
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভেসে আসছে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির খবর। জয়ের উল্লাস ছাপিয়ে এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনৈতিক সহিংসতা, যেখানে ইতোমধ্যেই তৃণমূল ও বিজেপি—উভয় পক্ষের অন্তত চার কর্মীর নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বীরভূম থেকে আসানসোল, কিংবা দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে কলকাতা—একাধিক জেলায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ আর পাল্টাপাল্টি হামলায় জনজীবন বিপর্যস্ত। একদিকে যখন তৃণমূলের কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠছে, অন্যদিকে বিজেপি কর্মীদের হত্যার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে গেরুয়া শিবির।
বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, নদিয়া ও বাঁকুড়াসহ বিভিন্ন জেলায় দু’পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। একাধিক স্থানে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। আসানসোল শিল্পাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূলের অফিসে হামলা চালানো হয় এবং কোথাও কোথাও আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানেও।
রূপনারায়ণপুর, কুলটি, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া ও বারাবনিসহ বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুর এবং গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। দলটির দাবি, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দুষ্কৃতিকারীরা তাদের নাম ব্যবহার করে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার গনেশ কুমার। তিনি প্রশাসনকে যেকোনো সহিংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন এবং রাজ্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলেন।
এদিকে, সরকার গঠনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে দলের পরিষদীয় দলনেতা নির্ধারণে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হচ্ছে অমিত শাহকে। তার সঙ্গে সহকারী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝিকে।
নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচন করা হবে, যিনি হবেন রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। সাধারণত এ দায়িত্বে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক পাঠানো হলেও অমিত শাহের মতো শীর্ষ নেতাকে এ দায়িত্ব দেওয়াকে বিশেষ গুরুত্বের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
রাজনীতি/এসআর

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভেসে আসছে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির খবর। জয়ের উল্লাস ছাপিয়ে এখন বড় হয়ে দাঁড়িয়েছে রাজনৈতিক সহিংসতা, যেখানে ইতোমধ্যেই তৃণমূল ও বিজেপি—উভয় পক্ষের অন্তত চার কর্মীর নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
বীরভূম থেকে আসানসোল, কিংবা দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে কলকাতা—একাধিক জেলায় ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ আর পাল্টাপাল্টি হামলায় জনজীবন বিপর্যস্ত। একদিকে যখন তৃণমূলের কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠছে, অন্যদিকে বিজেপি কর্মীদের হত্যার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে গেরুয়া শিবির।
বীরভূম, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, নদিয়া ও বাঁকুড়াসহ বিভিন্ন জেলায় দু’পক্ষের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। একাধিক স্থানে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। আসানসোল শিল্পাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূলের অফিসে হামলা চালানো হয় এবং কোথাও কোথাও আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানেও।
রূপনারায়ণপুর, কুলটি, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া ও বারাবনিসহ বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুর এবং গেরুয়া রঙে রাঙিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। দলটির দাবি, কোনো কোনো ক্ষেত্রে দুষ্কৃতিকারীরা তাদের নাম ব্যবহার করে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।
সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার গনেশ কুমার। তিনি প্রশাসনকে যেকোনো সহিংস ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেন এবং রাজ্য প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলেন।
এদিকে, সরকার গঠনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে দলের পরিষদীয় দলনেতা নির্ধারণে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক হিসেবে পাঠানো হচ্ছে অমিত শাহকে। তার সঙ্গে সহকারী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ওডিশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝিকে।
নবনির্বাচিত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচন করা হবে, যিনি হবেন রাজ্যের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী। সাধারণত এ দায়িত্বে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক পাঠানো হলেও অমিত শাহের মতো শীর্ষ নেতাকে এ দায়িত্ব দেওয়াকে বিশেষ গুরুত্বের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
রাজনীতি/এসআর

ইউরোপে উদ্দেশে রওনা হওয়া অভিবাসন প্রত্যাশীদের একটি নৌকা গত সপ্তাহে লিবিয়া উপকূলে ডুবে গিয়ে অন্তত ৫১ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পর্যবেক্ষণ সংস্থা ‘আবরিন’। এ দুর্ঘটনায় গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ১০ জনকে জীবিত উদ্ধার করা এবং নিখোঁজদের মধ্যে ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, বাকিদের হদিস মেলেনি।
৭ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্র ও তার পশ্চিমা মিত্রদের দৃষ্টিতে যাকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, সেই ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এই সম্ভাব্য সমঝোতার মাধ্যমে সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগীদের একটিতে পরিণত হতে পারে।
৯ ঘণ্টা আগে
৭৬ বছর বয়সী নেতানিয়াহুর জন্য পরিস্থিতি রাজনৈতিকভাবেও কঠিন হয়ে উঠেছে। দুর্নীতির মামলায় বিচারাধীন এই নেতা এখন ভোটারদের বোঝানোর চেষ্টা করছেন, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এখনও তিনিই সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি।
১০ ঘণ্টা আগে
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর অন্তর্বর্তীকালীন ইরান যুদ্ধ চুক্তিকে একটি স্থায়ী আঞ্চলিক চুক্তিতে রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা আবারও জোরদার হয়েছে। এই আলোচনার অংশ হিসেবে মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি উভয়েই সুইজারল্যান্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন বলে এক্সিওসের বরাতে জানিয়ে
১২ ঘণ্টা আগে