
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কাশ্মির নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনো লক্ষ্মণ নেই। তবে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, কাশ্মীর নিয়ে ভারতের সঙ্গে উত্তেজনা যদি আরও বাড়ে, তাহলে দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ শুরু হয়ে যেতে পারে।
যুক্তরাজ্যের স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খাজা আসিফ এ কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে ‘যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত’ থাকতে বলা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার ভারতশাসিত কাশ্মিরের পহেলগাম শহরের নিকটবর্তী একটি পর্যটন এলাকায় পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ২৬ জন পর্যটক প্রাণ হারান।
ভারতের অভিযোগ, পাকিস্তান-সমর্থিত ‘জঙ্গি’রা এ হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তান এ হামলার সঙ্গে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছে। তবে এ হামলা ঘিরে ভারত সিন্ধু নদীর পানি চুক্তি স্থগিতসহ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পাঁচ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পালটা জবাব হিসেবে পাকিস্তানও শিমলা চুক্তি স্থগিতসহ নানা ব্যবস্থা নিয়েছে।
দুপক্ষের মধ্যে এই উত্তেজনার ভেতরেই শুক্রবার কাশ্মির ঘিরে ভারত-পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণ রেখায় (লাইন অব কন্ট্রোল, এলওসি) দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহতও হয়েছেন।
এ হামলার প্রসঙ্গ টেনে খাজা আসিফ বলেছেন, ভারতের নেওয়া যেকোনো পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া হিসাব করবে পাকিস্তান। সর্বাত্মক আক্রমণের ক্ষেত্রে— অবশ্যই একটি সর্বাত্মক যুদ্ধ হবে।
তবে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের সমাধান করা যেতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি এটাও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ভারত কোনো প্রমাণ ছাড়াই ‘সাজানো’ অভিযানে গুলি চালানোর ঘটনা ‘মঞ্চস্থ’ করেছে।

কাশ্মির নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা কমার কোনো লক্ষ্মণ নেই। তবে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, কাশ্মীর নিয়ে ভারতের সঙ্গে উত্তেজনা যদি আরও বাড়ে, তাহলে দুই পারমাণবিক শক্তিধর প্রতিদ্বন্দ্বীর মধ্যে ‘সর্বাত্মক যুদ্ধ’ শুরু হয়ে যেতে পারে।
যুক্তরাজ্যের স্কাই নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে খাজা আসিফ এ কথা বলেন। এ সময় তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে ‘যেকোনো পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত’ থাকতে বলা হয়েছে।
গত মঙ্গলবার ভারতশাসিত কাশ্মিরের পহেলগাম শহরের নিকটবর্তী একটি পর্যটন এলাকায় পর্যটকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ২৬ জন পর্যটক প্রাণ হারান।
ভারতের অভিযোগ, পাকিস্তান-সমর্থিত ‘জঙ্গি’রা এ হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে পাকিস্তান এ হামলার সঙ্গে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করেছে। তবে এ হামলা ঘিরে ভারত সিন্ধু নদীর পানি চুক্তি স্থগিতসহ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে পাঁচ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পালটা জবাব হিসেবে পাকিস্তানও শিমলা চুক্তি স্থগিতসহ নানা ব্যবস্থা নিয়েছে।
দুপক্ষের মধ্যে এই উত্তেজনার ভেতরেই শুক্রবার কাশ্মির ঘিরে ভারত-পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রণ রেখায় (লাইন অব কন্ট্রোল, এলওসি) দুপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহতও হয়েছেন।
এ হামলার প্রসঙ্গ টেনে খাজা আসিফ বলেছেন, ভারতের নেওয়া যেকোনো পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়া হিসাব করবে পাকিস্তান। সর্বাত্মক আক্রমণের ক্ষেত্রে— অবশ্যই একটি সর্বাত্মক যুদ্ধ হবে।
তবে আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের সমাধান করা যেতে পারে বলেও আশা প্রকাশ করেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি এটাও স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, ভারত কোনো প্রমাণ ছাড়াই ‘সাজানো’ অভিযানে গুলি চালানোর ঘটনা ‘মঞ্চস্থ’ করেছে।

ট্রাম্প লিখেছেন, "আজ তৌসকা নামের প্রায় ৯০০ ফুট দীর্ঘ একটি ইরানি পতাকাবাহী কার্গো জাহাজ আমাদের নৌ অবরোধ ভাঙার চেষ্টা করেছিল, কিন্তু সেটি তাদের জন্য ভালো হয়নি।" তিনি আরও বলেন, জাহাজটিকে থামার জন্য সতর্ক করা হয়েছিল, কিন্তু জাহাজটি তা মানেনি। "তাই আমাদের নৌবাহিনীর জাহাজ ইঞ্জিনরুমে গুলি চালিয়ে সেটিকে থাম
৬ ঘণ্টা আগে
নাম প্রকাশ না করার শর্তে হোয়াইট হাউজের ওই কর্মকর্তা এএফপিকে বলেন, আগের মতোই জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল যাচ্ছে পাকিস্তানে। এবারও তার সঙ্গী হিসেবে থাকছেন ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ।
১৬ ঘণ্টা আগে
ডোনাল্ড ট্রাম্প আরও লিখেছেন, ‘তারা (ইরান) দ্রুতই নতিস্বীকার করবে, সহজভাবেই করবে। আর যদি চুক্তি গ্রহণ না করে তাহলে যা কিছু প্রয়োজন, তা করা আমার জন্য গৌরবের বিষয় হবে— যা গত ৪৭ বছর ধরে অন্যান্য প্রেসিডেন্টদের করা উচিত ছিল।’
১৬ ঘণ্টা আগে
তাসনিম নিউজের খবরে বলা হয়েছে, প্রথম দফা আলোচনা শেষ হওয়ার পর বর্তমানে দ্বিতীয় দফার বৈঠক নিয়ে আলোচনা চলছে। খবরে বলা হয়, ইরান স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত নৌ-অবরোধ যতক্ষণ কার্যকর থাকবে, ততক্ষণ কোনো আলোচনা হবে না।
১৭ ঘণ্টা আগে