
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে দেশ জুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ধর্মেন্দ্র প্রধান সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তার পদত্যাগপত্র প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদ তার কাছে কখনো ‘ব্যক্তিগত মর্যাদার বিষয়’ ছিল না।
পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান
‘আমার তরুণ বন্ধুরা, বিগত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের কাজে নিজেকে উৎসর্গ করেছি। আমি সর্বদা বিশ্বাস করেছি যে, একটি শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং দূরদর্শী শিক্ষাব্যবস্থাই একটি শক্তিশালী জাতির ভিত্তিপ্রস্তর গঠন করে।
আমি দেশের তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা, অনুভূতি এবং যৌক্তিক প্রত্যাশাকে গভীর শ্রদ্ধা করি। ভারতের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের একটি নৈতিক প্রতিশ্রুতি। শ্রদ্ধেয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশকে সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
যাই হোক, ২০২৬ সালের ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট-ইউজি পরীক্ষায় কিছু অনিয়ম সামনে আসে। বিষয়টি তৎক্ষণাৎ বিবেচনায় নিয়ে ভারত সরকার পুরো ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয়, পরীক্ষা বাতিল করে এবং নতুন করে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করে। এর পাশাপাশি, আগামী বছর থেকে এই পরীক্ষা সিবিটি (কম্পিউটার-বেসড টেস্ট) পদ্ধতিতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
এই পুরো সময় জুড়ে আমাদের মূল অগ্রাধিকার ছিল ২০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর জন্য একটি সুষ্ঠু পরীক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা। ভারত সরকার, রাজ্য সরকারসমূহ এবং বিশেষভাবে জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি ‘হোল-অফ-গভর্নমেন্ট’ বা সমন্বিত সরকারি প্রচেষ্টার মাধ্যমে এটি অর্জিত হয়েছিল। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহযোগিতায় ২০২৬ সালের ২১ জুন পরীক্ষাটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
প্রথম দিন থেকেই আমি পুরো দায় নিয়েছি এবং পরিস্থিতি থেকে কখনো মুখ ফিরিয়ে নিইনি। আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলাম যে, কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর সম্ভাবনা যেন ‘পরীক্ষা মাফিয়াদের’ কারণে নষ্ট না হয় এবং কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে যেন কোনো অন্যায় না ঘটে।
গত ১৬ জুলাই ঘোষিত নিট-ইউজি পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক ছিল, যেখানে সুবিধাবঞ্চিত পটভূমি থেকে আসা বহু মেধাবী শিক্ষার্থী সাফল্য অর্জন করেছে।
তবে, এই সময়টিতেও দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত কিছু ব্যক্তি নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করার এবং শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন— যে ঘটনাটি আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে।
আমাদের গণতন্ত্রের শক্তির ওপর আমার সর্বদাই অটুট বিশ্বাস রয়েছে এবং আমি তরুণদের আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন ও প্রত্যাশাকে গভীরভাবে শ্রদ্ধা করি। তারা কেবল ভারতের ভবিষ্যৎই নয়; তারা এক নতুন ও উন্নত ভারতের মশালবাহক, স্রষ্টা এবং কারিগর। গত ১০ দিনের ঘটনাবলীতে আমি অত্যন্ত মর্মাহত। এটি আমার কাছে কোনো ব্যক্তিগত মর্যাদার বিষয় নয়।
ভারতের যুবশক্তিই এই দেশের প্রকৃত শক্তি। দেশের তরুণ সমাজ যেন কোনো ধরনের বিভ্রান্তির জালে আটকে না পড়ে— সেটিই আমার সংকল্প।
যন্তর মন্তরসহ সারা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে— দেশবিরোধী শক্তিগুলো যাতে এর সুযোগ নিতে না পারে, জাতীয় ঐক্য বজায় থাকে, কোনো একক ভারতীয় শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যেন আইনি জটিলতায় আটকে না যায় এবং আমাদের সন্তানরা যাতে তাদের মূল্যবান সময় পড়াশোনায় দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ার দিকে মনোযোগ দিতে পারে— সেই লক্ষ্যেই আমি শ্রদ্ধেয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।
শ্রদ্ধেয় প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা, বিশ্বাস এবং সার্বিক সমর্থনের জন্য আমি তার প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদের আমার সকল সম্মানিত সহকর্মী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং যাদের সঙ্গে কাজ করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। দেশের সেবা করাই আমার জীবনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার; আমি চিরকাল এই কাজের প্রতি নিবেদিত থাকব।
ভগবান জগন্নাথের কৃপায়, আমি আগামীতেও ভারতমাতা, ওড়িশার জনগণ এবং দেশের তরুণদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে যেকোনো উপায়ে নিজেকে উৎসর্গ করে যাব।’

বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে দেশ জুড়ে ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে তিনি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
শনিবার (২৫ জুলাই) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ধর্মেন্দ্র প্রধান সামাজিক মাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তার পদত্যাগপত্র প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, শিক্ষামন্ত্রীর পদ তার কাছে কখনো ‘ব্যক্তিগত মর্যাদার বিষয়’ ছিল না।
পদত্যাগপত্রে যা লিখেছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান
‘আমার তরুণ বন্ধুরা, বিগত চার দশকেরও বেশি সময় ধরে আমি শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের কাজে নিজেকে উৎসর্গ করেছি। আমি সর্বদা বিশ্বাস করেছি যে, একটি শক্তিশালী, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং দূরদর্শী শিক্ষাব্যবস্থাই একটি শক্তিশালী জাতির ভিত্তিপ্রস্তর গঠন করে।
আমি দেশের তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা, অনুভূতি এবং যৌক্তিক প্রত্যাশাকে গভীর শ্রদ্ধা করি। ভারতের তরুণ প্রজন্মের স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের একটি নৈতিক প্রতিশ্রুতি। শ্রদ্ধেয় প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশকে সেবা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আমি তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।
যাই হোক, ২০২৬ সালের ৩ মে অনুষ্ঠিত নিট-ইউজি পরীক্ষায় কিছু অনিয়ম সামনে আসে। বিষয়টি তৎক্ষণাৎ বিবেচনায় নিয়ে ভারত সরকার পুরো ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেয়, পরীক্ষা বাতিল করে এবং নতুন করে পুনরায় পরীক্ষা গ্রহণের তারিখ ঘোষণা করে। এর পাশাপাশি, আগামী বছর থেকে এই পরীক্ষা সিবিটি (কম্পিউটার-বেসড টেস্ট) পদ্ধতিতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
এই পুরো সময় জুড়ে আমাদের মূল অগ্রাধিকার ছিল ২০ লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীর জন্য একটি সুষ্ঠু পরীক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা। ভারত সরকার, রাজ্য সরকারসমূহ এবং বিশেষভাবে জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে একটি ‘হোল-অফ-গভর্নমেন্ট’ বা সমন্বিত সরকারি প্রচেষ্টার মাধ্যমে এটি অর্জিত হয়েছিল। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহযোগিতায় ২০২৬ সালের ২১ জুন পরীক্ষাটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।
প্রথম দিন থেকেই আমি পুরো দায় নিয়েছি এবং পরিস্থিতি থেকে কখনো মুখ ফিরিয়ে নিইনি। আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলাম যে, কোনো মেধাবী শিক্ষার্থীর সম্ভাবনা যেন ‘পরীক্ষা মাফিয়াদের’ কারণে নষ্ট না হয় এবং কোনো শিক্ষার্থীর সঙ্গে যেন কোনো অন্যায় না ঘটে।
গত ১৬ জুলাই ঘোষিত নিট-ইউজি পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক ছিল, যেখানে সুবিধাবঞ্চিত পটভূমি থেকে আসা বহু মেধাবী শিক্ষার্থী সাফল্য অর্জন করেছে।
তবে, এই সময়টিতেও দায়িত্বশীল পদে অধিষ্ঠিত কিছু ব্যক্তি নানা প্রতিবন্ধকতা তৈরি করার এবং শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন— যে ঘটনাটি আমাকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে।
আমাদের গণতন্ত্রের শক্তির ওপর আমার সর্বদাই অটুট বিশ্বাস রয়েছে এবং আমি তরুণদের আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন ও প্রত্যাশাকে গভীরভাবে শ্রদ্ধা করি। তারা কেবল ভারতের ভবিষ্যৎই নয়; তারা এক নতুন ও উন্নত ভারতের মশালবাহক, স্রষ্টা এবং কারিগর। গত ১০ দিনের ঘটনাবলীতে আমি অত্যন্ত মর্মাহত। এটি আমার কাছে কোনো ব্যক্তিগত মর্যাদার বিষয় নয়।
ভারতের যুবশক্তিই এই দেশের প্রকৃত শক্তি। দেশের তরুণ সমাজ যেন কোনো ধরনের বিভ্রান্তির জালে আটকে না পড়ে— সেটিই আমার সংকল্প।
যন্তর মন্তরসহ সারা দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে— দেশবিরোধী শক্তিগুলো যাতে এর সুযোগ নিতে না পারে, জাতীয় ঐক্য বজায় থাকে, কোনো একক ভারতীয় শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যেন আইনি জটিলতায় আটকে না যায় এবং আমাদের সন্তানরা যাতে তাদের মূল্যবান সময় পড়াশোনায় দিয়ে ক্যারিয়ার গড়ার দিকে মনোযোগ দিতে পারে— সেই লক্ষ্যেই আমি শ্রদ্ধেয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছি।
শ্রদ্ধেয় প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনা, বিশ্বাস এবং সার্বিক সমর্থনের জন্য আমি তার প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। পাশাপাশি মন্ত্রিপরিষদের আমার সকল সম্মানিত সহকর্মী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং যাদের সঙ্গে কাজ করার সৌভাগ্য আমার হয়েছে, তাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। দেশের সেবা করাই আমার জীবনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার; আমি চিরকাল এই কাজের প্রতি নিবেদিত থাকব।
ভগবান জগন্নাথের কৃপায়, আমি আগামীতেও ভারতমাতা, ওড়িশার জনগণ এবং দেশের তরুণদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে যেকোনো উপায়ে নিজেকে উৎসর্গ করে যাব।’

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে অসুস্থতা তাদের আন্দোলনের গতি কমাতে পারবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি হামলার ঘটনায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর কাছে ১২টি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুলেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়্যার। তাদের যুক্তি— দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন। একইভাবে অভিযানে অংশ নেওয়া র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ) কেন্দ্রীয় রিজার্ভ পুলি
৫ ঘণ্টা আগে
শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে এক্সে দেওয়া পোস্টে সিজেপির মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা বলেন, ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের প্রশ্নে তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত। সরকার যদি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নেয়, তাহলে আলোচনার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়ার অর্থ হয় না।
৬ ঘণ্টা আগে
নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে যেন কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া না হয়— এটিকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন সোনম ওয়াংচুক। আর সে কারণেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াই ২৬ দিনের অনশন
৬ ঘণ্টা আগে