
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে চালকবিহীন ‘ড্রোন স্পিডবোট’ বা নৌ ড্রোন মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
কোনো সক্রিয় যুদ্ধে এ ধরনের চালকবিহীন নৌযান ব্যবহারের কথা প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করল ওয়াশিংটন। এর আগে এসব নৌ ড্রোন মোতায়েনের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো তথ্য জানা যায়নি।
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মুখপাত্র টিম হকিন্স জানান, মেরিল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ব্ল্যাক-সি’ নির্মিত এসব নৌ ড্রোন ‘গ্লোবাল অটোনোমাস রিকনেসান্স ক্রাফট’ (জিএআরসি) নামে পরিচিত। এগুলো ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র অংশ হিসেবে টহল দিচ্ছে।
হকিন্স আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যে জিএআরসি প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে। অপারেশন এপিক ফিউরির সমর্থনে টহল দেওয়ার সময় এসব ড্রোন ৪৫০ ঘণ্টার বেশি পানিতে সক্রিয় থেকে প্রায় ২ হাজার ২০০ নটিক্যাল মাইল পথ অতিক্রম করেছে।
পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, এসব ড্রোন বোট মূলত নজরদারির কাজে ব্যবহৃত হলেও প্রয়োজন হলে আত্মঘাতী হামলাতেও ব্যবহার করা সম্ভব। ফলে এগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তবে জিএআরসি নৌ ড্রোন বর্তমানে মোতায়েন থাকা অন্যান্য ড্রোন ব্যবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে রাজি হননি সেন্টকমের মুখপাত্র হকিন্স। একইভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চায়নি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘ব্ল্যাক-সি’ও।
গত বছর রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, চালকবিহীন নৌবহর তৈরির ক্ষেত্রে মার্কিন নৌবাহিনী বেশ কিছু বাধার সম্মুখীন হয়েছিল। তবে সে প্রতিকূলতা কাটিয়েই এগুলো এখন যুদ্ধক্ষেত্রে নামানো হলো।
ইউক্রেন যুদ্ধে বিস্ফোরকবাহী স্পিডবোট দিয়ে রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহরের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি ঘটানোর পর থেকেই এ ধরনের নৌ ড্রোন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসে।
একই ধরনের কৌশল অনুসরণ করে ইরানও সম্প্রতি পারস্য উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলায় ‘সি ড্রোন’ ব্যবহার করেছে। তবে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এসব চালকবিহীন নৌযান দিয়ে সরাসরি কোনো আক্রমণ পরিচালনা করেছে— এমন সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে চালকবিহীন ‘ড্রোন স্পিডবোট’ বা নৌ ড্রোন মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
কোনো সক্রিয় যুদ্ধে এ ধরনের চালকবিহীন নৌযান ব্যবহারের কথা প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করল ওয়াশিংটন। এর আগে এসব নৌ ড্রোন মোতায়েনের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনো তথ্য জানা যায়নি।
রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) মুখপাত্র টিম হকিন্স জানান, মেরিল্যান্ডভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ‘ব্ল্যাক-সি’ নির্মিত এসব নৌ ড্রোন ‘গ্লোবাল অটোনোমাস রিকনেসান্স ক্রাফট’ (জিএআরসি) নামে পরিচিত। এগুলো ইরানের বিরুদ্ধে পরিচালিত যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র অংশ হিসেবে টহল দিচ্ছে।
হকিন্স আরও জানান, মধ্যপ্রাচ্যে জিএআরসি প্ল্যাটফর্মের ব্যবহার অব্যাহত রয়েছে। অপারেশন এপিক ফিউরির সমর্থনে টহল দেওয়ার সময় এসব ড্রোন ৪৫০ ঘণ্টার বেশি পানিতে সক্রিয় থেকে প্রায় ২ হাজার ২০০ নটিক্যাল মাইল পথ অতিক্রম করেছে।
পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, এসব ড্রোন বোট মূলত নজরদারির কাজে ব্যবহৃত হলেও প্রয়োজন হলে আত্মঘাতী হামলাতেও ব্যবহার করা সম্ভব। ফলে এগুলো যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তবে জিএআরসি নৌ ড্রোন বর্তমানে মোতায়েন থাকা অন্যান্য ড্রোন ব্যবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে রাজি হননি সেন্টকমের মুখপাত্র হকিন্স। একইভাবে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চায়নি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ‘ব্ল্যাক-সি’ও।
গত বছর রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, চালকবিহীন নৌবহর তৈরির ক্ষেত্রে মার্কিন নৌবাহিনী বেশ কিছু বাধার সম্মুখীন হয়েছিল। তবে সে প্রতিকূলতা কাটিয়েই এগুলো এখন যুদ্ধক্ষেত্রে নামানো হলো।
ইউক্রেন যুদ্ধে বিস্ফোরকবাহী স্পিডবোট দিয়ে রাশিয়ার কৃষ্ণসাগরীয় নৌবহরের উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি ঘটানোর পর থেকেই এ ধরনের নৌ ড্রোন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনায় আসে।
একই ধরনের কৌশল অনুসরণ করে ইরানও সম্প্রতি পারস্য উপসাগরে তেলবাহী জাহাজে হামলায় ‘সি ড্রোন’ ব্যবহার করেছে। তবে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এসব চালকবিহীন নৌযান দিয়ে সরাসরি কোনো আক্রমণ পরিচালনা করেছে— এমন সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মেয়র এদুয়ার্দো নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ঘটনার পরপরই তিনি ব্রাজিলের ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন এজেন্সির (এএনএসি) সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আকাশে চলাচলকারী সকল হেলিকপ্টারের ওপর নজরদারি বাড়িয়ে যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত কর
১ দিন আগে
নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। গত মার্চের শুরুর দিকে দেশটির নীতি-নির্ধারণী পরিষদ 'অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস' তাঁকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
১ দিন আগে
চুক্তিতে বলা হয়েছে, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে ‘তিন দেশের সবার ওপর হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তিন দেশের প্রকাশিত এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ‘যেকোনো ধরনের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা’ এবং ‘তিন দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সব দিক আরও
২ দিন আগে
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরান ও ওমানের মধ্যে সমঝোতাকে যুদ্ধ বন্ধে বৃহত্তর একটি চুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মধ্য দিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়। এর পর বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রপ্তানি পথ হরমুজ প্রণালিতে ইরান কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।
২ দিন আগে