
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের জনগণের পক্ষ থেকে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা শত্রুদের ওপর ‘ক্রোধের বজ্রাঘাত’ অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন বাহিনীটির কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি।
শনিবার (৪ জুলাই) ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে দেওয়া এক বার্তায় মুসাভি এ কথা বলেন। ইরানের সরকারি গণমাধ্যম রেডিও তেহরানের অনলাইন সেবা পার্স টুডের খবরে এ তথ্য জানানো হয়।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি বলেন, ‘ইরানের সম্মানিত জাতিকে আমি জানাতে চাই, আপনাদের জন্য জীবন উৎসর্গে প্রস্তুত মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা আপনাদের পক্ষ থেকে শত্রুর ওপর ক্রোধের বজ্রাঘাত অব্যাহত রাখবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমরা রক্তাক্ত হৃদয় ও গভীর শোক নিয়ে আমাদের শহীদ নেতাকে— যিনি ছিলেন যুগের এক অনন্য ব্যক্তিত্ব— তার চিরস্থায়ী মর্যাদার আসনে বিদায় জানাচ্ছি।’
মুসাভি বলেন, ‘এ মুহূর্তে আমরা মহান আল্লাহর সঙ্গে অঙ্গীকার করছি যে, তার নেতৃত্বে ইসলামি সমাজের জন্য নির্ধারিত মহান লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আমরা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে থাকব না।’
বার্তায় তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পথ সেই পথই থাকবে, যা ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ঘোষণা করেছেন। জাতির প্রতিটি সদস্য, যিনি শত্রুর হাতে শহিদ হবেন, তিনি প্রতিশোধের পৃথক ও স্বতন্ত্র একটি নিয়ামক বা চলক হিসেবে বিবেচিত হবেন।’
আইআরজিসির এই কমান্ডার আরও বলেন, ‘শত্রু যে কঠোর ও অপ্রত্যাশিত আঘাত পেয়েছে, তা চলতেই থাকবে। কারণ সত্য ও অসত্যের মধ্যকার সংগ্রামের পথ কখনও শেষ হয়নি এবং ভবিষ্যতেও শেষ হবে না। আমি ইরানের সম্মানিত জাতিকে জানাতে চাই, মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীতে আপনাদের জন্য জীবন উৎসর্গে প্রস্তুত সদস্যরা আপনাদের পক্ষ থেকে শত্রুর ওপর আপনাদের ক্রোধের বজ্রাঘাত বর্ষণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে।’

ইরানের জনগণের পক্ষ থেকে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা শত্রুদের ওপর ‘ক্রোধের বজ্রাঘাত’ অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন বাহিনীটির কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইয়্যেদ মাজিদ মুসাভি।
শনিবার (৪ জুলাই) ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানের প্রাক্কালে দেওয়া এক বার্তায় মুসাভি এ কথা বলেন। ইরানের সরকারি গণমাধ্যম রেডিও তেহরানের অনলাইন সেবা পার্স টুডের খবরে এ তথ্য জানানো হয়।
ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাজিদ মুসাভি বলেন, ‘ইরানের সম্মানিত জাতিকে আমি জানাতে চাই, আপনাদের জন্য জীবন উৎসর্গে প্রস্তুত মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা আপনাদের পক্ষ থেকে শত্রুর ওপর ক্রোধের বজ্রাঘাত অব্যাহত রাখবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমরা রক্তাক্ত হৃদয় ও গভীর শোক নিয়ে আমাদের শহীদ নেতাকে— যিনি ছিলেন যুগের এক অনন্য ব্যক্তিত্ব— তার চিরস্থায়ী মর্যাদার আসনে বিদায় জানাচ্ছি।’
মুসাভি বলেন, ‘এ মুহূর্তে আমরা মহান আল্লাহর সঙ্গে অঙ্গীকার করছি যে, তার নেতৃত্বে ইসলামি সমাজের জন্য নির্ধারিত মহান লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আমরা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে থাকব না।’
বার্তায় তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের পথ সেই পথই থাকবে, যা ইসলামি বিপ্লবের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি ঘোষণা করেছেন। জাতির প্রতিটি সদস্য, যিনি শত্রুর হাতে শহিদ হবেন, তিনি প্রতিশোধের পৃথক ও স্বতন্ত্র একটি নিয়ামক বা চলক হিসেবে বিবেচিত হবেন।’
আইআরজিসির এই কমান্ডার আরও বলেন, ‘শত্রু যে কঠোর ও অপ্রত্যাশিত আঘাত পেয়েছে, তা চলতেই থাকবে। কারণ সত্য ও অসত্যের মধ্যকার সংগ্রামের পথ কখনও শেষ হয়নি এবং ভবিষ্যতেও শেষ হবে না। আমি ইরানের সম্মানিত জাতিকে জানাতে চাই, মহাকাশ ও ক্ষেপণাস্ত্র বাহিনীতে আপনাদের জন্য জীবন উৎসর্গে প্রস্তুত সদস্যরা আপনাদের পক্ষ থেকে শত্রুর ওপর আপনাদের ক্রোধের বজ্রাঘাত বর্ষণ করেছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখবে।’

জরিপের তথ্য বলছে, গত জুলাই মাসে জার্মানির ২৩ দশমিক ২ শতাংশ কোম্পানিতেই দক্ষ কর্মীর ঘাটতি ছিল। এপ্রিল তথা তিন মাস আগের তুলনায় এই হার ২ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ এপ্রিলের তুলনায় জুলাইয়ে দক্ষ কর্মীর সংকট আরও ২ শতাংশ বেড়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
১৪ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১ দিন আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১ দিন আগে