হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েল ‘সব ধরনের হামলা বন্ধে’ সম্মত হয়েছে: ট্রাম্প

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি

লেবাননভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ এবং ইসরায়েল নিজেদের মধ্যে ‘সব ধরনের হামলা বন্ধে’ সম্মত হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর মাধ্যমে বৈরুতে ইসরায়েলের সম্ভাব্য ভয়াবহ হামলা এবং ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি আলোচনা ভেঙে পড়ার ঝুঁকি আপাতত এড়ানো গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছেন, তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং হিজবুল্লাহর প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেছেন। উভয় পক্ষই ‘সব ধরনের গোলাগুলি ও হামলা বন্ধ করতে’ রাজি হয়েছে।

ট্রাম্প তার পোস্টে লেখেন, ‘বৈরুতে কোনো সেনা পাঠানো হবে না এবং যে সমস্ত সেনা সেদিকে অগ্রসর হচ্ছিল, তাদের ইতোমধ্যে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। একইভাবে, উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদের মাধ্যমে হিজবুল্লাহর সঙ্গেও আমার খুব ভালো আলোচনা হয়েছে এবং তারা সব ধরনের হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে।’

লেবাননের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, প্রস্তাবিত এই সমঝোতা অনুযায়ী, হিজবুল্লাহ যদি ইসরায়েলে কোনো হামলা না চালায়, তবে ইসরায়েলও বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলিতে কোনো আঘাত করবে না।

তবে ট্রাম্পের এই ঘোষণার পরপরই উভয় পক্ষ থেকে নতুন করে হামলার খবর পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে ইসরায়েলি কর্মকর্তা এবং হিজবুল্লাহর দেওয়া পালটা বক্তব্য এই চুক্তির স্থায়িত্ব নিয়ে গভীর সংশয় তৈরি করেছে। হিজবুল্লাহ নেতা হাসান ফাদলাল্লাহ জানিয়েছেন, তারা ইসরায়েলে হামলা বন্ধ করার বিনিময়ে বৈরুতকে রক্ষা করার এই আংশিক যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে।

দক্ষিণ লেবাননের টাইর শহরে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে ধ্বংসযজ্ঞ দেখছেন স্থানীয়রা; হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন হামলার আগে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ছবি: সংগৃহীত
দক্ষিণ লেবাননের টাইর শহরে ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে ধ্বংসযজ্ঞ দেখছেন স্থানীয়রা; হিজবুল্লাহর অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন হামলার আগে বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। ছবি: সংগৃহীত

অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, তিনি ট্রাম্পকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন— হিজবুল্লাহ যদি ইসরায়েল এবং এর নাগরিকদের ওপর হামলা বন্ধ না করে, তবে ইসরায়েল বৈরুতে হামলা চালাবেই। তিনি আরও যোগ করেন, দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের ‘পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী’ অভিযান চালিয়ে যাবে।

আজ মঙ্গলবার ভোরের দিকে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, লেবানন থেকে উত্তর ইসরায়েলের আকাশসীমায় প্রবেশ করা দুটি রকেট বা ক্ষেপণাস্ত্র তারা আকাশেই প্রতিহত করেছে। তবে এতে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে নেতানিয়াহু ইসরায়েলি বাহিনীকে বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলিতে বোমাবর্ষণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। ওই নির্দেশের পরে লেবাননের সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং ওই অঞ্চলের বাসিন্দারা দলে দলে ঘরবাড়ি ছেড়ে পালাতে শুরু করেন।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী এবং দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেছিলেন, হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে ‘বারবার এবং চলমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের’ কারণে তারা বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলিতে ‘সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে’ আঘাত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

গত ১৭ এপ্রিল ঘোষিত যুদ্ধবিরতির পর থেকে লেবানন যুদ্ধে ইসরায়েলের এই বোমাবর্ষণের নির্দেশকে সবচেয়ে গুরুতর উত্তেজনা বৃদ্ধি হিসেবে দেখা হচ্ছিল। ওই নির্দেশের পরপরই ইরানের রাজনৈতিক নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমস্ত আলোচনা স্থগিতের ঘোষণা দেয়। তেহরানের পক্ষ থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বৃহত্তর কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর প্রধান পূর্বশর্ত হলো লেবাননে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি।

লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় আকাশ জুড়ে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ছবি: সংগৃহীত
লেবাননে ইসরায়েলের হামলায় আকাশ জুড়ে ধোঁয়ার কুণ্ডলী। ছবি: সংগৃহীত

ইরান এর আগেও হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, লেবাননে ইসরায়েলের নতুন কোনো হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধবিরতির প্রক্রিয়াকে বিপন্ন করতে পারে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রাথমিকভাবে এই পরিস্থিতির প্রতিক্রিয়ায় ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, আলোচনা বন্ধ হয়ে গেলে তার কোনো আপত্তি নেই। মার্কিন গণমাধ্যমকে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার মনে হয় আমরা একটু বেশিই কথা বলে ফেলেছি।’

তবে এই মন্তব্যের পরপরই শুরু হয় একের পর এক কূটনৈতিক ফোনালাপ। একটি নতুন যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার প্রচেষ্টায় ট্রাম্প নেতানিয়াহুর সঙ্গে সরাসরি এবং মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে হিজবুল্লাহ নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছেন বলে জানান।

পরবর্তীতে এবিসি নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, তিনি আগামী সপ্তাহের মধ্যেই তেহরানের সাথে একটি চুক্তির আশা করছেন। একই সঙ্গে সোমবারের ঘটনাগুলোর গুরুত্বকে কিছুটা হালকা করে দেখিয়ে তিনি বলেন, ‘আজ সামান্য একটু জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তবে আপনারা হয়তো আগেই লক্ষ্য করেছেন যে আমি খুব দ্রুতই পরিস্থিতি সামাল দিয়েছি।”

যুদ্ধবিরতির মাঝেও থামেনি হামলা

গত মাসে যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হওয়া সত্ত্বেও ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে লড়াই মোটেও থামেনি। যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৮০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, হিজবুল্লাহও দক্ষিণ লেবাননে অবস্থানরত ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে এবং সাম্প্রতিক দিনগুলোতে উত্তর ইসরায়েল লক্ষ্য করে রকেট ছুড়েছে।

এর আগে ওয়াশিংটনের বিশেষ অনুরোধে লেবাননের রাজধানী বৈরুতকে ইসরায়েলি হামলা থেকে মুক্ত রাখার বিষয়টি যুদ্ধবিরতির অন্তর্ভুক্ত বলে ধরা হয়েছিল। যদিও ১৭ এপ্রিলের আগে বৈরুতে প্রতিদিনের বোমাবর্ষণের তুলনায় এখন হামলা অনেক কম, তাও ইসরায়েল ইতোমধ্যে দুইবার বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলিতে আঘাত হেনেছে।

দক্ষিণ লেবানন ও বেকা উপত্যকায় ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ এবং লেবানন জুড়ে বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দেওয়া বাধ্যতামূলক উচ্ছেদ নির্দেশের কারণে এ পর্যন্ত ১০ লাখেরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

দক্ষিণ লেবাননের বিউফোর্ট দুর্গে অভিযানে অংশ নিচ্ছেন ইসরায়েলি সেনারা। ছবি: আইডিএফ/রয়টার্স
দক্ষিণ লেবাননের বিউফোর্ট দুর্গে অভিযানে অংশ নিচ্ছেন ইসরায়েলি সেনারা। ছবি: আইডিএফ/রয়টার্স

এর আগে গত রোববার ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী দক্ষিণ লেবাননের ঐতিহাসিক মধ্যযুগীয় বিউফোর্ট দুর্গ দখল করে নেয়। ২০০০ সালে এই অঞ্চলে ইসরায়েলের ১৮ বছরের দখদারিত্বের অবসানের পর এটিই তাদের সবচেয়ে গভীরতম অনুপ্রবেশ। এ ছাড়া তারা টাইর শহরেও প্রচণ্ড বোমাবর্ষণ করেছে, যার ফলে দক্ষিণের এই শহরটিতে একের পর এক বহুতল ভবন ধূলিসাৎ হয়ে গেছে।

টাইর শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় সেখানকার জাবাল আমেল হাসপাতাল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় হাসপাতালের জানালা ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে এবং ছাদের কিছু অংশ ধসে পড়েছে, যার ফলে রোগী ও চিকিৎসাকর্মীদের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ইউরোপীয় নেতাদের নিন্দা ও নেপথ্যের কূটনীতি

লেবাননে ইসরায়েলের এই আগ্রাসন সম্প্রসারণের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইউরোপীয় নেতারা। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ অবিলম্বে লড়াই বন্ধের আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, ‘দক্ষিণ লেবাননে এখন যে ব্যাপক মাত্রায় উত্তেজনা বৃদ্ধি করা হচ্ছে, তার কোনো যৌক্তিকতা থাকতে পারে না।’

ফ্রান্সের সঙ্গে সুর মিলিয়ে যুক্তরাজ্য ও জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রীরাও ইসরায়েলের এই নতুন সামরিক অভিযানের নিন্দা জানিয়েছেন। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া যুদ্ধবিরতিকে সম্মান জানানোর আহ্বান জানান।

ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত লেবাননের রাজধানী বৈরুতের একটি এলাকা। ছবি: সংগৃহীত
ইসরায়েলি হামলায় বিধ্বস্ত লেবাননের রাজধানী বৈরুতের একটি এলাকা। ছবি: সংগৃহীত

এদিকে ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর সরকার বৈরুতে হামলা চালানোর জন্য গত কয়েক দিন ধরে ওয়াশিংটনের সবুজ সংকেত পাওয়ার চেষ্টা করছিল। ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার সুবাদে গত সপ্তাহের শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্র এই হামলা বাড়ানোর বিষয়ে সম্মতিও দিয়েছিল।

ইসরায়েলি গণমাধ্যমের বরাতে আরও জানা গেছে, গত সপ্তাহের শেষদিকে নেতানিয়াহু উচ্চপর্যায়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। সেখানে নেতানিয়াহু যুক্তি দেখান যে, বৈরুতে হিজবুল্লাহ যে কার্যত এক ধরনের ‘দায়মুক্তি’ উপভোগ করছে, তা ইসরায়েল কোনোভাবেই মেনে নিতে পারে না।

এর পরপরই ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী রাজনৈতিক নেতাদের সামনে বেশ কিছু সামরিক পরিকল্পনার রূপরেখা পেশ করে, যার মধ্যে বেসামরিক নাগরিকদের এলাকা ছাড়ার আদেশের মতো বিকল্পও অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু অবশ্য গোপন আলোচনায় স্বীকার করেছেন যে, মার্কিন বিধিনিষেধের কারণে এখনো ইসরায়েলের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ কিছুটা সীমিত।

চলতি বছরের মার্চ মাসে ইরান ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিহত হওয়ার পর, তার প্রতিশোধ হিসেবে হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে রকেট হামলা চালালে বর্তমান সংঘাতের সূত্রপাত হয়। তখন থেকে এ পর্যন্ত লেবাননে শিশু এবং উদ্ধারকর্মীসহ ৩ হাজার ৩০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, গত ২ মার্চের পর থেকে হিজবুল্লাহর হামলায় ইসরায়েলে দুজন বেসামরিক নাগরিক এবং দক্ষিণ লেবাননে ২০ জনেরও বেশি সেনা নিহত হয়েছেন।

গত এপ্রিলে ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবাননের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়। দুই দেশের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকায় বিগত তিন দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে এটিই ছিল তাদের প্রথম মুখোমুখি আলোচনা। চলতি সপ্তাহেও সেই আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে হিজবুল্লাহ এই আলোচনা প্রক্রিয়ায় অংশ নিচ্ছে না এবং তারা সাফ জানিয়ে দিয়েছে যে, এই আলোচনার কোনো ফলাফলই তারা মেনে নেবে না।

কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের ধারণা, সম্ভাব্য কোনো নতুন চুক্তি বা যুদ্ধবিরতি এই সামরিক অভিযানকে পুরোপুরি থামিয়ে দেওয়ার আগেই, ইসরায়েলি কর্মকর্তা ও সামরিক কমান্ডাররা হিজবুল্লাহর যতখানি সম্ভব সর্বোচ্চ ক্ষতিসাধন করতে চাচ্ছেন।

রাজনীতি/আইআর

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

ইউক্রেন জুড়ে রাশিয়ার ব্যাপক হামলা: নিহত ৯, আহত অর্ধশতাধিক

কিয়েভের মেয়র ক্লিচকো জানান, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একটি ৯ তলা আবাসিক ভবনসহ বেশ কয়েকটি স্থাপনায় আগুন ধরে যায়। তিনি বলেন, ‘ওবলন জেলায় ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ পড়ে বেশ কয়েকটি গাড়ি পুড়ছে। এ ছাড়া একটি কিন্ডারগার্টেনের কাছাকাছি এলাকাসহ দুটি খোলা জায়গায় আগুনের ঘটনা ঘটেছে।’

৯ ঘণ্টা আগে

৪ দশক পর জাতিসংঘের সভাপতি পদে লড়ছে বাংলাদেশ, ভোট আজ

বাংলাদেশ প্রায় ৪০ বছর পর আবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছে। ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।

৯ ঘণ্টা আগে

আগামী সপ্তাহের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে চুক্তি হতে পারে: ট্রাম্প

হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে চুক্তির খসড়া সংশোধনের কাজ চলার মধ্যে ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা হ্রাসের কৃতিত্ব নিজের কাঁধে নিলেও, ইরান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—জনগণের অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তারা কোনো চুক্তিতে সই করবে না।

১০ ঘণ্টা আগে

ইতালির দক্ষিণাঞ্চলে ৬.২ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ২৪৭ কিলোমিটার (১৫৩ মাইল) গভীরে। এটি কালাব্রিয়া অঞ্চলের কোসেনজা শহর থেকে প্রায় ৩৮ কিলোমিটার (২৩ মাইল) দূরে আঘাত হানে। ভূমিকম্পের পর তাৎক্ষণিকভাবে কোনও হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

১১ ঘণ্টা আগে