
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ইরান এবং জিসিসিভুক্ত (GCC) দেশগুলোর মধ্যে সরাসরি সংঘাতের আশঙ্কা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হামাদ বিন জসিম বিন জাবের আল থানি। তিনি মনে করেন, সম্ভাব্য এই সংঘাত শেষ পর্যন্ত এই অঞ্চলের দেশগুলোর সম্পদ ও সক্ষমতাকেই নিঃশেষ করে দেবে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ইরান ও পশ্চিমা শক্তির চলমান এই লড়াইয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর জড়িয়ে পড়া হবে একটি মারাত্মক ভুল। তিনি লেখেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই— উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (GCC) দেশগুলোকে ইরানের সাথে সরাসরি কোনো দ্বন্দ্বে টেনে নেওয়া ঠিক হবে না।’
‘যদিও ইরান আমাদের দেশগুলোতে হামলা চালিয়ে এবং সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে চরম আগ্রাসনের পরিচয় দিয়েছে, তবুও আমাদের অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে প্রতিটি পদক্ষেপ বিবেচনা করতে হবে। এটি কোনো সাধারণ আবেগপ্রসূত সিদ্ধান্তের বিষয় নয়, বরং আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্ন,’— বলেন হামাদ বিন জসিম।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানকে লক্ষ্য করে যৌথ হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানসহ উচ্চ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।
মূলত গত কয়েক মাস ধরে চলা চরম উত্তেজনার পরিস্থিতির ধারাবাহিকতায় ইরানে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। হামলা শুরুর পর থেকে ইরানে এখন পর্যন্ত ৫৫৫ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে শনিবার থেকেই পালটা হামলা শুরু করেছে ইরান। আজ সোমবারও ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে দেশটি। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ— বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে ইরান।
এ ছাড়া সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে ইরান নতুন মাত্রায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করেছে বলে খবর এসেছে। ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে নতুন মাত্রায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।
এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু আন্তর্জাতিক পক্ষ উপসাগরীয় দেশগুলোকে সরাসরি যুদ্ধে নামাতে চাইছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিজ্ঞ কূটনীতিক হামাদ বিন জসিম। তিনি মনে করেন, বড় শক্তিগুলোর এই লড়াই এক সময় থেমে যাবে, কিন্তু আঞ্চলিক দেশগুলো যদি একবার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তবে এর দীর্ঘমেয়াদী ক্ষত মুছতে কয়েক দশক লেগে যেতে পারে।
কাতারের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মতে, সরাসরি সংঘর্ষ মানেই হচ্ছে নিজেদের সম্পদ অন্য কোনো শক্তির হাতে তুলে দেওয়ার নামান্তর। তিনি তার পোস্টে উল্লেখ করেন, “সরাসরি সংঘর্ষ ঘটলে তা উভয় পক্ষের সম্পদকে পুরোপুরি তছনছ করে দেবে। আর তখনই বিভিন্ন বিদেশি শক্তি আমাদের ‘উদ্ধার’ করার অজুহাতে এই অঞ্চলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ পাবে। তাই আমার ব্যক্তিগত অভিমত হলো— কোনোভাবেই যেন আমরা এই মরণঘাতি উত্তেজনার পিচ্ছিল পথে পা না বাড়াই।”
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে হামাদ বিন জসিমের এই বক্তব্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের মতো দেশগুলো যখন ইরানের ‘আগ্রাসনে’র বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলছে, তখন কাতারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর ‘ব্যক্তিগত মতামত’ কৌশলগত কূটনীতির একটি ভিন্ন দিক উন্মোচন করল। তার এই সতর্কতাকে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার এবং পরোক্ষভাবে বিদেশি হস্তক্ষেপ বন্ধ করার একটি বলিষ্ঠ আহ্বান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ইরান এবং জিসিসিভুক্ত (GCC) দেশগুলোর মধ্যে সরাসরি সংঘাতের আশঙ্কা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কাতারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হামাদ বিন জসিম বিন জাবের আল থানি। তিনি মনে করেন, সম্ভাব্য এই সংঘাত শেষ পর্যন্ত এই অঞ্চলের দেশগুলোর সম্পদ ও সক্ষমতাকেই নিঃশেষ করে দেবে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স হ্যান্ডেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, ইরান ও পশ্চিমা শক্তির চলমান এই লড়াইয়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর জড়িয়ে পড়া হবে একটি মারাত্মক ভুল। তিনি লেখেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই— উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (GCC) দেশগুলোকে ইরানের সাথে সরাসরি কোনো দ্বন্দ্বে টেনে নেওয়া ঠিক হবে না।’
‘যদিও ইরান আমাদের দেশগুলোতে হামলা চালিয়ে এবং সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে চরম আগ্রাসনের পরিচয় দিয়েছে, তবুও আমাদের অত্যন্ত বিচক্ষণতার সাথে প্রতিটি পদক্ষেপ বিবেচনা করতে হবে। এটি কোনো সাধারণ আবেগপ্রসূত সিদ্ধান্তের বিষয় নয়, বরং আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার প্রশ্ন,’— বলেন হামাদ বিন জসিম।
গত শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরানকে লক্ষ্য করে যৌথ হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। এতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিসহ দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী, সশস্ত্র বাহিনীর প্রধানসহ উচ্চ পর্যায়ের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।
মূলত গত কয়েক মাস ধরে চলা চরম উত্তেজনার পরিস্থিতির ধারাবাহিকতায় ইরানে এই বিশেষ অভিযান পরিচালিত হয়। হামলা শুরুর পর থেকে ইরানে এখন পর্যন্ত ৫৫৫ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে শনিবার থেকেই পালটা হামলা শুরু করেছে ইরান। আজ সোমবারও ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে দেশটি। এর আগে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ— বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতেও হামলা চালিয়েছে ইরান।
এ ছাড়া সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটিতে ইরান নতুন মাত্রায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা শুরু করেছে বলে খবর এসেছে। ফার্স নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে নতুন মাত্রায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে।
এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কিছু আন্তর্জাতিক পক্ষ উপসাগরীয় দেশগুলোকে সরাসরি যুদ্ধে নামাতে চাইছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন অভিজ্ঞ কূটনীতিক হামাদ বিন জসিম। তিনি মনে করেন, বড় শক্তিগুলোর এই লড়াই এক সময় থেমে যাবে, কিন্তু আঞ্চলিক দেশগুলো যদি একবার যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে, তবে এর দীর্ঘমেয়াদী ক্ষত মুছতে কয়েক দশক লেগে যেতে পারে।
কাতারের এই সাবেক প্রধানমন্ত্রীর মতে, সরাসরি সংঘর্ষ মানেই হচ্ছে নিজেদের সম্পদ অন্য কোনো শক্তির হাতে তুলে দেওয়ার নামান্তর। তিনি তার পোস্টে উল্লেখ করেন, “সরাসরি সংঘর্ষ ঘটলে তা উভয় পক্ষের সম্পদকে পুরোপুরি তছনছ করে দেবে। আর তখনই বিভিন্ন বিদেশি শক্তি আমাদের ‘উদ্ধার’ করার অজুহাতে এই অঞ্চলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার সুযোগ পাবে। তাই আমার ব্যক্তিগত অভিমত হলো— কোনোভাবেই যেন আমরা এই মরণঘাতি উত্তেজনার পিচ্ছিল পথে পা না বাড়াই।”
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে হামাদ বিন জসিমের এই বক্তব্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের মতো দেশগুলো যখন ইরানের ‘আগ্রাসনে’র বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা বলছে, তখন কাতারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর ‘ব্যক্তিগত মতামত’ কৌশলগত কূটনীতির একটি ভিন্ন দিক উন্মোচন করল। তার এই সতর্কতাকে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বজায় রাখার এবং পরোক্ষভাবে বিদেশি হস্তক্ষেপ বন্ধ করার একটি বলিষ্ঠ আহ্বান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

কুয়ালালামপুরে তিনি যে বাংলাদেশি মালিকের প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন, তারাও হন্যে হয়ে চেষ্টা করছেন কুয়ালালামপুর কিংবা বাংলাদেশের কোথাও তার কোনো স্বজনকে খুঁজে পাওয়া যায় কি না। তাতেও লাভ হয়নি। ফলে মৃত্যুর ১৫ দিন পেরিয়ে গেলেও হাসপাতালের হিমঘর থেকে মুক্তি মিলছে না দীন মোহাম্মদের।
১ দিন আগে
বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনো ইরানকে হুমকি দেওয়া চলবে না। ইরান ও অঞ্চলটিতে তাদের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে ওয়াশিংটনকে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেওয়া, যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতির
২ দিন আগে
দাবানল নিয়ন্ত্রণ অভিযানের উপ-প্রধান টাইলার হেক্ট জানান, দুর্ঘটনার পর কর্মীরা কিছু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। পরবর্তীতে পুনরায় কাজ শুরু হয়। তিনি বলেন, “এই দুর্ঘটনা আমাদের কাজের পদ্ধতি বদলে দেবে না। আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাব এবং মাটিতে থাকা দমকলকর্মীদের সহায়তায় বিমান
২ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মেয়র এদুয়ার্দো নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ঘটনার পরপরই তিনি ব্রাজিলের ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন এজেন্সির (এএনএসি) সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আকাশে চলাচলকারী সকল হেলিকপ্টারের ওপর নজরদারি বাড়িয়ে যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত কর
২ দিন আগে