
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনার যা ইচ্ছা তাই করুন।’
আলোচনায় বসতে ট্রাম্পের চিঠি পাঠানোর জবাবে তিনি একথা বলেন বলে বুধবার (১২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
গতকাল মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন- হুমকির মুখে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করবে না। একইসঙ্গে তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলেছেন, ‘আপনার যা ইচ্ছে তাই করুন'।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম পেজেশকিয়ানের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র যে আদেশ দেয় এবং হুমকি দেয় তা আমাদের কাছে অগ্রহণযোগ্য। আমি আপনার সাথে আলোচনাও করব না। আপনি যা ইচ্ছা তাই করুন।'
এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গত ৮ মার্চ বলেন, কোনো হুমকি দিয়ে তেহরানকে আলোচনায় বসানো যাবে না।
তেহরানের সঙ্গে চুক্তি করার বিষয়টি খোলা রাখার কথা জানালেও ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে বিশ্ব অর্থনীতি থেকে ইরানকে বিচ্ছিন্ন করতে এবং পশ্চিম এশিয়ার এই দেশটির তেল রপ্তানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার জন্য 'সর্বোচ্চ চাপ' প্রয়োগের নীতি নিয়েছিলেন তা তিনি পুনর্বহাল করেছেন।
ফক্স বিজনেসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘ইরানকে মোকাবিলা করার দুটি উপায় রয়েছে- সামরিকভাবে, অথবা তাদের সঙ্গে চুক্তি করে' যাতে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত থাকতে পারে।
ইরান দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ইচ্ছার কথা অস্বীকার করে আসছে। তবে, দেশটি সম্প্রতি ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বাড়িয়েছে বলে বলে সতর্ক করেছে আইএইএ।
এর আগে ২০১৬ সালে প্রথম মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর তিনি ছয় বিশ্বশক্তির সঙ্গে তেহরানের ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন এবং দেশটির অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেন।
পক্ষান্তরে ২০১৯ সাল থেকে ইরান তার পারমাণবিক কার্যক্রম আরও বাড়িয়ে তোলে। সূত্র:রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসবে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনার যা ইচ্ছা তাই করুন।’
আলোচনায় বসতে ট্রাম্পের চিঠি পাঠানোর জবাবে তিনি একথা বলেন বলে বুধবার (১২ মার্চ) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
গতকাল মঙ্গলবার ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানায়, প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন- হুমকির মুখে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনা করবে না। একইসঙ্গে তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে বলেছেন, ‘আপনার যা ইচ্ছে তাই করুন'।
রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম পেজেশকিয়ানের উদ্ধৃতি দিয়ে জানায়, ‘যুক্তরাষ্ট্র যে আদেশ দেয় এবং হুমকি দেয় তা আমাদের কাছে অগ্রহণযোগ্য। আমি আপনার সাথে আলোচনাও করব না। আপনি যা ইচ্ছা তাই করুন।'
এর আগে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি গত ৮ মার্চ বলেন, কোনো হুমকি দিয়ে তেহরানকে আলোচনায় বসানো যাবে না।
তেহরানের সঙ্গে চুক্তি করার বিষয়টি খোলা রাখার কথা জানালেও ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে বিশ্ব অর্থনীতি থেকে ইরানকে বিচ্ছিন্ন করতে এবং পশ্চিম এশিয়ার এই দেশটির তেল রপ্তানি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার জন্য 'সর্বোচ্চ চাপ' প্রয়োগের নীতি নিয়েছিলেন তা তিনি পুনর্বহাল করেছেন।
ফক্স বিজনেসের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে গত সপ্তাহে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘ইরানকে মোকাবিলা করার দুটি উপায় রয়েছে- সামরিকভাবে, অথবা তাদের সঙ্গে চুক্তি করে' যাতে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত থাকতে পারে।
ইরান দীর্ঘদিন ধরে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির ইচ্ছার কথা অস্বীকার করে আসছে। তবে, দেশটি সম্প্রতি ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বাড়িয়েছে বলে বলে সতর্ক করেছে আইএইএ।
এর আগে ২০১৬ সালে প্রথম মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর তিনি ছয় বিশ্বশক্তির সঙ্গে তেহরানের ২০১৫ সালে স্বাক্ষরিত পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন এবং দেশটির অর্থনীতিকে পঙ্গু করে দিতে বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করেন।
পক্ষান্তরে ২০১৯ সাল থেকে ইরান তার পারমাণবিক কার্যক্রম আরও বাড়িয়ে তোলে। সূত্র:রয়টার্স

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, একদিকে ট্রাম্পের শান্তিপ্রক্রিয়া আর অন্যদিকে নেতানিয়াহুর অনড় সামরিক অবস্থান—এই দুইয়ের টানাপোড়েনে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি চুক্তিটি এখন খাদের কিনারে এসে দাঁড়িয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
অনেকেই মনে করছেন, এই সাময়িক যুদ্ধবিরতি আসলে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রকে শক্তি সঞ্চয়ের সুযোগ করে দেবে। দীর্ঘদিনের সংঘাত আর ত্যাগের পর এমন আপসকামিতা তেহরানের মুক্তিকামী মানুষের মনে এক গভীর সংশয় ও আস্থার সংকট তৈরি করেছে।
২ ঘণ্টা আগে
তবে এই যুদ্ধবিরতির আগে থেকেই নিজ দেশে চরম অজনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন ট্রাম্প। মূলত ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলার ব্যয় করে এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ায় মার্কিন অর্থনীতিতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
ইরান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি তিনি বলেন, যদি ইরানের বিরুদ্ধে আক্রমণ বন্ধ করা হয়, তবে আমাদের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনীও তাদের প্রতিরোধমূলক অভিযান বন্ধ করবে।
৪ ঘণ্টা আগে