
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

জাতিসংঘের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা (ডব্লিউএমও) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ঘন ঘন দাবানলের কারণে বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণ মারাত্মকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই দাবানল আরও বেশি হচ্ছে। এর ফলে উৎপন্ন ক্ষতিকর পদার্থ এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
ডব্লিউএমও-র মতে, এই দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ঘন ঘন দাবানলের কারণে বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণ মারাত্মকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই এই ধরনের দাবানল আরও বেশি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
আলজাজিরার সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ডব্লিউএমও বলছে, দাবানল থেকে নির্গত ক্ষতিকর পদার্থগুলো এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর ফলে বায়ুর মান ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়। কানাডা, সাইবেরিয়া ও আমাজনের মতো জায়গায় হওয়া দাবানল থেকে এর প্রভাব স্পষ্ট বোঝা যায়।
ডব্লিউএমও আরও জানায়, দাবানলের ফলে সৃষ্ট ধোঁয়া এবং এর মধ্যে থাকা ক্ষুদ্র কণা, বিশেষ করে পিএম ২ দশমিক ৫ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর। এই কণাগুলো এতটাই ছোট যে, এগুলো সহজেই মানুষের ফুসফুস ও হৃদপিণ্ডের গভীরে প্রবেশ করতে পারে, যা নানা ধরনের রোগের কারণ হয়।
ডব্লিউএমওর ডেপুটি সেক্রেটারি-জেনারেল কো ব্যারেট বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বায়ু দূষণকে আলাদা করে দেখা যাবে না। আমাদের পৃথিবীকে রক্ষা করতে হলে এই দুটি বিষয়কে একসঙ্গেই মোকাবিলা করতে হবে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, বায়ু দূষণ কমাতে উন্নত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং ভালো নীতি নেওয়া প্রয়োজন। তবে আশার কথা হলো, কিছু দেশ ও শহর এই ক্ষেত্রে সফলতা দেখিয়েছে।
ডব্লিউএমওর কর্মকর্তা পাওলো লাজ জানান, যখন কোনো দেশ বায়ু দূষণ কমাতে ব্যবস্থা নেয়, তার ইতিবাচক ফল স্পষ্টভাবে দেখা যায়। উদাহরণ হিসেবে তিনি ইউরোপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশেষ করে চীনের শহরগুলোর কথা উল্লেখ করেন। লাজ বলেন, গত ১০ বছরে চীনা শহরগুলো তাদের বায়ুর মানের নাটকীয় উন্নতি ঘটিয়েছে, যা অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে।

জাতিসংঘের আবহাওয়া ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা (ডব্লিউএমও) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ঘন ঘন দাবানলের কারণে বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণ মারাত্মকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই দাবানল আরও বেশি হচ্ছে। এর ফলে উৎপন্ন ক্ষতিকর পদার্থ এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
ডব্লিউএমও-র মতে, এই দূষণ মানবস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।
সংস্থাটি জানিয়েছে, ঘন ঘন দাবানলের কারণে বিশ্বজুড়ে বায়ুদূষণ মারাত্মকভাবে বেড়ে যাচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবেই এই ধরনের দাবানল আরও বেশি হচ্ছে বলে সতর্ক করেছে সংস্থাটি।
আলজাজিরার সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ডব্লিউএমও বলছে, দাবানল থেকে নির্গত ক্ষতিকর পদার্থগুলো এক মহাদেশ থেকে অন্য মহাদেশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এর ফলে বায়ুর মান ব্যাপকভাবে নষ্ট হয়। কানাডা, সাইবেরিয়া ও আমাজনের মতো জায়গায় হওয়া দাবানল থেকে এর প্রভাব স্পষ্ট বোঝা যায়।
ডব্লিউএমও আরও জানায়, দাবানলের ফলে সৃষ্ট ধোঁয়া এবং এর মধ্যে থাকা ক্ষুদ্র কণা, বিশেষ করে পিএম ২ দশমিক ৫ মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষভাবে ক্ষতিকর। এই কণাগুলো এতটাই ছোট যে, এগুলো সহজেই মানুষের ফুসফুস ও হৃদপিণ্ডের গভীরে প্রবেশ করতে পারে, যা নানা ধরনের রোগের কারণ হয়।
ডব্লিউএমওর ডেপুটি সেক্রেটারি-জেনারেল কো ব্যারেট বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং বায়ু দূষণকে আলাদা করে দেখা যাবে না। আমাদের পৃথিবীকে রক্ষা করতে হলে এই দুটি বিষয়কে একসঙ্গেই মোকাবিলা করতে হবে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, বায়ু দূষণ কমাতে উন্নত পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা এবং ভালো নীতি নেওয়া প্রয়োজন। তবে আশার কথা হলো, কিছু দেশ ও শহর এই ক্ষেত্রে সফলতা দেখিয়েছে।
ডব্লিউএমওর কর্মকর্তা পাওলো লাজ জানান, যখন কোনো দেশ বায়ু দূষণ কমাতে ব্যবস্থা নেয়, তার ইতিবাচক ফল স্পষ্টভাবে দেখা যায়। উদাহরণ হিসেবে তিনি ইউরোপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশেষ করে চীনের শহরগুলোর কথা উল্লেখ করেন। লাজ বলেন, গত ১০ বছরে চীনা শহরগুলো তাদের বায়ুর মানের নাটকীয় উন্নতি ঘটিয়েছে, যা অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হতে পারে।

ইরান যুদ্ধ এবং এর অবসান কীভাবে হবে— তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর। ফলে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের আগে একদিকে ওয়াশিংটনের চাপ, অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরীণ জনমতের টানাপোড়েনে এক কঠিন রাজনৈতিক উভয় সংকটে পড়েছেন তিনি।
৭ ঘণ্টা আগে
আফগানিস্তানের জন্য ভূমিকম্প কোনো নতুন বা বিরল দুর্যোগ নয়। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দেশটিতে প্রায়ই উচ্চমাত্রার কম্পন অনুভূত হয়। এর মাত্র কয়েকদিন আগে, গত ২৭ জুনেও দেশটিতে ৬.২ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল, যা সৌভাগ্যবশত কোনো ক্ষয়ক্ষতি ছড়াতে পারেনি।
১০ ঘণ্টা আগে
জুলকাদরের এ বিবৃতি এমন সময়ে এলো যখন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা, দাফন ও শেষ বিদায়ের শোক-অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। বিবৃতিতে তিনি উল্লেখ করেন, শাহাদাতের আগ মুহূর্তেও খামেনির হাত মুষ্টিবদ্ধ ছিল, যা ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা নীতিমালার স্থায়ী প্রতীক হয়ে থাকবে বলে তিনি মনে করেন।
২০ ঘণ্টা আগে
গত ৪ মার্চ ভারত আয়োজিত বহুজাতিক নৌ মহড়া মিলান ২০২৬-এ অংশগ্রহণ শেষে দেশে ফেরার পথে হামলার শিকার হয় ‘দেনা’। ওই সময় ফ্রিগেটটি শ্রীলঙ্কার গল উপকূল থেকে প্রায় ১৯ নটিক্যাল মাইল দূরে অবস্থান করছিল। তখন মার্কিন নৌ বাহিনীর ইউএসএস শার্লট নামে একটি সাবমেরিন থেকে ছোড়া একটি মার্ক ৪৮ টর্পেডো জাহাজটিতে আঘাত হা
২০ ঘণ্টা আগে