ইরানে হামলা চালিয়ে যেতে ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
মোহাম্মদ বিন সালমান (বাঁয়ে) ও ডোনাল্ড ট্রাম্প (ডানে)। ফাইল ছবি

ইরানে হামলা চালিয়ে যেতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি যুবরাজ মার্কিন প্রেসিডেন্টকে যুক্তি দিচ্ছেন, মার্কিন-ইসরায়েলি সামরিক অভিযান মধ্যপ্রাচ্যকে পুনর্গঠনের এক ‘ঐতিহাসিক সুযোগ’ সুযোগ এনে দিয়েছে।

গত সপ্তাহে বেশ কয়েকবার ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে সৌদি যুবরাজের। এসব আলোচনার বিষয়ে জানেন— এমন সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এসব তথ্য জানিয়েছে।

সৌদি যুবরাজ যুক্তি দিয়েছেন যে উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোকে ইরান দীর্ঘমেয়াদি হুমকির মুখে রেখেছে, যা দেশটির সরকারকে নির্মূল করার মাধ্যমে দূর করা যেতে পারে। তবে সৌদি কর্মকর্তারা যুবরাজের এমন অবস্থানের কথা অস্বীকার করেছেন।

Ad
Ad
ad
ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

আস্থার সংকট, তবু ইসরায়েলের সঙ্গে নিরাপত্তা আলোচনায় ফেরার আশা সিরিয়ার

দামেস্কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাইবানি বলেন, সিরিয়া ও ইসরায়েলের মধ্যে নিরাপত্তা চুক্তি নিয়ে আলোচনা ইরান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে স্থগিত রয়েছে। তবে কূটনৈতিক যোগাযোগের দরজা এখনো খোলা এবং শিগগিরই আলোচনা ফেরার আশা করছে সিরিয়া।

১০ ঘণ্টা আগে

সীমান্ত নিয়ে আলোচনায় চীন সফরে যাচ্ছেন ভারতের অজিত দোভাল

সোমবার (২৪ আগস্ট) বেইজিং যাচ্ছেন অজিত দোভাল। সফরে ভারতের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন তিনি। অন্যদিকে চীনের সীমান্তবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে থাকবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। আগামী মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুই দেশের মধ্যে বৈঠকটি হবে।

২১ ঘণ্টা আগে

ইরান যুদ্ধে নতুন মোড়— ওয়াশিংটনের ‘কঠোরতম নিষেধাজ্ঞা’ বনাম তেহরানের পালটা হুঁশিয়ারি

ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে কোণঠাসা করতে নতুন করে সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের পথে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, তেহরানের বিরুদ্ধে ‘ইতিহাসের কঠোরতম নিষেধাজ্ঞা’ ঘোষণা করা হবে। তবে ওয়াশিংটনের এই হুমকির মুখেও পিছু হটার ইঙ্গিত নেই ইরানের। বরং নতুন নিষেধাজ্ঞাকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘হতাশার

১ দিন আগে

নির্বাচনের ‘বিপক্ষে’ জেলেনস্কি, বললেন যুদ্ধের মধ্যে ভোট হলে ইউক্রেন ধ্বংস হবে

সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময়ে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমরা যদি দেশকে ধ্বংস করতে চাই, তাহলে এমন যুদ্ধের মধ্যে নির্বাচনের দিকে এগোতে পারি।’ তার মতে, এখন নির্বাচন আয়োজন করলে তা ‘রাষ্ট্রের জন্য সুনামি’ হয়ে দাঁড়াবে এবং ইউক্রেনকে বিভক্ত করে ফেলতে পারে।

১ দিন আগে