
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ডিজিটাল মুদ্রার জোয়ারে ভাসছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত এক বছরে কেবল ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসা থেকেই তার পরিবারের আয় হয়েছে ১৪০ কোটি ডলারেরও বেশি।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রকাশিত সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী থেকে এই তথ্য জানা গেছে। মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের ক্রিপ্টো-বান্ধব নীতির কারণেই তার ব্যক্তিগত সম্পদে এই বিশাল উল্লম্ফন ঘটেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের আয়ের প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রা। ট্রাম্পের গৃহীত বিভিন্ন নীতি ক্রিপ্টো শিল্পের জন্য ইতিবাচক হওয়ায় তার ব্যক্তিগত সম্পদে এই বড় উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।
২০২৫ সালের বার্ষিক আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, ট্রাম্প ও তার ছেলেদের প্রতিষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফিন্যান্সিয়াল’ থেকে প্রায় ৮০ কোটি ডলার আয় হয়েছে। এর মধ্যে ক্রিপ্টো টোকেন বিক্রি থেকে এসেছে ৫২ কোটি ডলার এবং ব্যবসার শেয়ার বিক্রি থেকে এসেছে ২৫ কোটি ডলার। এছাড়া নিজের নাম সংবলিত ‘ট্রাম্প মিম কয়েন’ বিক্রি করে তিনি আরও ৬৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয় করেছেন। রয়টার্সের হিসাবমতে, ২০২৫ সালে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে ট্রাম্প পরিবার ক্রিপ্টো প্রকল্পগুলো থেকে অন্তত ২৩০ কোটি ডলার আয় করেছে।
ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই ট্রাম্প ক্রিপ্টো শিল্পের অনুকূলে বেশ কিছু নির্বাহী পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর মধ্যে স্টেবলকয়েনের জন্য ফেডারেল নিয়ম চালু এবং বিচার বিভাগ ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের মাধ্যমে এই শিল্পের ওপর নজরদারি কমিয়ে আনা অন্যতম। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ট্রাম্প অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের ক্রিপ্টো রাজধানীতে পরিণত করেছেন এবং এতে কোনো স্বার্থের সংঘাত নেই।
ক্রিপ্টোকারেন্সি ছাড়াও ট্রাম্পের প্রথাগত ব্যবসাগুলো থেকেও আয় বেড়েছে। তার গলফ কোর্স ও রিসোর্টগুলো থেকে ২০২৫ সালে আয় ১৫ শতাংশ বেড়ে ৫০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। বিশেষ করে ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো ক্লাবের আয় ৫ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ৭ কোটি ৭০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে ট্রাম্প টাওয়ারের মতো আবাসন ব্যবসাগুলো থেকে আয়ের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলক কম।
ফেডারেল এথিক্স অফিসের সাবেক প্রধান ডন ফক্স বলেন, ওয়াটারগেট পরবর্তী যুগে প্রতিটি রাষ্ট্রপতি তার অর্থব্যবস্থা এমনভাবে পরিচালনা করেছেন যাতে কোনো স্বার্থের সংঘাত তৈরি না হয়। কিন্তু ট্রাম্পের ক্ষেত্রে সেই রীতি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়েছে। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতি কোন ধরনের ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে পারবেন, তা নির্ধারণে নতুন আইন প্রণয়নের সময় এসেছে।
রাজনীতি/এসআর

ডিজিটাল মুদ্রার জোয়ারে ভাসছেন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত এক বছরে কেবল ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবসা থেকেই তার পরিবারের আয় হয়েছে ১৪০ কোটি ডলারেরও বেশি।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) প্রকাশিত সর্বশেষ আর্থিক বিবরণী থেকে এই তথ্য জানা গেছে। মূলত ট্রাম্প প্রশাসনের ক্রিপ্টো-বান্ধব নীতির কারণেই তার ব্যক্তিগত সম্পদে এই বিশাল উল্লম্ফন ঘটেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের আয়ের প্রধান উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্রিপ্টোকারেন্সি বা ডিজিটাল মুদ্রা। ট্রাম্পের গৃহীত বিভিন্ন নীতি ক্রিপ্টো শিল্পের জন্য ইতিবাচক হওয়ায় তার ব্যক্তিগত সম্পদে এই বড় উল্লম্ফন দেখা দিয়েছে।
২০২৫ সালের বার্ষিক আর্থিক বিবরণী অনুযায়ী, ট্রাম্প ও তার ছেলেদের প্রতিষ্ঠিত ‘ওয়ার্ল্ড লিবার্টি ফিন্যান্সিয়াল’ থেকে প্রায় ৮০ কোটি ডলার আয় হয়েছে। এর মধ্যে ক্রিপ্টো টোকেন বিক্রি থেকে এসেছে ৫২ কোটি ডলার এবং ব্যবসার শেয়ার বিক্রি থেকে এসেছে ২৫ কোটি ডলার। এছাড়া নিজের নাম সংবলিত ‘ট্রাম্প মিম কয়েন’ বিক্রি করে তিনি আরও ৬৩ কোটি ৫০ লাখ ডলার আয় করেছেন। রয়টার্সের হিসাবমতে, ২০২৫ সালে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে ট্রাম্প পরিবার ক্রিপ্টো প্রকল্পগুলো থেকে অন্তত ২৩০ কোটি ডলার আয় করেছে।
ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই ট্রাম্প ক্রিপ্টো শিল্পের অনুকূলে বেশ কিছু নির্বাহী পদক্ষেপ নিয়েছেন। এর মধ্যে স্টেবলকয়েনের জন্য ফেডারেল নিয়ম চালু এবং বিচার বিভাগ ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের মাধ্যমে এই শিল্পের ওপর নজরদারি কমিয়ে আনা অন্যতম। হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ট্রাম্প অত্যন্ত গর্বের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বের ক্রিপ্টো রাজধানীতে পরিণত করেছেন এবং এতে কোনো স্বার্থের সংঘাত নেই।
ক্রিপ্টোকারেন্সি ছাড়াও ট্রাম্পের প্রথাগত ব্যবসাগুলো থেকেও আয় বেড়েছে। তার গলফ কোর্স ও রিসোর্টগুলো থেকে ২০২৫ সালে আয় ১৫ শতাংশ বেড়ে ৫০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। বিশেষ করে ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো ক্লাবের আয় ৫ কোটি ডলার থেকে বেড়ে ৭ কোটি ৭০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে। তবে ট্রাম্প টাওয়ারের মতো আবাসন ব্যবসাগুলো থেকে আয়ের প্রবৃদ্ধি তুলনামূলক কম।
ফেডারেল এথিক্স অফিসের সাবেক প্রধান ডন ফক্স বলেন, ওয়াটারগেট পরবর্তী যুগে প্রতিটি রাষ্ট্রপতি তার অর্থব্যবস্থা এমনভাবে পরিচালনা করেছেন যাতে কোনো স্বার্থের সংঘাত তৈরি না হয়। কিন্তু ট্রাম্পের ক্ষেত্রে সেই রীতি পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়েছে। তিনি মনে করেন, রাষ্ট্রপতি ও উপ-রাষ্ট্রপতি কোন ধরনের ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে পারবেন, তা নির্ধারণে নতুন আইন প্রণয়নের সময় এসেছে।
রাজনীতি/এসআর

সাধারণত ভূমিকম্পের পর প্রথম তিন দিন উদ্ধার কাজের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় বলে ধরা হয়, যখন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া ব্যক্তিদের জীবিত পাওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে। তারও অনেক পরে এই শিশুকে জীবিত উদ্ধার করা হলো।
৫ ঘণ্টা আগে
ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের খড়কওয়াসলা ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির সাবেক শিক্ষার্থী ধীরাজ শেঠ ১৯৮৬ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। প্রায় চার দশকব্যাপী ক্যারিয়ারে তিনি অপারেশনাল, কৌশলগত, সক্ষমতা উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ভারতীয় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতি বৃদ্ধি ও
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ভবন ধসে পড়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর থেকেই এলাকাগুলোতে দুর্গন্ধ ছড়াতে শুরু করে। দিন যত যাচ্ছে, ভেঙে পড়া ভবনের চারপাশে লাশের পচা গন্ধ তত তীব্র হচ্ছে। তবে এমন অসহনীয় দুর্গন্ধের মধ্যেও প্রিয়জনদের ফিরে পাওয়ার আশায় ধ্বংসস্তূপের পাশ থেকে সরছেন না স্বজনেরা।
৫ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানে বিমান অভিযান পরিচালনা করেছিল পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনী। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানের রোববারের বিমান অভিযানে কমপক্ষে ২৮ জন নিহত হয়েছিলেন এবং নিহতরা সবাই বেসামরিক ছিলেন।
৬ ঘণ্টা আগে