
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পৃথক দুটি বোমা হামলা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গোলাগুলিতে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও তিনজন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে এ হামলাগুলো ঘটে। এসব ঘটনায় আরও অন্তত এক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পাকিস্তানের আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা বাহিনী ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত চলছে। সরকারি স্থাপনা, তল্লাশি চৌকি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে প্রায়ই হামলার ঘটনা ঘটছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাজাউর জেলায় একটি তল্লাশি চৌকির কাছে বিস্ফোরকবোঝাই একটি যানবাহন দেয়ালে ধাক্কা দিলে সঙ্গে সঙ্গে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই নিরাপত্তা বাহিনীর ১১ সদস্য ও এক কন্যাশিশু নিহত হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের কয়েকটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশের একটি ভবন ধসে আরও এক কন্যাশিশু নিহত এবং অন্তত সাতজন আহত হন।
সেনাবাহিনী এ ঘটনাকে ‘কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলা’ আখ্যা দিয়ে হামলার পেছনে “ভারতীয় মদতপুষ্ট” গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছে। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, বিস্ফোরকভর্তি গাড়িটি বাজাউর জেলার একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেয়ালে আঘাত হানে, ফলে বিস্ফোরণের মাত্রা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
অন্যদিকে পৃথক আরেক ঘটনায় বান্নু শহরের মিরইয়ান পুলিশ স্টেশনে একটি রিকশায় রাখা বোমার বিস্ফোরণে দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও ১৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে চলতি মাসে রাজধানী ইসলামাবাদ-এর একটি শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে ৩১ জন নিহত ও ১৬৯ জন আহত হন। পরে ওই হামলার দায় স্বীকার করে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।
সাম্প্রতিক এসব হামলার পর পাকিস্তানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তল্লাশি ও অভিযান বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাকিস্তানকে আরও সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করতে হবে।

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পৃথক দুটি বোমা হামলা এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে জঙ্গিদের গোলাগুলিতে অন্তত ১৭ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৪ জন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও তিনজন বেসামরিক নাগরিক রয়েছেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। মঙ্গলবার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সোমবার খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে এ হামলাগুলো ঘটে। এসব ঘটনায় আরও অন্তত এক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। পাকিস্তানের আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তা বাহিনী ও বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘাত চলছে। সরকারি স্থাপনা, তল্লাশি চৌকি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে প্রায়ই হামলার ঘটনা ঘটছে।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাজাউর জেলায় একটি তল্লাশি চৌকির কাছে বিস্ফোরকবোঝাই একটি যানবাহন দেয়ালে ধাক্কা দিলে সঙ্গে সঙ্গে শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ঘটনাস্থলেই নিরাপত্তা বাহিনীর ১১ সদস্য ও এক কন্যাশিশু নিহত হয়। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের কয়েকটি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশের একটি ভবন ধসে আরও এক কন্যাশিশু নিহত এবং অন্তত সাতজন আহত হন।
সেনাবাহিনী এ ঘটনাকে ‘কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসী হামলা’ আখ্যা দিয়ে হামলার পেছনে “ভারতীয় মদতপুষ্ট” গোষ্ঠীর সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলেছে। তবে এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা এএফপিকে জানান, বিস্ফোরকভর্তি গাড়িটি বাজাউর জেলার একটি ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দেয়ালে আঘাত হানে, ফলে বিস্ফোরণের মাত্রা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে।
অন্যদিকে পৃথক আরেক ঘটনায় বান্নু শহরের মিরইয়ান পুলিশ স্টেশনে একটি রিকশায় রাখা বোমার বিস্ফোরণে দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত এবং আরও ১৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এর আগে চলতি মাসে রাজধানী ইসলামাবাদ-এর একটি শিয়া মসজিদে আত্মঘাতী বিস্ফোরণে ৩১ জন নিহত ও ১৬৯ জন আহত হন। পরে ওই হামলার দায় স্বীকার করে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)।
সাম্প্রতিক এসব হামলার পর পাকিস্তানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তল্লাশি ও অভিযান বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। বিশ্লেষকদের মতে, বিদ্যমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পাকিস্তানকে আরও সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি কৌশল গ্রহণ করতে হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর নজরদারি ড্রোন ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’ হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় নিখোঁজ হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ড্রোনটি উড়ন্ত অবস্থায় জরুরি সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিল। এটি বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি ভূপাতিত করা হয়েছে— এ বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
৫ ঘণ্টা আগে
আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৯৬ দশমিক ৭৫ ডলারে পৌঁছেছে, যা আগের তুলনায় প্রায় শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ বেশি। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রুড তেলের দামও ১ শতাংশের বেশি বৃদ্ধি।
৫ ঘণ্টা আগে
আটকে থাকা জাহাজগুলোর নাবিকদের মানসিক অবস্থার অবনতি নতুন করে দাবি তুলেছে— জাহাজ মালিকদের উচিত তাদের বদলে নতুন ক্রু পাঠানো। আন্তর্জাতিক নৌবিধি অনুযায়ী, বিপজ্জনক এলাকায় নাবিকদের জোর করে কাজ করানো যায় না। তবে এমন অনেকেই আছেন, যারা বাধ্য হয়ে এই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ নিতে পারেন।
৬ ঘণ্টা আগে
আব্বাস আসলানি জানান, লেবাননে ইসরায়েলি হামলা চলতে থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের সংলাপে বসতে রাজি নয় ইরান। তিনি বলেন, "ইরানি প্রতিনিধি দল এখনো তেহরান থেকে রওনা দেয়নি। তাদের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যতক্ষণ লেবাননে হামলা চলবে, ততক্ষণ ইসলামাবাদে কোনো আলোচনা হবে না।"
৬ ঘণ্টা আগে