
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ক্ষমতাগ্রহণের পর প্রথমবারের মতো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় নানা বিষয়ে আলোচনা করেছেন তারা। পারস্পারিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন এ বৈশ্বিক দুই নেতা।
সোমবার ( ২৭ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বস্তুত এই আলোচনার শেষেই নরেন্দ্র মোদীর ওয়াশিংটন সফর নিয়ে আলোচনা করেছেন দুই রাষ্ট্রনেতা। প্রেসিডেন্ট ট্রম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, ''ফেব্রুয়ারিতেই প্রধানমন্ত্রী মোদী আমেরিকার সফর করতে পারেন।'' ট্রাম্প বলেছেন, ''ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো।''
আলোচনার পর সামাজিক মাধ্যমে এক্সের এক পোস্টে তিনি বলেন, ''দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষার বিষয়ে আমরা আশাবাদী। দুই দেশের মানুষ এবং ভূরাজনৈতিক শান্তি এবং সুরক্ষার বিষয়েও দুই দেশ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।''
ট্রাম্প-মোদী সম্পর্ক:
ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম টার্মেও নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ট্রাম্পের সুসম্পর্ক ছিল। ট্রাম্প দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর মোদী রাষ্ট্রনেতা হিসেবে প্রথম তাকে অভিনন্দন জানান। ট্রাম্পকে মোদী সম্বোধন করেছেন 'ডিয়ার ফ্রেন্ড' বলে।
২০১৯ সালে ট্রাম্পের আমলে আমেরিকার ভারতীয় নাগরিকদের সভায় মোদী ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই সভার নাম ছিল হাউডি মোদী। ২০২০ সালে গুজরাতে এসে ট্রাম্প ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই সভার নাম ছিল নমস্তে ট্রাম্প। পুরনো সেই সম্পর্ক আরো জোরদার করতে চাইছেন মোদী। সোমবারের আলোচনায় সে কথাই আরো একবার স্পষ্ট হলো।
ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক:
আমেরিকার ভারতের বিষয়ে আগ্রহী কারণ, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলকে চীনকে টক্কর দিতে হলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি। ভারতও চীনকে দেখাতে চায় যে, আমেরিকার তার পিছনে আছে। এই পরিস্থিতিতে জো বাইডেনের প্রশাসনও ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলেছে। বাইডেনের আমলে মোদী সরকার আমেরিকার কাছ থেকে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম কিনেছে। তবে ট্রাম্পের আমলে ভারত-অ্যামেরিকা বাণিজ্য সম্পর্ক কোন পথে যাবে, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা আছে। কারণ, ট্রাম্প ভারতকে ট্যারিফ কিং হিসেবে আগেই চিহ্নিত করেছেন।
ট্রাম্প যদি ভারতের পণ্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ক ধার্য করেন, যেমন তিনি ইতিমধ্যেই বেশ কিছু দেশের সঙ্গে করেছেন, তাহলে ভারতের ব্যবসা মার খাবে বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা।
ভারতীয় সেনার সাবেক লেফটন্যান্ট জেনারেল তথা সামরিক বিশেষজ্ঞ উৎপল ভট্টাচার্য ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, ''চীনকে ঠান্ডা রাখতে আমেরিকার ভারতকে প্রয়োজন। চীন এবং পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য ভারতের অ্যামেরিকাকে প্রয়োজন। বাইডেনের সময়েও এই কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিল। তবে ট্রাম্প-মোদীর সুসম্পর্ক এই কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।''

ক্ষমতাগ্রহণের পর প্রথমবারের মতো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ সময় নানা বিষয়ে আলোচনা করেছেন তারা। পারস্পারিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন এ বৈশ্বিক দুই নেতা।
সোমবার ( ২৭ জানুয়ারি) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বস্তুত এই আলোচনার শেষেই নরেন্দ্র মোদীর ওয়াশিংটন সফর নিয়ে আলোচনা করেছেন দুই রাষ্ট্রনেতা। প্রেসিডেন্ট ট্রম্প সাংবাদিকদের বলেছেন, ''ফেব্রুয়ারিতেই প্রধানমন্ত্রী মোদী আমেরিকার সফর করতে পারেন।'' ট্রাম্প বলেছেন, ''ভারতের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো।''
আলোচনার পর সামাজিক মাধ্যমে এক্সের এক পোস্টে তিনি বলেন, ''দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রক্ষার বিষয়ে আমরা আশাবাদী। দুই দেশের মানুষ এবং ভূরাজনৈতিক শান্তি এবং সুরক্ষার বিষয়েও দুই দেশ দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।''
ট্রাম্প-মোদী সম্পর্ক:
ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম টার্মেও নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে ট্রাম্পের সুসম্পর্ক ছিল। ট্রাম্প দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর মোদী রাষ্ট্রনেতা হিসেবে প্রথম তাকে অভিনন্দন জানান। ট্রাম্পকে মোদী সম্বোধন করেছেন 'ডিয়ার ফ্রেন্ড' বলে।
২০১৯ সালে ট্রাম্পের আমলে আমেরিকার ভারতীয় নাগরিকদের সভায় মোদী ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই সভার নাম ছিল হাউডি মোদী। ২০২০ সালে গুজরাতে এসে ট্রাম্প ভাষণ দিয়েছিলেন। সেই সভার নাম ছিল নমস্তে ট্রাম্প। পুরনো সেই সম্পর্ক আরো জোরদার করতে চাইছেন মোদী। সোমবারের আলোচনায় সে কথাই আরো একবার স্পষ্ট হলো।
ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক:
আমেরিকার ভারতের বিষয়ে আগ্রহী কারণ, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলকে চীনকে টক্কর দিতে হলে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা জরুরি। ভারতও চীনকে দেখাতে চায় যে, আমেরিকার তার পিছনে আছে। এই পরিস্থিতিতে জো বাইডেনের প্রশাসনও ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলেছে। বাইডেনের আমলে মোদী সরকার আমেরিকার কাছ থেকে ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সামরিক সরঞ্জাম কিনেছে। তবে ট্রাম্পের আমলে ভারত-অ্যামেরিকা বাণিজ্য সম্পর্ক কোন পথে যাবে, তা নিয়ে নানা মহলে আলোচনা আছে। কারণ, ট্রাম্প ভারতকে ট্যারিফ কিং হিসেবে আগেই চিহ্নিত করেছেন।
ট্রাম্প যদি ভারতের পণ্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ক ধার্য করেন, যেমন তিনি ইতিমধ্যেই বেশ কিছু দেশের সঙ্গে করেছেন, তাহলে ভারতের ব্যবসা মার খাবে বলেই বিশেষজ্ঞদের ধারণা।
ভারতীয় সেনার সাবেক লেফটন্যান্ট জেনারেল তথা সামরিক বিশেষজ্ঞ উৎপল ভট্টাচার্য ডয়চে ভেলেকে জানিয়েছেন, ''চীনকে ঠান্ডা রাখতে আমেরিকার ভারতকে প্রয়োজন। চীন এবং পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য ভারতের অ্যামেরিকাকে প্রয়োজন। বাইডেনের সময়েও এই কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিল। তবে ট্রাম্প-মোদীর সুসম্পর্ক এই কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।''

তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা মসজিদের ভেতরে লাখো ইরানি সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের কফিন ঘিরে শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন। সাবেক সর্বোচ্চ নেতা ও তার পরিবারকে শেষ বিদায় জানাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ সেখানে সমবেত হয়েছেন।
১০ ঘণ্টা আগে
সংবাদমাধ্যম বিবিসির তথ্যমতে, ঘণ্টায় প্রায় ২৯০ কিলোমিটার গতির বাতাস এবং ঘণ্টায় ৩৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত দমকা হাওয়া নিয়ে ঝড়টি গুয়াম ও নর্দার্ন মারিয়ানা দ্বীপপুঞ্জের ওপর দিয়ে অতিক্রম করছে বলে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় আবহাওয়া সংস্থা (এনডব্লিউএস) জানিয়েছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, ‘অত্যন্ত বিপজ্জনক’ এই ঝড় ভয়াব
১০ ঘণ্টা আগে
ইরানের এই কবি আরও বলেন, পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্য মানুষটি এখনো কেন বেঁচে আছে? ট্রাম্পের জন্য পৃথিবী আর নিরাপদ নয়। যে ব্যক্তি আমাদের ইমামকে হত্যা করেছে, তাকে আমরা কেন হত্যা করব না? যদি তা না করি, সেটাই হবে আমাদের জন্য লজ্জার।
১৮ ঘণ্টা আগে
আলি খামেনির জন্য নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ-শিশু নির্বিশেষে লাখ লাখ মানুষের রাস্তায় নেমে আসা এবং তার জন্য কান্নায় ভেঙে পড়ার দৃশ্যে ‘বিস্মিত হয়েছেন’ বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন, তার ধারণা ছিল ইরানের জনগণ আলি খামেনিকে ঘৃণা করে!
১৯ ঘণ্টা আগে