
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

এক রাতে দুই শহরে অভিযান চালিয়ে নারী, শিশুসহ এক হাজার ২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গুজরাট রাজ্য পুলিশ। এর মধ্যে ৮৯০ জনকে আটক করা হয়েছে আহমেদাবাদ থেকে, বাকি ১৩৪ জন আটক হয়েছেন সুরাটে।
গুজরাট রাজ্য পুলিশ বলছে, অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ ও নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আটক এসব ব্যক্তির ‘উদ্বেগজনক সংযোগ’ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো বক্তব্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
হিন্দুস্তান টাইমস ও পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রাতে ‘চিরুনি অভিযান’ চালিয়ে এসব ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গুজরাট পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টায় আহমেদাবাদ ও সুরাটে একযোগে এ অভিযান চালানো হয়।
গুজরাটের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ সাংভি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলের নির্দেশনায় এ অভিযান চালানো হয়েছে। অবৈধ বাংলাদেশিদের ধরতে একটি ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গুজরাটে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের বিরুদ্ধে এটিই সবচেয়ে বড় অভিযান।
আটক ব্যক্তিরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে জাল নথিপত্র সংগ্রহ করে ভারতের বিভিন্ন স্থানে ও সবশেষ গুজরাটে গিয়ে বসবাস করছিল বলে জানান হর্ষ সাংভি। তিনি বলেন, এদের অনেকে মাদক চক্র ও মানবপাচারে জড়িত। আটক বাংলাদেশিদের অতীত কর্মকাণ্ড ও গুজরাটে তাদের সংযোগ নিয়ে তদন্ত হবে।
আটক বাংলাদেশিদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের সব ধরনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যেসব জাল নথি ব্যবহার করে তারা দেশের বিভিন্ন অংশে পৌঁছেছিল, সেগুলো নিয়েও তদন্ত হবে এবং জাল নথি তৈরি করায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গুজরাটে অবৈধ অভিবাসী এবং তাদের আশ্রয় দেওয়া ব্যক্তিদেরও সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।
এদিকে শুক্রবার রাতে অভিযান চালানোর পর শনিবার আহমেদাবাদে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে রাজ্যের পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিজিপি) বিকাশ সহায় জানান, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং নথিপত্র ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের জাতীয়তা নির্ধারণ করা হচ্ছে। জাতীয়তা নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের কেন্দ্র সরকার ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) সহযোগিতায় দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে।
পুলিশের তদন্তের বরাত দিয়ে রাজ্য পুলিশের প্রধান বিকাশ সহায় দাবি করেন, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আটক ব্যক্তিদের ‘উদ্বেগজনক সংযোগ’ পাওয়া গেছে। তাদের বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি মাদক চোরাচালান ও মানবপাচারসহ বড় ধরনের অপরাধে জড়িত।
সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া চার বাংলাদেশির কথা তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে রাজ্য পুলিশের প্রধান বলেন, এদের মধ্যে দুজন আল-কায়দার স্লিপার সেলের সন্দেহভাজন সদস্য। একই তথ্য পরে মন্ত্রী সাংভিও জানিয়েছেন গণমাধ্যমকে।

এক রাতে দুই শহরে অভিযান চালিয়ে নারী, শিশুসহ এক হাজার ২৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গুজরাট রাজ্য পুলিশ। এর মধ্যে ৮৯০ জনকে আটক করা হয়েছে আহমেদাবাদ থেকে, বাকি ১৩৪ জন আটক হয়েছেন সুরাটে।
গুজরাট রাজ্য পুলিশ বলছে, অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ ও নানা ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আটক এসব ব্যক্তির ‘উদ্বেগজনক সংযোগ’ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কোনো বক্তব্য এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।
হিন্দুস্তান টাইমস ও পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রাতে ‘চিরুনি অভিযান’ চালিয়ে এসব ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গুজরাট পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত ৩টায় আহমেদাবাদ ও সুরাটে একযোগে এ অভিযান চালানো হয়।
গুজরাটের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ সাংভি বলেন, মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলের নির্দেশনায় এ অভিযান চালানো হয়েছে। অবৈধ বাংলাদেশিদের ধরতে একটি ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। গুজরাটে অবৈধভাবে বসবাসকারীদের বিরুদ্ধে এটিই সবচেয়ে বড় অভিযান।
আটক ব্যক্তিরা পশ্চিমবঙ্গ থেকে জাল নথিপত্র সংগ্রহ করে ভারতের বিভিন্ন স্থানে ও সবশেষ গুজরাটে গিয়ে বসবাস করছিল বলে জানান হর্ষ সাংভি। তিনি বলেন, এদের অনেকে মাদক চক্র ও মানবপাচারে জড়িত। আটক বাংলাদেশিদের অতীত কর্মকাণ্ড ও গুজরাটে তাদের সংযোগ নিয়ে তদন্ত হবে।
আটক বাংলাদেশিদের দ্রুত প্রত্যাবাসনের সব ধরনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, যেসব জাল নথি ব্যবহার করে তারা দেশের বিভিন্ন অংশে পৌঁছেছিল, সেগুলো নিয়েও তদন্ত হবে এবং জাল নথি তৈরি করায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গুজরাটে অবৈধ অভিবাসী এবং তাদের আশ্রয় দেওয়া ব্যক্তিদেরও সতর্ক করে দিয়েছেন তিনি।
এদিকে শুক্রবার রাতে অভিযান চালানোর পর শনিবার আহমেদাবাদে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে রাজ্যের পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিজিপি) বিকাশ সহায় জানান, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে এবং নথিপত্র ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে তাদের জাতীয়তা নির্ধারণ করা হচ্ছে। জাতীয়তা নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের কেন্দ্র সরকার ও বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের (বিএসএফ) সহযোগিতায় দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে।
পুলিশের তদন্তের বরাত দিয়ে রাজ্য পুলিশের প্রধান বিকাশ সহায় দাবি করেন, অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আটক ব্যক্তিদের ‘উদ্বেগজনক সংযোগ’ পাওয়া গেছে। তাদের বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি মাদক চোরাচালান ও মানবপাচারসহ বড় ধরনের অপরাধে জড়িত।
সম্প্রতি গ্রেপ্তার হওয়া চার বাংলাদেশির কথা তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে রাজ্য পুলিশের প্রধান বলেন, এদের মধ্যে দুজন আল-কায়দার স্লিপার সেলের সন্দেহভাজন সদস্য। একই তথ্য পরে মন্ত্রী সাংভিও জানিয়েছেন গণমাধ্যমকে।

শনিবার (১ আগস্ট) ফ্রান্স২৪-এর খবরে বলা হয়, বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সেউতা সীমান্ত দিয়ে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ স্পেনের এই ভূখণ্ডে প্রবেশ করেন। স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা (গ্রিনিচ সময় ১৬০০) পর্যন্ত প্রায় ৪৮ হাজার ৩০০ অভিবাসী সীমান্ত পেরিয়ে আবার মরক্কোতে ফিরে গেছেন।
১৭ ঘণ্টা আগে
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, প্রায় ৫০টি দেশের নাগরিকদের বি-১ (ব্যবসায়িক) ও বি-২ (পর্যটন) ভিসার জন্য আবেদন করার সময় সর্বোচ্চ ২০ হাজার ডলার পর্যন্ত বন্ড বা জামানত জমা দিতে হতে পারে। এসব দেশের বেশির ভাগই আফ্রিকার।
২০ ঘণ্টা আগে
এর মধ্যে কয়েক শ মিলিয়ন ডলার গেছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জ বিন্যান্সে। শেলবিট থেকে বিন্যান্সের বিভিন্ন ঠিকানায় গেছে অন্তত ৬৭ কোটি ৬০ লাখ ডলারের ক্রিপ্টো। একই সময়ে শেলবিটের সঙ্গে সরাসরি লেনদেন হয়েছে ইরানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এবং এমন কিছু ওয়ালেটের, যেগুলো ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ আইআরজিসির সঙ্গ
১ দিন আগে
স্প্যানিশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বৃহস্পতিবার মরক্কো সীমান্ত ও সাগরপথ পাড়ি দিয়ে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ সেউতায় প্রবেশ করেন। তবে ব্যাপক কড়াকড়ি ও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে ইতোমধ্যে প্রায় ৪৮ হাজার ৩০০ জন মরক্কোয় ফিরে গেছেন, বাকিরাও ফিরে যাওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। মূল ভূখণ্ডে পৌঁছাতে না পেরে এবং খ
১ দিন আগে