
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

শ্রীলঙ্কা উপকূলে যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিন থেকে টর্পেডোর আঘাতে একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই, আরেকটি ইরানি জাহাজকে ভারতের বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দিয়েছে নয়াদিল্লি।
আজ শনিবার রাজধানী দিল্লিতে আয়োজিত এক ভূ-রাজনৈতিক সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এ তথ্য নিশ্চিত জানান।
মন্ত্রী জানান, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং মানবিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে ‘আইরিস লাভান’ নামক জাহাজটিকে কোচি বন্দরে ভিড়তে দেওয়া হয়েছে। জয়শঙ্কর বলেন, ‘ইরান আমাদের কাছে বার্তা পাঠিয়েছিল যে তাদের একটি জাহাজ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে এবং আমাদের বন্দরে আশ্রয় চায়। ১ মার্চ আমরা তাদের আসার অনুমতি দিই এবং কয়েক দিন পর জাহাজটি কোচি বন্দরে এসে পৌঁছায়।’
কয়েক দিন আগেই ভারত মহাসাগরে শ্রীলঙ্কা উপকূলে মার্কিন সাবমেরিনের টর্পেডোর আঘাতে ইরানের যুদ্ধজাহাজ ‘আইরিস ডেনা’ ডুবে যায়। এই ঘটনার পর ওই অঞ্চলে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। জয়শঙ্কর জানান, যে সময়ে জাহাজটি ভারতের কাছে আশ্রয়ের আবেদন করে, সেই সময়ে পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত স্পর্শকাতর। জাহাজটিতে বেশ কয়েকজন তরুণ ক্যাডেট (শিক্ষানবিশ নৌসেনা) রয়েছেন।
জানা গেছে, ‘আইরিস লাভান’ এবং আরও কয়েকটি ইরানি জাহাজ ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে বিশাখাপত্তমে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ফ্লিট রিভিউ এবং বহুপক্ষীয় নৌ মহড়া ‘মিলান ২০২৬’-এ অংশ নিতে ভারতে এসেছিল। মহড়া শেষ করে ফেরার পথে আন্তর্জাতিক জলসীমায় তারা মার্কিন হামলার শিকার হয়। এ নিয়ে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার।
ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তারা (ইরানি নৌবাহিনী) এখানে মহড়ার জন্য এসেছিল, কিন্তু ফেরার পথে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে যায়। আইনি জটিলতা যা-ই থাকুক না কেন, আমরা মানবিকতার দিক থেকে বিষয়টিকে বিবেচনা করেছি এবং আমার মনে হয় আমরা সঠিক কাজই করেছি।’
এদিকে ইরানের তৃতীয় একটি জাহাজ ‘আইরিস বুশেহর’-কে শ্রীলঙ্কায় ভিড়তে দেওয়া হলেও সেখানে সেটিকে হেফাজতে নিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
সাম্প্রতিক এই ঘটনাপ্রবাহ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং সামরিক উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

শ্রীলঙ্কা উপকূলে যুক্তরাষ্ট্রের সাবমেরিন থেকে টর্পেডোর আঘাতে একটি ইরানি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস হওয়ার রেশ কাটতে না কাটতেই, আরেকটি ইরানি জাহাজকে ভারতের বন্দরে নোঙর করার অনুমতি দিয়েছে নয়াদিল্লি।
আজ শনিবার রাজধানী দিল্লিতে আয়োজিত এক ভূ-রাজনৈতিক সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এ তথ্য নিশ্চিত জানান।
মন্ত্রী জানান, যান্ত্রিক ত্রুটি এবং মানবিক পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে ‘আইরিস লাভান’ নামক জাহাজটিকে কোচি বন্দরে ভিড়তে দেওয়া হয়েছে। জয়শঙ্কর বলেন, ‘ইরান আমাদের কাছে বার্তা পাঠিয়েছিল যে তাদের একটি জাহাজ সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে এবং আমাদের বন্দরে আশ্রয় চায়। ১ মার্চ আমরা তাদের আসার অনুমতি দিই এবং কয়েক দিন পর জাহাজটি কোচি বন্দরে এসে পৌঁছায়।’
কয়েক দিন আগেই ভারত মহাসাগরে শ্রীলঙ্কা উপকূলে মার্কিন সাবমেরিনের টর্পেডোর আঘাতে ইরানের যুদ্ধজাহাজ ‘আইরিস ডেনা’ ডুবে যায়। এই ঘটনার পর ওই অঞ্চলে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। জয়শঙ্কর জানান, যে সময়ে জাহাজটি ভারতের কাছে আশ্রয়ের আবেদন করে, সেই সময়ে পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত স্পর্শকাতর। জাহাজটিতে বেশ কয়েকজন তরুণ ক্যাডেট (শিক্ষানবিশ নৌসেনা) রয়েছেন।
জানা গেছে, ‘আইরিস লাভান’ এবং আরও কয়েকটি ইরানি জাহাজ ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে বিশাখাপত্তমে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ফ্লিট রিভিউ এবং বহুপক্ষীয় নৌ মহড়া ‘মিলান ২০২৬’-এ অংশ নিতে ভারতে এসেছিল। মহড়া শেষ করে ফেরার পথে আন্তর্জাতিক জলসীমায় তারা মার্কিন হামলার শিকার হয়। এ নিয়ে কঠোর সমালোচনার মুখে পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার।
ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তারা (ইরানি নৌবাহিনী) এখানে মহড়ার জন্য এসেছিল, কিন্তু ফেরার পথে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে যায়। আইনি জটিলতা যা-ই থাকুক না কেন, আমরা মানবিকতার দিক থেকে বিষয়টিকে বিবেচনা করেছি এবং আমার মনে হয় আমরা সঠিক কাজই করেছি।’
এদিকে ইরানের তৃতীয় একটি জাহাজ ‘আইরিস বুশেহর’-কে শ্রীলঙ্কায় ভিড়তে দেওয়া হলেও সেখানে সেটিকে হেফাজতে নিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
সাম্প্রতিক এই ঘটনাপ্রবাহ ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তর্জাতিক কূটনীতি এবং সামরিক উত্তেজনাকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।
তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) মাশহাদের দিকে এগিয়ে যায় খামেনির মরদেহবাহী ট্রাক। রাস্তার দুই পাশে কালো পোশাক পরা লাখো শোকাহত মানুষ ইরানের পতাকা, খামেনির ছবি ও বিপ্লবী স্লোগান লেখা লাল প্ল্যাকার্ড হাতে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ধীরগতিতে এগিয়ে চলা শবযাত্রার সময় পুরো শহরে শোক, ধর্মীয় আবেগ ও প্রতিশোধের আহ্বানের মিশ্র পরিবেশ
১৪ ঘণ্টা আগে
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) এ খবর দিয়েছে গালফ নিউজ। খবরে বলা হয়েছে, বিগ টিকেট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিজয়ী বাংলাদেশি মোহাম্মদ আতিক হাসানের টিকিট নম্বর ছিল ৩৫৯৬৮৫। তবে তিনি কত দিন ধরে এই ড্রতে অংশ নিচ্ছিলেন বা পুরস্কারের অর্থ কীভাবে ব্যবহার করবেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
১৫ ঘণ্টা আগে
দূতাবাস বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ডিজিটাল পেমেন্টের ক্ষেত্রে ব্যাংক ও পেমেন্ট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের নির্ধারিত সারচার্জ বা প্রসেসিং ফি প্রযোজ্য হবে, যা সেবাগ্রহীতাকে বহন করতে হবে। প্রযোজ্য সারচার্জের হার ব্যবহৃত পেমেন্ট পদ্ধতি অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে।
১৬ ঘণ্টা আগে
আসামের বিরোধী দল অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (এআইইউডিএফ) এই প্রধান সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আরও বলেন, কথিত অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্ত ও ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে আইন ও সংবিধান অনুসরণ করতেই হবে। সীমান্তে কাউকে জোর করে ঠেলে দেওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
১৬ ঘণ্টা আগে