
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জাপানের সাধারণ নির্বাচনে নিজের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে অভাবনীয় সাফল্য ছিনিয়ে নিয়েছেন দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।
রবিবারের (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনে তার নেতৃত্বাধীন লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির অভিযোগে এক সময় চাপে থাকা দলটিকে মাত্র চার মাসের মাথায় এক শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে আসলেন তাকাইচি। এই নিরঙ্কুশ জয়ের ফলে জাপানের অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা খাতে বড় ধরনের সংস্কার আনার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী এখন পূর্ণ ম্যান্ডেট পেলেন।
জাপানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের সংগৃহীত ফলাফল অনুযায়ী, রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ৪৬৫ আসনের নিম্নকক্ষে তাকাইচির এলডিপি এরইমধ্যে ৩৫২টি আসনে জয়ী হয়েছে, যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ২৩৩টি আসনের চেয়ে অনেক বেশি। যদিও এখনো নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করা হয়নি।
জয়ের আভাস পাওয়ার পর সাংবাদিকদের তাকাইচি বলেন, ‘আমরা ক্রমাগত একটি দায়িত্বশীল ও সক্রিয় আর্থিক নীতির গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছি। আমরা আর্থিক নীতির স্থায়িত্বকে অগ্রাধিকার দেব এবং প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করব।’
সানায়ে তাকাইচি ব্যক্তিগতভাবে ব্যাপক জনপ্রিয় হলেও, গত সাত দশকের অধিকাংশ সময় জাপানের ক্ষমতায় থাকা এলডিপি সাম্প্রতিক সময়ে তহবিল জালিয়াতি ও ধর্মীয় কেলেঙ্কারির কারণে বেশ চাপে ছিল। দলের রাজনৈতিক ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়ার মাত্র তিন মাস পরেই তিনি আগাম নির্বাচনের ডাক দিয়েছিলেন।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকাইচি দলীয় নেতা হওয়ার মাত্র চার মাস পরই জনগণের কাছ থেকে স্পষ্ট ম্যান্ডেট চাইতেই এই নির্বাচন ডাকেন।
তার সম্ভাব্য সাফল্য তার দুই পূর্বসূরির সঙ্গে স্পষ্টভাবে বিপরীত, যাদের আমলে দুর্নীতি কেলেঙ্কারি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে এলডিপি সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছিল।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দীর্ঘ সময় ধরে জাপানে এলডিপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার ক্ষমতায় রয়েছে, যার অন্যতম কারণ শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাব।
অনেকে এই নির্বাচনকে ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখেছিলেন, কারণ এলডিপি সংসদের উভয় কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছিল এবং কুমেইতো দলের সঙ্গে তাদের কয়েক দশকের পুরনো জোটও ভেঙে পড়ে।
তবে তাকাইচির ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা দলকে সুবিধা এনে দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তার সরকারের অনুমোদনের হার বেশিরভাগ সময়ই ৭০ শতাংশের ওপরে ছিল।

জাপানের সাধারণ নির্বাচনে নিজের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাকে পুঁজি করে অভাবনীয় সাফল্য ছিনিয়ে নিয়েছেন দেশটির প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি।
রবিবারের (৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনে তার নেতৃত্বাধীন লিবারাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি) পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।
কেলেঙ্কারি ও দুর্নীতির অভিযোগে এক সময় চাপে থাকা দলটিকে মাত্র চার মাসের মাথায় এক শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে আসলেন তাকাইচি। এই নিরঙ্কুশ জয়ের ফলে জাপানের অর্থনীতি ও প্রতিরক্ষা খাতে বড় ধরনের সংস্কার আনার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী এখন পূর্ণ ম্যান্ডেট পেলেন।
জাপানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম এনএইচকের সংগৃহীত ফলাফল অনুযায়ী, রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত এই নির্বাচনে ৪৬৫ আসনের নিম্নকক্ষে তাকাইচির এলডিপি এরইমধ্যে ৩৫২টি আসনে জয়ী হয়েছে, যা সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় ২৩৩টি আসনের চেয়ে অনেক বেশি। যদিও এখনো নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করা হয়নি।
জয়ের আভাস পাওয়ার পর সাংবাদিকদের তাকাইচি বলেন, ‘আমরা ক্রমাগত একটি দায়িত্বশীল ও সক্রিয় আর্থিক নীতির গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছি। আমরা আর্থিক নীতির স্থায়িত্বকে অগ্রাধিকার দেব এবং প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করব।’
সানায়ে তাকাইচি ব্যক্তিগতভাবে ব্যাপক জনপ্রিয় হলেও, গত সাত দশকের অধিকাংশ সময় জাপানের ক্ষমতায় থাকা এলডিপি সাম্প্রতিক সময়ে তহবিল জালিয়াতি ও ধর্মীয় কেলেঙ্কারির কারণে বেশ চাপে ছিল। দলের রাজনৈতিক ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেয়ার মাত্র তিন মাস পরেই তিনি আগাম নির্বাচনের ডাক দিয়েছিলেন।
সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকাইচি দলীয় নেতা হওয়ার মাত্র চার মাস পরই জনগণের কাছ থেকে স্পষ্ট ম্যান্ডেট চাইতেই এই নির্বাচন ডাকেন।
তার সম্ভাব্য সাফল্য তার দুই পূর্বসূরির সঙ্গে স্পষ্টভাবে বিপরীত, যাদের আমলে দুর্নীতি কেলেঙ্কারি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে এলডিপি সংসদীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছিল।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর দীর্ঘ সময় ধরে জাপানে এলডিপি নেতৃত্বাধীন জোট সরকার ক্ষমতায় রয়েছে, যার অন্যতম কারণ শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাব।
অনেকে এই নির্বাচনকে ঝুঁকিপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখেছিলেন, কারণ এলডিপি সংসদের উভয় কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারিয়েছিল এবং কুমেইতো দলের সঙ্গে তাদের কয়েক দশকের পুরনো জোটও ভেঙে পড়ে।
তবে তাকাইচির ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা দলকে সুবিধা এনে দিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। তার সরকারের অনুমোদনের হার বেশিরভাগ সময়ই ৭০ শতাংশের ওপরে ছিল।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানে সরাসরি অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জার্মানি। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াডেফুল স্পষ্ট করেছেন যে, বার্লিন ইরানে কোনো ধরনের 'শাসন পরিবর্তন' অভিযানে সমর্থন দেবে না।
১৮ ঘণ্টা আগে
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এনবিসিতে যে মন্তব্য করেছিলেন যে ইরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলি স্থল আক্রমণের জন্য প্রস্তুত, সেটিও ‘অযথা মন্তব্য’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।
১৮ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প বলেন, “তারা এখন ডাকছে। বলছে— ‘একটি চুক্তি করলে কেমন হয়?’ কিন্তু আমি বলেছি, তোমরা খানিকটা দেরি করে ফেলেছ।”
২০ ঘণ্টা আগে
মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে উত্তেজনা বাড়তে থাকা পরিস্থিতির মধ্যে ইরাক ও আশপাশের অঞ্চলে মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ২৭টি হামলা চালানোর দাবি করেছে ইরাকভিত্তিক সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক (আইআরআই)।
২০ ঘণ্টা আগে