
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

কাশ্মিরের পহেলগামে হামলার জের ধরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের পাঁচটি পদক্ষেপ নিয়েছিল ভারত। এবার সেসব পদক্ষেপের পালটা জবাব দিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি বৈঠক করে ভারতীয় নাগরিকদের ভিসা স্থগিত, ভারতের বিমানের জন্য আকাশসীমা বন্ধ এবং ভারতের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধের ঘোষণাসহ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দিনভর পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটিসহ অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও দপ্তর ব্যস্ত সময় কাটিয়েছে। এসব বৈঠক থেকেই ভারতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।
এদিকে বুধবার ভারত তার নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিতের কথা জানিয়েছিল। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এই চুক্তি স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের কার্যালয়।
বিবৃতিতে ইসলামাবাদ ‘কঠোর ভাষায়’ ওই চুক্তি স্থগিতের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে। বিবৃতিতে বলা হয়, পানি বন্ধ বা অন্য দিকে প্রবাহিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা ‘যুদ্ধের উসকানি’ হিসেবে বিবেচনা করবে পাকিস্তান। জাতীয় ক্ষমতার পূর্ণ শক্তি দিয়ে এর প্রতিক্রিয়া জানানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।
ভারতের বিরুদ্ধে পালটা ব্যবস্থা হিসেবে ভারতের সঙ্গে সব ধরনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তও নিয়েছে পাকিস্তান। তাৎক্ষণিকভাবে ওয়াগাহ সীমান্ত বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। ভারতের মতো তারা স্থগিত করেছে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ‘বিনা ভিসা প্রকল্পের’ আওতায় দেওয়া সব ভিসা।
ইসলামাবাদে ভারতীয় হাইকমিশনে কূটনীতিকদের সংখ্যা ৩০ জনে কমিয়ে আনতে এবং ভারতীয় প্রতিরক্ষা, নৌ ও বিমান উপদেষ্টাদের ৩০ এপ্রিলের আগে পাকিস্তান ছেড়ে যেতে বলা হয়েছে। ভারতও বুধবার কূটনৈতিক মিশন ও কর্মকর্তাদের সংখ্যার বিষয়ে একই ধরনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল।
এদিকে ভারতীয় মালিকানাধীন বা ভারতীয়দের দ্বারা পরিচালিত বিমান সংস্থাগুলোর জন্য আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তান। ভারতের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যও স্থগিত করা হয়েছে।

কাশ্মিরের পহেলগামে হামলার জের ধরে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের পাঁচটি পদক্ষেপ নিয়েছিল ভারত। এবার সেসব পদক্ষেপের পালটা জবাব দিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কমিটি বৈঠক করে ভারতীয় নাগরিকদের ভিসা স্থগিত, ভারতের বিমানের জন্য আকাশসীমা বন্ধ এবং ভারতের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্য বন্ধের ঘোষণাসহ বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) দিনভর পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা কমিটিসহ অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও দপ্তর ব্যস্ত সময় কাটিয়েছে। এসব বৈঠক থেকেই ভারতের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পদক্ষেপের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে।
এদিকে বুধবার ভারত তার নেওয়া সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে সিন্ধু পানি চুক্তি স্থগিতের কথা জানিয়েছিল। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে এই চুক্তি স্থগিতের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফের কার্যালয়।
বিবৃতিতে ইসলামাবাদ ‘কঠোর ভাষায়’ ওই চুক্তি স্থগিতের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে। বিবৃতিতে বলা হয়, পানি বন্ধ বা অন্য দিকে প্রবাহিত করার যেকোনো প্রচেষ্টা ‘যুদ্ধের উসকানি’ হিসেবে বিবেচনা করবে পাকিস্তান। জাতীয় ক্ষমতার পূর্ণ শক্তি দিয়ে এর প্রতিক্রিয়া জানানো হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।
ভারতের বিরুদ্ধে পালটা ব্যবস্থা হিসেবে ভারতের সঙ্গে সব ধরনের দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তও নিয়েছে পাকিস্তান। তাৎক্ষণিকভাবে ওয়াগাহ সীমান্ত বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। ভারতের মতো তারা স্থগিত করেছে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ‘বিনা ভিসা প্রকল্পের’ আওতায় দেওয়া সব ভিসা।
ইসলামাবাদে ভারতীয় হাইকমিশনে কূটনীতিকদের সংখ্যা ৩০ জনে কমিয়ে আনতে এবং ভারতীয় প্রতিরক্ষা, নৌ ও বিমান উপদেষ্টাদের ৩০ এপ্রিলের আগে পাকিস্তান ছেড়ে যেতে বলা হয়েছে। ভারতও বুধবার কূটনৈতিক মিশন ও কর্মকর্তাদের সংখ্যার বিষয়ে একই ধরনের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল।
এদিকে ভারতীয় মালিকানাধীন বা ভারতীয়দের দ্বারা পরিচালিত বিমান সংস্থাগুলোর জন্য আকাশসীমা বন্ধ করে দিয়েছে পাকিস্তান। ভারতের সঙ্গে সব ধরনের বাণিজ্যও স্থগিত করা হয়েছে।

অন্যদিকে ইরান জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে নতুন নৌ পথ নির্ধারণের বিষয়ে ওমানের সঙ্গে একটি সমঝোতার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে তারা। তবে তেহরান স্পষ্ট করে দিয়েছে, এমন কোনো সমঝোতা হলেও প্রণালিটি যুদ্ধ শুরুর আগের অবস্থায় ফিরে যাবে না।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হামলাকারীরা অনেক বাড়িতে আগুন দিয়েছে। এর মধ্যে একটি বাড়িতে আগুন দিলে পরিবারের সদস্যরা বের হতে পারেননি। ঘরে বন্দি হয়ে আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয় ওই বাড়িতে থাকা ছয়জনের।
৫ ঘণ্টা আগে
আজিম প্রেমজি বিশ্ববিদ্যালয় প্রকাশিত ‘স্টেট অব ওয়ার্কিং ইন্ডিয়া ২০২৬’ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০ থেকে ২৯ বছর বয়সী স্নাতকের সংখ্যা ১৯৮৩ সালের ৫০ লাখ থেকে বেড়ে এখন ছয় কোটি ৩০ লাখে পৌঁছেছে। একই সময়ে বেকার স্নাতকের সংখ্যা সাত লাখ থেকে বেড়ে হয়েছে প্রায় এক কোটি ১০ লাখ। অর্থাৎ চার দশকে স্নাতকের সংখ্যা ১৩ গুণ
৬ ঘণ্টা আগে
শ্রীলঙ্কা পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) সঞ্জীবা মেদাওয়াত্তে সাংবাদিকদের জানান, 'সেনাবাহিনী ও এসটিএফ কমান্ডোদের যৌথ সহায়তায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এবং বন্দিদের আবার তাদের কক্ষে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে।'
১ দিন আগে