
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু লেবাননের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন। দেশটির রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলিতে হিজবুল্লাহর প্রধান ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সোমবার (১ জুন) হিজবুল্লাহর শক্তিশালী দুর্গ হিসেবে পরিচিত ‘দাহিয়ে’ জেলায় এই হামলার নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও মাঠপর্যায়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও পালটাপালটি হামলা বন্ধ হয়নি। এসব হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের বিবৃতি
সোমবার নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ কর্তৃক লেবাননে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি বারবার লঙ্ঘন এবং আমাদের শহর ও নাগরিকদের ওপর অনবরত হামলা চালানোর প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ যৌথভাবে বৈরুতের দাহিয়ে জেলায় সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানাগুলোতে হামলা চালাতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) নির্দেশ দিয়েছেন।’
এর আগে গতকাল রোববারই নেতানিয়াহু লেবাননের অভ্যন্তরে আরও গভীরে ইসরায়েলি সেনাদের প্রবেশ করার এবং স্থল অভিযান আরও সম্প্রসারিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতাতেই এবার রাজধানী বৈরুতের উপকণ্ঠে বিমান হামলার এই নতুন নির্দেশ দেওয়া হলো।
যুদ্ধবিরতির আড়ালে আত্মঘাতী ড্রোন আতঙ্ক
সামরিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে, এপ্রিলের মাঝামাঝিতে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ইসরায়েলি সেনা এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে তুমুল গোলাগুলি ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রয়েছে। এই সংঘাতে হিজবুল্লাহ মূলত অত্যন্ত সস্তা ও সহজে সংযোজনযোগ্য একধরনের ‘কামিকাজে’ (আত্মঘাতী) ড্রোন ব্যবহার করছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই ড্রোনগুলো রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম এবং এগুলো প্রতিরোধ করা ইসরায়েলের অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্যও বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর এই আত্মঘাতী ড্রোনের আঘাতেই সম্প্রতি বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলি প্রশাসনে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।
এপ্রিলের শেষদিকে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ তাদের মিত্র দেশ ইরানের সমর্থনে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে রকেট ও ড্রোন নিক্ষেপ শুরু করে। তখন থেকেই এই সংঘাতের সূত্রপাত। এর পর থেকে ইসরায়েলের ক্রমাগত বিমান হামলায় এ পর্যন্ত লেবাননের ১২ লাখেরও বেশি নাগরিক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
লেবানন সরকারের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের এই স্থল ও বিমান অভিযানে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৩৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, তেল আবিবের দাবি— একই সময়ে হিজবুল্লাহর পালটা হামলায় তাদের ২৪ জন সেনা এবং ৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এর পাশাপাশি হিজবুল্লাহর ক্রমাগত রকেট হামলার কারণে উত্তর ইসরায়েলের হাজার হাজার বাসিন্দা এখনো বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন।
রাজনীতি ও সামরিক শক্তির এই তীব্র সংঘাতের মাঝে বৈরুতের প্রধান ঘাঁটিতে সরাসরি ইসরায়েলি হামলার এই নতুন নির্দেশ মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াকে চূড়ান্ত ব্যর্থতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কূটনৈতিক আলোচনার টেবিলে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের সব প্রচেষ্টা উপেক্ষা করে দুই পক্ষের এই অনমনীয় সামরিক অবস্থান লেবাননের সাধারণ মানুষের সংকটকে আরও দীর্ঘমেয়াদি ও মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।
রাজনীতি/আইআর

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু লেবাননের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ এনেছেন। দেশটির রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহরতলিতে হিজবুল্লাহর প্রধান ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সোমবার (১ জুন) হিজবুল্লাহর শক্তিশালী দুর্গ হিসেবে পরিচিত ‘দাহিয়ে’ জেলায় এই হামলার নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলেও মাঠপর্যায়ে রক্তক্ষয়ী সংঘাত ও পালটাপালটি হামলা বন্ধ হয়নি। এসব হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের বিবৃতি
সোমবার নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ কর্তৃক লেবাননে চলমান যুদ্ধবিরতি চুক্তি বারবার লঙ্ঘন এবং আমাদের শহর ও নাগরিকদের ওপর অনবরত হামলা চালানোর প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ যৌথভাবে বৈরুতের দাহিয়ে জেলায় সন্ত্রাসীদের গোপন আস্তানাগুলোতে হামলা চালাতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীকে (আইডিএফ) নির্দেশ দিয়েছেন।’
এর আগে গতকাল রোববারই নেতানিয়াহু লেবাননের অভ্যন্তরে আরও গভীরে ইসরায়েলি সেনাদের প্রবেশ করার এবং স্থল অভিযান আরও সম্প্রসারিত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতাতেই এবার রাজধানী বৈরুতের উপকণ্ঠে বিমান হামলার এই নতুন নির্দেশ দেওয়া হলো।
যুদ্ধবিরতির আড়ালে আত্মঘাতী ড্রোন আতঙ্ক
সামরিক সূত্রগুলো জানাচ্ছে, এপ্রিলের মাঝামাঝিতে যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকেই ইসরায়েলি সেনা এবং হিজবুল্লাহর মধ্যে তুমুল গোলাগুলি ও ড্রোন হামলা অব্যাহত রয়েছে। এই সংঘাতে হিজবুল্লাহ মূলত অত্যন্ত সস্তা ও সহজে সংযোজনযোগ্য একধরনের ‘কামিকাজে’ (আত্মঘাতী) ড্রোন ব্যবহার করছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই ড্রোনগুলো রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম এবং এগুলো প্রতিরোধ করা ইসরায়েলের অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার জন্যও বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। দক্ষিণ লেবাননে হিজবুল্লাহর এই আত্মঘাতী ড্রোনের আঘাতেই সম্প্রতি বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলি প্রশাসনে ব্যাপক তোলপাড় শুরু হয়।
এপ্রিলের শেষদিকে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর গত ২ মার্চ থেকে হিজবুল্লাহ তাদের মিত্র দেশ ইরানের সমর্থনে ইসরায়েলের অভ্যন্তরে রকেট ও ড্রোন নিক্ষেপ শুরু করে। তখন থেকেই এই সংঘাতের সূত্রপাত। এর পর থেকে ইসরায়েলের ক্রমাগত বিমান হামলায় এ পর্যন্ত লেবাননের ১২ লাখেরও বেশি নাগরিক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
লেবানন সরকারের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলের এই স্থল ও বিমান অভিযানে এ পর্যন্ত ৩ হাজার ৩৭০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, তেল আবিবের দাবি— একই সময়ে হিজবুল্লাহর পালটা হামলায় তাদের ২৪ জন সেনা এবং ৪ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। এর পাশাপাশি হিজবুল্লাহর ক্রমাগত রকেট হামলার কারণে উত্তর ইসরায়েলের হাজার হাজার বাসিন্দা এখনো বাস্তুচ্যুত অবস্থায় রয়েছেন।
রাজনীতি ও সামরিক শক্তির এই তীব্র সংঘাতের মাঝে বৈরুতের প্রধান ঘাঁটিতে সরাসরি ইসরায়েলি হামলার এই নতুন নির্দেশ মূলত মধ্যপ্রাচ্যের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি প্রক্রিয়াকে চূড়ান্ত ব্যর্থতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। কূটনৈতিক আলোচনার টেবিলে আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতাকারীদের সব প্রচেষ্টা উপেক্ষা করে দুই পক্ষের এই অনমনীয় সামরিক অবস্থান লেবাননের সাধারণ মানুষের সংকটকে আরও দীর্ঘমেয়াদি ও মানবিক বিপর্যয়ের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে।
রাজনীতি/আইআর

আজ রোববার (৩১ মে) ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর (আইডিএফ) পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। ইরান সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে চলমান এই লড়াইকে ইসরায়েলের একটি বড় ধরনের অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
১ দিন আগে
এখন প্রশ্ন একটাই— পারস্পরিক অবিশ্বাস ও শর্তের দেয়াল ভেঙে দুই দেশ কি সত্যিই একটি স্থায়ী সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবে, নাকি সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর ফের নতুন করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়বে মধ্যপ্রাচ্যে?
১ দিন আগে
তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ না থাকলে ইরান ইতোমধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করে ফেলতো। তার ভাষায়, “আমরা যদি নয় মাস আগে বি-২ বোমারু বিমান দিয়ে তাদের ওপর হামলা না করতাম, তাহলে তারা এখনই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতো এবং পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন হতো।”
১ দিন আগে
গত ১৩ মে ফল প্রকাশের পর থেকে ৪ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থী মোট ১১ লাখ উত্তরপত্র দেখতে চেয়ে শিক্ষা বোর্ডের কাছে আবেদন করেছে, যা দেশটির ইতিহাসে নজিরবিহীন। ভারতের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষায় এ বছর প্রায় ১৭ লাখ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল।
১ দিন আগে