
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র পুরো বিশ্বকে রক্ষা করছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেহরান এখন আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা কিংবা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করার অবস্থায় নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জিতছি এবং ইরান ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।’ তিনি আরও জানান, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির হুমকি নির্মূল করা, যাতে সেগুলো ভূগর্ভে স্থানান্তরের আগেই ধ্বংস করা যায়।
নেতানিয়াহু বলেন, এ অভিযানের আরেকটি উদ্দেশ্য হলো এমন পরিবেশ তৈরি করা, যাতে ইরানের জনগণ নিজেরাই নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারেন। এ ছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের কথা উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, তাদের দুজনের ‘চিন্তাভাবনা অভিন্ন’।
ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে এ সংঘাতে টেনে এনেছে— এমন অভিযোগকে ‘ভুয়া খবর’ হিসেবে নাকচ করেন তিনি। বলেন, ‘কেউ কি সত্যিই মনে করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে কেউ বলে দিতে পারেন, তার কী করা উচিত? এটা ভাবাই যায় না।’

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র পুরো বিশ্বকে রক্ষা করছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তেহরান এখন আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করা কিংবা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করার অবস্থায় নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা জিতছি এবং ইরান ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে।’ তিনি আরও জানান, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির হুমকি নির্মূল করা, যাতে সেগুলো ভূগর্ভে স্থানান্তরের আগেই ধ্বংস করা যায়।
নেতানিয়াহু বলেন, এ অভিযানের আরেকটি উদ্দেশ্য হলো এমন পরিবেশ তৈরি করা, যাতে ইরানের জনগণ নিজেরাই নিজেদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারেন। এ ছাড়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের কথা উল্লেখ করে নেতানিয়াহু বলেন, তাদের দুজনের ‘চিন্তাভাবনা অভিন্ন’।
ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে এ সংঘাতে টেনে এনেছে— এমন অভিযোগকে ‘ভুয়া খবর’ হিসেবে নাকচ করেন তিনি। বলেন, ‘কেউ কি সত্যিই মনে করেন যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে কেউ বলে দিতে পারেন, তার কী করা উচিত? এটা ভাবাই যায় না।’

সমর্থকদের মতে, এই বিজয় অর্থনৈতিক সংস্কার ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সহায়ক হবে। তবে বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, দেশের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, নিরাপত্তা সংকট ও আঞ্চলিক উত্তেজনা আরও গভীর হতে পারে।
৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প এমন সময়ে এমন হুমকি দিয়েছেন যখন সুইজারল্যান্ডে মুখোমুখি আলোচনায় বসেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের পক্ষে সংসদের স্পিকার বাঘের গালিবাফ ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আলোচনায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মার্কিন প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স ও ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটক
১৫ ঘণ্টা আগে
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ৬০ দিন বা তারপরও এই প্রণালিতে কাউকে কোনো টোল দিতে হবে না। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দুপক্ষ চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলে যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে টোল আরোপ করবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সুইজারল্যান্ডে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সরাসরি আলোচনা শুরু হতে যাচ্ছে। সে আলোচনায় যোগ দিতেই শনিবার গভীর রাতে ওয়াশিংটন ছাড়েন ভ্যান্স।
১ দিন আগে