
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ ও এর বাজার ব্যবস্থাপনায় সরাসরি হস্তক্ষেপ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন থেকে দেশটির তেল উত্তোলন ও বিক্রয় সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য ওয়াশিংটনের নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও। মার্কিন সিনেটে দেওয়া এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই পদক্ষেপকে ভেনেজুয়েলার তেল খাত ‘ঢেলে সাজানোর’ প্রথম পর্যায় হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ব্রিফিংয়ে মার্কো রুবিও বলেন, “ভেনেজুয়েলার তেল খাত বিশৃঙ্খলার দিকে ঝুঁকে পড়ুক— এমনটা আমরা চাই না। এ কারণে দেশটির তেল উত্তোলন, বিপননসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকবে।”
ব্রিফিংয়ে রুবিও আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল খাতকে ‘ঢেলে সাজানোর’ উদ্যোগ নিয়েছে। এটি হলো ভেনেজুয়েলার তেল খাত সংস্কারের ‘প্রথম পর্যায়’। তাই এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার এবং সরকারের অনুমোদিত সংস্থা বা কোম্পানি ছাড়া আর কাউকে এই খাতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
“তেল খাত সংস্কারের কাজ শেষে দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে। এই পর্যায়ে মার্কিন ও অন্যান্য পশ্চিমা কোম্পানিকে ন্যায্যভাবে ভেনেজুয়েলার বাজারে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে”, বলেন রুবিও।
এর আগে গত ৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, ভেনেজুয়েলা থেকে সাগরপথে তেল যুক্তরাষ্ট্রে আনা হবে এবং সেখান থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছাবে দেশটির তেল।

ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ ও এর বাজার ব্যবস্থাপনায় সরাসরি হস্তক্ষেপ শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এখন থেকে দেশটির তেল উত্তোলন ও বিক্রয় সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম অনির্দিষ্টকালের জন্য ওয়াশিংটনের নিয়ন্ত্রণে থাকবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মার্কো রুবিও। মার্কিন সিনেটে দেওয়া এক ব্রিফিংয়ে তিনি এই পদক্ষেপকে ভেনেজুয়েলার তেল খাত ‘ঢেলে সাজানোর’ প্রথম পর্যায় হিসেবে অভিহিত করেছেন।
ব্রিফিংয়ে মার্কো রুবিও বলেন, “ভেনেজুয়েলার তেল খাত বিশৃঙ্খলার দিকে ঝুঁকে পড়ুক— এমনটা আমরা চাই না। এ কারণে দেশটির তেল উত্তোলন, বিপননসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনা এখন থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের হাতে থাকবে।”
ব্রিফিংয়ে রুবিও আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার তেল খাতকে ‘ঢেলে সাজানোর’ উদ্যোগ নিয়েছে। এটি হলো ভেনেজুয়েলার তেল খাত সংস্কারের ‘প্রথম পর্যায়’। তাই এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের সরকার এবং সরকারের অনুমোদিত সংস্থা বা কোম্পানি ছাড়া আর কাউকে এই খাতে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
“তেল খাত সংস্কারের কাজ শেষে দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হবে। এই পর্যায়ে মার্কিন ও অন্যান্য পশ্চিমা কোম্পানিকে ন্যায্যভাবে ভেনেজুয়েলার বাজারে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে”, বলেন রুবিও।
এর আগে গত ৭ জানুয়ারি মঙ্গলবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছিলেন, ভেনেজুয়েলা থেকে সাগরপথে তেল যুক্তরাষ্ট্রে আনা হবে এবং সেখান থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছাবে দেশটির তেল।

অস্থিরতায় অন্তত ৩৪ জন বিক্ষোভকারী ও চারজন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছে এবং দুই হাজার ২০০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
১ দিন আগে
ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দাবি, ওই নারী একজন 'সহিংস দাঙ্গাবাজ' ছিলেন এবং ঘটনার সময় তিনি ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট – আইসিই'র এজেন্টদের গাড়িচাপা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। সেই সময় এক এজেন্ট তার গাড়ির দিকে 'আত্মরক্ষামূলক গুলি' ছোড়েন।
১ দিন আগে
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিয়োসদাদো কাবেলো এই ভয়াবহ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। অভিযানের সময় প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেস আহত হয়েছেন বলেও কারাকাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
১ দিন আগে
ইরানের বিরুদ্ধে ক্রমবর্ধমান শত্রুতামূলক বক্তব্যকে সরাসরি হুমকি হিসেবে দেখছে তেহরান। এর ধারাবাহিকতা কোনোভাবেই উত্তরহীন থাকবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের সেনাপ্রধান। তিনি আগ্রাসনকারীদের হাত কেটে নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।
২ দিন আগে