
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে লেবাননে হামলা চালিয়ে আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতি বিপন্ন করার সুযোগ দিলে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বোকামি’ হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও লেবাননে ইসরায়েলের তীব্র হামলায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি উল্লেখ করেন, নেতানিয়াহুর দুর্নীতি মামলার বিচার আগামী রোববার আবার শুরু হচ্ছে। তার দাবি, যুদ্ধ অব্যাহত রাখার পেছনে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর গোপন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
আরাগচি লেখেন, “লেবাননসহ পুরো অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে তার কারাগারে যাওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হতে পারে।”
এরপর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, যদি ওয়াশিংটন নেতানিয়াহুকে কূটনীতি ‘হত্যা’ করার সুযোগ দিয়ে নিজেদের অর্থনীতিকে ঝুঁকিতে ফেলতে চায়, সেটি শেষ পর্যন্ত তাদেরই সিদ্ধান্ত। তবে ইরানের মতে, এমন সিদ্ধান্ত হবে ‘চরম বোকামি’, যদিও তেহরান সে পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।
আল-জাজিরা লিখেছে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য অনেকটাই প্রতিধ্বনিত করেছে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের আগের দিনের বক্তব্যকে। বুধবার ভ্যান্স সতর্ক করে বলেছিলেন, লেবানন ইস্যুতে যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়তে দেওয়া ইরানের জন্যও ‘বোকামি’ হবে।
এর আগে মঙ্গলবার যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকেই তা লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি না— এ প্রশ্নে বড় ধরনের মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। ইরানের কর্মকর্তা ও দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যম ইঙ্গিত দিয়েছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর নিশ্চিত করতে তেহরান সামরিক জবাব দিতে পারে অথবা হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ব্যাহত করতে পারে।
এদিকে বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি ইসরায়েল সরকারকে লেবাননে সামরিক অভিযান সীমিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসিকে তিনি বলেন, নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা হয়েছে এবং তিনি অভিযান কিছুটা কমানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
ভ্যান্সও বুধবার দাবি করেন, ইসরায়েল লেবাননে নিজেদের কার্যক্রম ‘কিছুটা সংযত’ রাখতে সম্মত হয়েছে।
তবে লেবাননের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী দিনের পরও হামলা থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। সাম্প্রতিক ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৩০০ ছাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবারও লেবাননে নতুন করে একাধিক প্রাণঘাতী হামলা চালায় ইসরায়েল। দক্ষিণাঞ্চলীয় বোরজ কালাউইয়ে শহরে এক হামলায় চারজন উদ্ধারকর্মী নিহত হয়েছেন।
এ ছাড়া রাজধানী বৈরুতের জ্নাহ এলাকায় নতুন করে সরে যাওয়ার নির্দেশ জারি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ওই এলাকায় দেশের সবচেয়ে বড় দুটি হাসপাতালসহ কয়েক হাজার বাসিন্দা ও বাস্তুচ্যুত মানুষ অবস্থান করছেন।
অতীতেও ইসরায়েল হামলা সীমিত করতে সম্মত হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবি পরে বাস্তবে মেলেনি। ২০২৪ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন মাসের পর মাস দাবি করেছিল, গাজার রাফাহতে ইসরায়েলের অভিযান ছিল ‘সীমিত’। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শহরটির প্রায় সব স্থাপনা ধ্বংস করে দেয় ইসরায়েলি বাহিনী।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এখন বলছেন, দক্ষিণ লেবাননেও একই কৌশল প্রয়োগ করে জনসংখ্যাকে স্থায়ীভাবে বাস্তুচ্যুত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলি হামলার জবাবে মার্চের শুরুতে হিজবুল্লাহ রকেট হামলা চালালে লেবাননের সংঘাত পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে রূপ নেয়।
এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরের পৃথক যুদ্ধবিরতির পর থেকেও লেবাননে প্রায় প্রতিদিনই হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এসব হামলায় বেসামরিক অবকাঠামোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে লেবাননে হামলা চালিয়ে আঞ্চলিক যুদ্ধবিরতি বিপন্ন করার সুযোগ দিলে তা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ‘বোকামি’ হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও লেবাননে ইসরায়েলের তীব্র হামলায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানির প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন।
আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে আরাগচি উল্লেখ করেন, নেতানিয়াহুর দুর্নীতি মামলার বিচার আগামী রোববার আবার শুরু হচ্ছে। তার দাবি, যুদ্ধ অব্যাহত রাখার পেছনে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর গোপন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
আরাগচি লেখেন, “লেবাননসহ পুরো অঞ্চলে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলে তার কারাগারে যাওয়ার প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হতে পারে।”
এরপর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, যদি ওয়াশিংটন নেতানিয়াহুকে কূটনীতি ‘হত্যা’ করার সুযোগ দিয়ে নিজেদের অর্থনীতিকে ঝুঁকিতে ফেলতে চায়, সেটি শেষ পর্যন্ত তাদেরই সিদ্ধান্ত। তবে ইরানের মতে, এমন সিদ্ধান্ত হবে ‘চরম বোকামি’, যদিও তেহরান সে পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত।
আল-জাজিরা লিখেছে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই মন্তব্য অনেকটাই প্রতিধ্বনিত করেছে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের আগের দিনের বক্তব্যকে। বুধবার ভ্যান্স সতর্ক করে বলেছিলেন, লেবানন ইস্যুতে যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়তে দেওয়া ইরানের জন্যও ‘বোকামি’ হবে।
এর আগে মঙ্গলবার যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর থেকেই তা লেবাননের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য কি না— এ প্রশ্নে বড় ধরনের মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। ইরানের কর্মকর্তা ও দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যম ইঙ্গিত দিয়েছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর নিশ্চিত করতে তেহরান সামরিক জবাব দিতে পারে অথবা হরমুজ প্রণালিতে চলাচল ব্যাহত করতে পারে।
এদিকে বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তিনি ইসরায়েল সরকারকে লেবাননে সামরিক অভিযান সীমিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসিকে তিনি বলেন, নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা হয়েছে এবং তিনি অভিযান কিছুটা কমানোর আশ্বাস দিয়েছেন।
ভ্যান্সও বুধবার দাবি করেন, ইসরায়েল লেবাননে নিজেদের কার্যক্রম ‘কিছুটা সংযত’ রাখতে সম্মত হয়েছে।
তবে লেবাননের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ রক্তক্ষয়ী দিনের পরও হামলা থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। সাম্প্রতিক ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৩০০ ছাড়িয়েছে। বৃহস্পতিবারও লেবাননে নতুন করে একাধিক প্রাণঘাতী হামলা চালায় ইসরায়েল। দক্ষিণাঞ্চলীয় বোরজ কালাউইয়ে শহরে এক হামলায় চারজন উদ্ধারকর্মী নিহত হয়েছেন।
এ ছাড়া রাজধানী বৈরুতের জ্নাহ এলাকায় নতুন করে সরে যাওয়ার নির্দেশ জারি করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। ওই এলাকায় দেশের সবচেয়ে বড় দুটি হাসপাতালসহ কয়েক হাজার বাসিন্দা ও বাস্তুচ্যুত মানুষ অবস্থান করছেন।
অতীতেও ইসরায়েল হামলা সীমিত করতে সম্মত হয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবি পরে বাস্তবে মেলেনি। ২০২৪ সালে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন মাসের পর মাস দাবি করেছিল, গাজার রাফাহতে ইসরায়েলের অভিযান ছিল ‘সীমিত’। কিন্তু শেষ পর্যন্ত শহরটির প্রায় সব স্থাপনা ধ্বংস করে দেয় ইসরায়েলি বাহিনী।
ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এখন বলছেন, দক্ষিণ লেবাননেও একই কৌশল প্রয়োগ করে জনসংখ্যাকে স্থায়ীভাবে বাস্তুচ্যুত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর ইসরায়েলি হামলার জবাবে মার্চের শুরুতে হিজবুল্লাহ রকেট হামলা চালালে লেবাননের সংঘাত পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে রূপ নেয়।
এর আগে ২০২৪ সালের নভেম্বরের পৃথক যুদ্ধবিরতির পর থেকেও লেবাননে প্রায় প্রতিদিনই হামলা চালিয়ে আসছে ইসরায়েল। এসব হামলায় বেসামরিক অবকাঠামোও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই যুদ্ধ বা যুদ্ধবিরতির মধ্যে যেকোনো একটিকে বেছে নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইদ খাতিবজাদেহ।
১ দিন আগে
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর দাবি, হিজবুল্লাহর সক্ষমতাকে তারা শুরুতে অবমূল্যায়ন করেছিল। তাদের ধারণা, হিজবুল্লাহ গত দফার লড়াইয়ের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে এখন বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এবং হাজার হাজার যোদ্ধা ও শত শত রকেট নিয়ে তারা এখনো সক্রিয়। এই যুক্তিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেই লেবাননে সামরিক অভিযান জারি রাখা
১ দিন আগে
ইসরায়েলের হামলায় এক দিনে ফিলিস্তিনের গাজা ও লেবাননে তিনজন সাংবাদিক নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার (৮ এপ্রিল) গাজা ও লেবাননে প্রাণঘাতী হামলা চালায় ইসরায়েল, এতে সাংবাদিক মোহাম্মদ সামির ওয়াশাহ, ঘাদা দাইয়েখ এবং সুজান খলিল নিহত হন।
১ দিন আগে
বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, আগামী শনিবার ইসলামাবাদে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
১ দিন আগে