়।
রামির মতে, এই নিয়োগ এক ধরনের 'চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া'রও প্রতীক। তিনি বলেন, ইরান যেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে বলছে, তোমরা আমাদের ব্যবস্থা ভেঙে দিতে চেয়েছিলে, কিন্তু দেখো, আমরা এমন একজনকে বেছে নিয়েছি, যিনি নিহত নেতার থেকেও আরও বেশি কঠোরপন্থি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনকারী বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্য হায়দারি আলেকাসার বলেন, প্রয়াত খামেনির পরামর্শ অনুযায়ীই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। তার মতে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে শত্রুর প্রশংসা নয়, বরং শত্রুর ঘৃণার পাত্র হওয়া উচিত।
হায়দারি এ সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই বক্তব্যের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে ট্রাম্প বলেছিলেন— মোজতবা খামেনি ইরানের নেতৃত্বের জন্য তার কাছে 'গ্রহণযোগ্য' পছন্দ নন।
এর আগে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীও সতর্ক করে বলেছিল, নতুন যে-ই নেতা হোক না কেন, 'আমরা তাকে লক্ষ্যবস্তু করতে দ্বিধা করব না।'
রোববার ট্রাম্প আবারও বলেন, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে ওয়াশিংটন প্রভাব খাটাবে। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন ছাড়া যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি 'বেশিদিন টিকতে পারবেন না'। বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির ছেলেকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করার সিদ্ধান্ত ট্রাম্পকে আরও ক্ষুব্ধ করে তুলতে পারে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় বাবা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার আট দিন পর ইরান নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তার ছেলে মোজতবা খামেনির নাম ঘোষণা করেছে। ওই হামলার পর ইরানসহ গোটা অঞ্চল জুড়েই যুদ্ধ শুরু হয়েছে।
আলি খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে মোজতবার নামই ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আলোচনায় ছিল। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে তার নির্বাচিত হওয়ার তথ্য এর আগে ইরানের গণমাধ্যমেও এসেছে। পরে রোববার (৮ মার্চ) রাতে ইরানের ৮৮ সদস্যের বিশেষজ্ঞ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তার নাম ঘোষণা করে।
কাতারের গণমাধ্যম আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা, শক্তিশালী ইসলামিক রেভ্যুলেশনারি গার্ড (আইআরজিসি) ও সশস্ত্র বাহিনী নতুন নেতা হিসেবে ৫৬ বছর বয়সী মোজতবা খামেনির প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেছে। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের ৪৭ বছরের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সংকটের সময়ে তাকে দেশটির নেতৃত্ব দিতে হবে।
ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সেক্রেটারি আলি লারিজানি এবারের যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই নিরাপত্তা কৌশল পরিচালনার দায়িত্বে আছেন। তিনিও নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে সামনে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। ইরান পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মাদ বাঘের গালিবাফ এ সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে অনুসরণ করা একটি ধর্মীয় ও জাতীয় দায়িত্ব।
আলি খামেনির পর ইরানের নতুন নেতৃত্ব হিসেবে বরাবরই আলোচনায় থাকলেও মোজতবা খামেনি এর আগে কখনো কোনো নির্বাচনে অংশ নেননি বা জনভোটের মুখোমুখি হননি। তবে কয়েক দশক ধরে তিনি সর্বোচ্চ নেতার ঘনিষ্ঠ বৃত্তে অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত এবং আইআরজিসির সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তুলেছেন।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে মোজতবা খামেনিকে নির্বাচিত করা ইঙ্গিত দেয় যে ইরানের ক্ষমতার কাঠামোর মধ্যে কঠোরপন্থি গোষ্ঠীগুলোর প্রভাব এখনো শক্তিশালী। একই সঙ্গে যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে প্রবেশ করার সময় স্বল্পমেয়াদে কোনো সমঝোতা বা আলোচনায় যাওয়ার বিষয়ে সরকারের আগ্রহ কম থাকারও ইঙ্গিত দিতে পারে।
আল জাজিরার সাংবাদিক আলি হাশেম মোজতবা খামেনিকে তার 'বাবার দ্বাররক্ষী' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ব্যাপারে তিনি মূলত তার বাবার অবস্থানই অনুসরণ করেন। তাই আমরা একজন মুখোমুখি অবস্থান নেওয়া নেতাকেই প্রত্যাশা করছি, কোনো ধরনের নরম অবস্থানের আশা করছি না।
তবে হাশেম আরও বলেন, যদি এই যুদ্ধ শেষ হয় এবং তিনি বেঁচে থাকেন ও দেশ পরিচালনা চালিয়ে যেতে পারেন, তাহলে ইরানের জন্য নতুন পথ খুঁজে বের করার বড় সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে।
বৈরুতের আমেরিকান ইউনিভার্সিটি অব বৈরুতের পাবলিক পলিসি ফেলো রামি খৌরি বলেন, মোজতবা খামেনির এই নিয়োগ মূলত ধারাবাহিকতার ইঙ্গিত দেয়। নতুন সর্বোচ্চ নেতা যুদ্ধ শেষ করতে আলোচনার পথে যাবেন কি না, তা এখনো দেখার বিষয়।
রামির মতে, এই নিয়োগ এক ধরনের 'চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেওয়া'রও প্রতীক। তিনি বলেন, ইরান যেন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে বলছে, তোমরা আমাদের ব্যবস্থা ভেঙে দিতে চেয়েছিলে, কিন্তু দেখো, আমরা এমন একজনকে বেছে নিয়েছি, যিনি নিহত নেতার থেকেও আরও বেশি কঠোরপন্থি।
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনকারী বিশেষজ্ঞ পরিষদের সদস্য হায়দারি আলেকাসার বলেন, প্রয়াত খামেনির পরামর্শ অনুযায়ীই প্রার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। তার মতে, ইরানের সর্বোচ্চ নেতাকে শত্রুর প্রশংসা নয়, বরং শত্রুর ঘৃণার পাত্র হওয়া উচিত।
হায়দারি এ সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই বক্তব্যের কথা উল্লেখ করেন, যেখানে ট্রাম্প বলেছিলেন— মোজতবা খামেনি ইরানের নেতৃত্বের জন্য তার কাছে 'গ্রহণযোগ্য' পছন্দ নন।
এর আগে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীও সতর্ক করে বলেছিল, নতুন যে-ই নেতা হোক না কেন, 'আমরা তাকে লক্ষ্যবস্তু করতে দ্বিধা করব না।'
রোববার ট্রাম্প আবারও বলেন, ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনে ওয়াশিংটন প্রভাব খাটাবে। তার ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন ছাড়া যিনি নির্বাচিত হবেন, তিনি 'বেশিদিন টিকতে পারবেন না'। বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির ছেলেকে সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করার সিদ্ধান্ত ট্রাম্পকে আরও ক্ষুব্ধ করে তুলতে পারে।

উভয় দেশের অর্থনীতির জন্যই এই সিদ্ধান্তকে একটি বড় ধরনের স্বস্তি হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে এই পদক্ষেপ তেহরানের ওপর ওয়াশিংটনের চাপ সৃষ্টির কৌশলকে বাধাগ্রস্ত করবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
আইআরজিসির আনসার আল মাহদি ইউনিট এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়ে বলেছে, বিস্ফোরিত বোমাটি কী ধরনের— তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিহতরা সবাই সেই ইউনিটের সবচেয়ে অভিজ্ঞ এবং বিশেষজ্ঞ পর্যায়ের সদস্য ছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।
৬ ঘণ্টা আগে
এদিকে একই ঘটনায় নিহত আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন-এর মরদেহ ফ্লোরিডার অরল্যান্ডো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ২ মে বাংলাদেশে পাঠানো হবে। তার মরদেহ দুবাই হয়ে আগামী ৪ মে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার জন্য পাকিস্তানের মাধ্যমে নতুন একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে ইরান। শুক্রবার (১ মে) দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সির (ইরনা) বরাত দিয়ে আল আরাবিয়া এ তথ্য জানিয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে