
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, দেশের ফুটবলার, সরকারি কর্মকর্তা, কূটনৈতিক আলোচক— সবাই মিলে ইরানি জনগণের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় নিয়োজিত আছেন। বিশ্বকাপ ফুটবলের গ্রুপ পর্বে ইরান নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বেলজিয়ামের সঙ্গে ড্র করার পর তিনি এমন মন্তব্য করলেন।
মিডল ইস্ট আইয়ের খবরে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া ওই পোস্টে আরাগচি গত ফেব্রুয়ারি মাসে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত স্কুলছাত্রীদের মরদেহের ছবির পাশাপাশি চলতি বিশ্বকাপ ফুটবলের বেলজিয়াম ম্যাচের দৃশ্য এক সঙ্গে জুড়ে দেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি তার পোস্টে লেখেন, ‘ফুটবল মাঠ থেকে শুরু করে আলোচনার টেবিল কিংবা যুদ্ধক্ষেত্র— ইরানি হিসেবে আমাদের নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ মূলত একটি বৃহত্তর সংগ্রামেরই অংশ। আর তা হলো আমাদের প্রিয় জনগণের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা।’
সুইজারল্যান্ডে মধ্যস্থতাকারীরা যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অগ্রগতির খবর জানাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই আরাগচির এই পোস্টটি সামনে এলো। আলোচনায় দুই দেশই আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপ (কর্মপরিকল্পনা) তৈরিতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
আরাঘচি তার এক্স পোস্টে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাবের ‘শাজারেহ তাইয়্যেবেহ গার্লস স্কুলে’ হওয়া সেই ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হতাহতদের কথাও স্মরণ করেন। উল্লেখ্য, ওই হামলায় প্রায় ১৬০ জন নিহত হয়েছিলেন, যাদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিলেন স্কুলছাত্রী এবং শিক্ষক।

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, দেশের ফুটবলার, সরকারি কর্মকর্তা, কূটনৈতিক আলোচক— সবাই মিলে ইরানি জনগণের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষায় নিয়োজিত আছেন। বিশ্বকাপ ফুটবলের গ্রুপ পর্বে ইরান নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে বেলজিয়ামের সঙ্গে ড্র করার পর তিনি এমন মন্তব্য করলেন।
মিডল ইস্ট আইয়ের খবরে বলা হয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া ওই পোস্টে আরাগচি গত ফেব্রুয়ারি মাসে একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত স্কুলছাত্রীদের মরদেহের ছবির পাশাপাশি চলতি বিশ্বকাপ ফুটবলের বেলজিয়াম ম্যাচের দৃশ্য এক সঙ্গে জুড়ে দেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি তার পোস্টে লেখেন, ‘ফুটবল মাঠ থেকে শুরু করে আলোচনার টেবিল কিংবা যুদ্ধক্ষেত্র— ইরানি হিসেবে আমাদের নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপ মূলত একটি বৃহত্তর সংগ্রামেরই অংশ। আর তা হলো আমাদের প্রিয় জনগণের সম্মান ও মর্যাদা রক্ষা করা।’
সুইজারল্যান্ডে মধ্যস্থতাকারীরা যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় অগ্রগতির খবর জানাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই আরাগচির এই পোস্টটি সামনে এলো। আলোচনায় দুই দেশই আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপ (কর্মপরিকল্পনা) তৈরিতে সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
আরাঘচি তার এক্স পোস্টে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিনাবের ‘শাজারেহ তাইয়্যেবেহ গার্লস স্কুলে’ হওয়া সেই ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হতাহতদের কথাও স্মরণ করেন। উল্লেখ্য, ওই হামলায় প্রায় ১৬০ জন নিহত হয়েছিলেন, যাদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিলেন স্কুলছাত্রী এবং শিক্ষক।

সমর্থকদের মতে, এই বিজয় অর্থনৈতিক সংস্কার ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে। তবে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, দেশের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, নিরাপত্তা সংকট ও আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও গভীর হতে পারে।
৪ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প এমন সময়ে এমন হুমকি দিয়েছেন যখন সুইজারল্যান্ডে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পক্ষে সংসদের স্পিকার বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটক
১৭ ঘণ্টা আগে
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ৬০ দিন বা তারপরও এই প্রণালিতে কাউকে কোনো টোল দিতে হবে না। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দুপক্ষ চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে টোল আরোপ করবে।
১৮ ঘণ্টা আগে
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সুইজারল্যান্ডে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। সে আলোচনায় যোগ দিতেই শনিবার গভীর রাতে ওয়াশিংটন ছাড়েন ভ্যান্স।
১ দিন আগে