সুইজারল্যান্ডে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষ বৈঠকে ৬০ দিনের রোডম্যাপে সম্মতি

ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
আপডেট : ২২ জুন ২০২৬, ১২: ০৭
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের উপস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের অবসান লক্ষ্যে আয়োজিত লেক লুসার্ন সম্মেলনে বক্তব্য দেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। এ সময় কাতারের প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুর রহমান বিন জাসিম আল-থানির হাত ধরে থাকতে দেখা যায় তাকে। ছবি: রয়টার্স

সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যকার প্রথম দফার আলোচনা আজ সোমবার শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন মধ্যস্থতাকারীরা। তেহরানের পক্ষ থেকে ফের হরমুজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরানে পুনরায় হামলা শুরু করার হুমকির কারণে এক চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এই আলোচনার সূচনা হয়েছিল।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, মধ্যস্থতাকারী দেশ কাতার এবং পাকিস্তানের একটি যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্যে একটি রোডম্যাপে (কর্মপরিকল্পনা) সম্মত হয়েছে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত ওই বিবৃতি অনুযায়ী, চলতি সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে কাতারের মালিকানাধীন সুইজারল্যান্ডের পাহাড়ি রিসোর্ট বুর্গেনস্টকে কারিগরি পর্যায়ের আলোচনা অব্যাহত থাকবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, উভয় পক্ষ লেবাননে লড়াই বন্ধ করার জন্য একটি ব্যবস্থার বিষয়ে সম্মত হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে একটি যোগাযোগ লাইন (কমিউনিকেশন চ্যানেল) চালু করেছে।

গত সপ্তাহে এপ্রিলের ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও অন্তত ৬০ দিন বাড়ানোর লক্ষ্যে যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তার শর্তানুযায়ী মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স গতকাল রোববার ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেন। এই আলোচনা সোমবারের প্রথম প্রহর পর্যন্ত চলে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের উপস্থিতিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ করমর্দন করেন। ছবিটি সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকে আয়োজিত লেক লুসার্ন সম্মেলনের বৈঠক শুরুর আগে তোলা। ছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনারের উপস্থিতিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ করমর্দন করেন। ছবিটি সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকে আয়োজিত লেক লুসার্ন সম্মেলনের বৈঠক শুরুর আগে তোলা। ছবি: রয়টার্স

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি দাবি করেছেন, তার দেশ তেল ও পেট্রোকেমিক্যাল রপ্তানির ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মওকুফ (ওয়েভার), কিছু অবরুদ্ধ সম্পদ অবমুক্ত করা এবং ইরানের জন্য একটি পুনর্গঠন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা চালু করার সুবিধা নিশ্চিত করতে পেরেছে।

তবে আলোচনা আপাতত শেষ হয়েছে কি না— এ বিষয়ে হোয়াইট হাউজের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

রোববার আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু হওয়ার ঠিক আগে ফক্স নিউজ এক প্রতিবেদনে জানায়, ট্রাম্প বলেছেন যে তিনি ইরানি কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছেন— তারা যদি আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করার চেষ্টা করে তবে ‘তাদের দেশই ধংস করে দেওয়া হবে’।

ফক্স নিউজ আরও জানায়, ট্রাম্প তার আগের একটি হুমকির পুনরাবৃত্তি করে বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র এই নৌপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেবে এবং সম্ভবত সেখানে নিজস্ব একটি টোল বা কর আদায় শুরু করবে।

সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে আয়োজিত লেক লুসার্ন সম্মেলনে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ছবি: রয়টার্স
সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে আয়োজিত লেক লুসার্ন সম্মেলনে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। ছবি: রয়টার্স

সুইজারল্যান্ডের এই আলোচনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের সূত্রগুলো অবশ্য ভিন্ন ভিন্ন বিবরণ দিয়েছে।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদসংস্থা তাসনিম নিউজ একটি নির্ভরযোগ্য সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ট্রাম্পের এই হুমকি জনসমক্ষে আসার পর ইরানি প্রতিনিধি দল আলোচনার মূল কক্ষে ফিরে যেতে অস্বীকৃতি জানায়। তবে পাকিস্তানি ও কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে উভয় পক্ষের মধ্যে পরোক্ষভাবে বার্তা আদান-প্রদান চলতে থাকে।

তাসনিমের ওই সূত্রের তথ্যমতে, ইরানি প্রতিনিধিরা জানিয়েছে যে— পারমাণবিক বিষয়ে আলোচনা শুরু করার আগে সমঝোতা স্মারকের অন্যান্য অংশ পূরণ করতে হবে, যার মধ্যে অবরুদ্ধ সম্পদ অবমুক্ত করা এবং ইরানের তেল রপ্তানির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা মওকুফের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত।

তবে আলোচনায় অংশ নেওয়া একজন মার্কিন কূটনীতিক রয়টার্সকে বলেছেন, ‘ইরানিরা কখনোই তাদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি এবং তারা এখানে গভীর রাত পর্যন্ত বৈঠক ও আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। আমরা হরমুজ প্রণালি, লেবানন, পারমাণবিক সমস্যা এবং সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের বিশদ বিবরণসহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে কথা বলেছি।’

একজন মার্কিন কর্মকর্তার মতে, সোমবার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে এবং পরবর্তী আলোচনার জন্য কারিগরি কর্মীরা সেখানে অবস্থান করবেন।

উভয় পক্ষের মধ্যকার এই চুক্তিতে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের প্রধান পথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় উন্মুক্ত করা এবং লেবাননসহ সব ফ্রন্টে শত্রুতার অবসান ঘটানোর আহ্বান জানানো হয়েছিল, যেখানে ইরানের মিত্র হিজবুল্লাহ ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার পাশাপাশি ইসরায়েলও প্রাণঘাতী হামলা চালিয়ে আসছিল।

লেবাননে লড়াই বন্ধের প্রতিশ্রুতি যুক্তরাষ্ট্র পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে— এমন যুক্তি দেখিয়ে ইরান গত সপ্তাহের শেষদিকে জানিয়েছিল যে, তারা আবারও হরমুজ প্রণালি দিয়ে সামুদ্রিক যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে এবং রোববারের আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির মতো মৌলিক বিষয়গুলো অন্তর্ভুক্ত থাকবে না।

ওমানের মুসান্দাম উপদ্বীপ থেকে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলরত জাহাজ দেখা যাচ্ছে। ছবিটি গত ১৮ জুন তোলা। ছবি: রয়টার্স
ওমানের মুসান্দাম উপদ্বীপ থেকে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলরত জাহাজ দেখা যাচ্ছে। ছবিটি গত ১৮ জুন তোলা। ছবি: রয়টার্স

সুইজারল্যান্ডের এই আলোচনায়, যেখানে কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের উপস্থিতিতে মার্কিন ও ইরানি কর্মকর্তারা বৈঠক করেছেন, সেখানে ভ্যান্স লেবাননের সহিংসতার প্রভাবকে কিছুটা খাটো করে দেখিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সেখানে শত্রুতার অবসান ঘটানোর ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে। তিনি মন্তব্য করেন, ‘এই ধরনের বিষয়গুলো সবসময়ই কিছুটা জটিল বা অগোছালো হয়।’

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বসে ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন যে, ইরান যদি তাদের মিত্রদের নিয়ন্ত্রণে না রাখে তবে তিনি আবারও ইরানে হামলা শুরু করবেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘লেবাননে তাদের বিপুল অর্থপুষ্ট প্রক্সি বাহিনী (হিজবুল্লাহ) যাতে কোনো ঝামেলা সৃষ্টি না করে, তা ইরানকে অবিলম্বে নিশ্চিত করতে হবে। তারা যদি তা না করে, তবে আমরা গত সপ্তাহের মতোই ইরানের ওপর আবারও খুব শক্তভাবে আঘাত হানব, তবে এবার আঘাত হবে আরও তীব্র!’

ট্রাম্প যখন ইরানকে এভাবে হুমকি দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই ভ্যান্স সাংবাদিকদের বলেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট আমাদের ইরানের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক আমূল পরিবর্তন করার জন্য একটি নতুন অধ্যায় শুরু করার কথা বলেছেন।’

রোববার শেষরাতের দিকে একজন মার্কিন কূটনীতিক বলেন, আলোচনার মধ্যে ‘হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের বিভ্রান্তিকর বার্তাগুলো স্পষ্ট করা এবং প্রণালিটি যাতে পুরোপুরি উন্মুক্ত থাকে তা নিশ্চিত করার জন্য একটি সংঘাত-নিরসন ব্যবস্থা (ডিকনফ্লিকশন মেকানিজম) তৈরি করার বিষয় অন্তর্ভুক্ত ছিল।’

হরমুজ বন্ধের কারণ হিসেবে লেবানন পরিস্থিতিকে দায়ী করছে ইরান

গত শুক্রবার লেবাননে নতুন করে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া সত্ত্বেও সেখানে লড়াই থামার লক্ষণ খুবই কম ছিল। ইরান শনিবার জানায় যে, এর ফলে তারা আবারও এই প্রণালিটি বন্ধ করে দিয়েছে। প্রায় চার মাস ধরে এই নৌপথটি বন্ধ থাকার কারণে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ বিপর্যয় ঘটেছিল।

মার্কিন কর্মকর্তারা প্রণালিটি বন্ধ হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করলেও, বাণিজ্যিকভাবে সহজলভ্য জাহাজ চলাচলের তথ্য বা ডেটাতে এর তাৎক্ষণিক প্রভাব দেখা গেছে। অ্যানালিটিক্স প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, রোববার মাত্র পাঁচটি জাহাজ এই প্রণালি অতিক্রম করেছে, যা এর আগের দিনের ২৬টি জাহাজের তুলনায় ব্যাপক হ্রাস পেয়েছে। তবে এই ডেটার মধ্যে এমন জাহাজগুলো বাদ পড়ে থাকতে পারে যারা উপসাগরে ভ্রমণের সময় তাদের ট্রান্সপন্ডার (অবস্থান নির্ণয়কারী যন্ত্র) বন্ধ করে রাখে।

ইরানের ফার্স নিউজ এজেন্সি রোববার একটি সামরিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই প্রণালি পার হওয়ার জন্য নতুন করে কোনো জাহাজের অনুমতি ইস্যু করা হচ্ছে না।

ট্রাম্প অবশ্য বলেছেন যে, এই প্রণালি বন্ধ থাকার কারণে তেলের উচ্চমূল্য যেন বিশ্বকে একটি বড় অর্থনৈতিক মন্দার দিকে ঠেলে না দেয়, সেজন্যই তিনি গত সপ্তাহের সমঝোতা স্মারকে সম্মত হয়েছিলেন। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে তেলের দাম যে স্তরে ছিল, গত সপ্তাহে তা অনেকখানি কমে এসেছিল।

তবে শান্তি আলোচনার এই নড়বড়ে সূচনার পর, সোমবারের প্রথম দিকের ব্যবসায় ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচারসের দাম ১ ডলারেরও বেশি বেড়ে প্রতি ব্যারেল ৮১.৬৬ ডলারে পৌঁছায়।

টানা দুই দিন ইসরায়েলি ভারী হামলা এবং ইসরায়েলি ঘাঁটিতে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের পালটা আক্রমণের পর, বিগত বেশ কিছুদিনের তুলনায় রোববার লেবাননে কিছুটা শান্ত পরিস্থিতি দেখা গেছে এবং রাত পর্যন্ত বড় কোনো সহিংসতার খবর পাওয়া যায়নি।

তেহরানের সমর্থনে সীমান্ত জুড়ে রকেট ছুড়ছিল হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা। তাদের দমনে গত মার্চে ইসরায়েল লেবাননে আক্রমণ চালানোর পর থেকে এ পর্যন্ত দেশটির ১০ লক্ষাধিক মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন।

সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার পর রোববার দক্ষিণ লেবাননে রয়টার্সের সাংবাদিকরা সবচেয়ে বড় যানজট দেখতে পান, কারণ বাসিন্দারা নিজ নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। মহাসড়কে আটকে থাকা গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে কিছু মানুষকে হিজবুল্লাহর পতাকা ওড়াতেও দেখা গেছে।

ad
ad

বিশ্ব রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

৬০ দিনে চুক্তি না হলে হরমুজে টোল নেবে যুক্তরাষ্ট্র: ট্রাম্প

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ৬০ দিন বা তারপরও এই প্রণালিতে কাউকে কোনো টোল দিতে হবে না। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দুপক্ষ চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে টোল আরোপ করবে।

১৬ ঘণ্টা আগে

সুইজারল্যান্ডের পথে জে ডি ভ্যান্স, শুরু হতে যাচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সুইজারল্যান্ডে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। সে আলোচনায় যোগ দিতেই শনিবার গভীর রাতে ওয়াশিংটন ছাড়েন ভ্যান্স।

১ দিন আগে

গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আল জাজিরার ক্যামেরাপারসনসহ নিহত ৬

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) দাবি করেছে, উইশাহ হামাসের সামরিক শাখার সদস্য ছিলেন এবং স্নাইপার হিসেবে কাজ করতেন। তবে এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ প্রকাশ করেনি তারা।

১ দিন আগে

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক: সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ও সেনাপ্রধান

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, পাকিস্তান ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে হওয়া সমঝোতাগুলোর বাস্তবায়নে সমর্থন দেওয়া এবং তা এগিয়ে নিতে কাজ চালিয়ে যাবে।

১ দিন আগে