
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বর্তমান বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন সরকার। রোববার ভারতের ইংরেজি দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বর্তমান হাইকমিশনার প্রণয় বর্মা বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চলেছেন। তাঁর জায়গায় অভিজ্ঞ রাজনীতিক ৭৫ বছর বয়সী দীনেশ ত্রিবেদীকে পাঠানো হচ্ছে।
দীনেশ ত্রিবেদী মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের সময় ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুর আসনের লোকসভা সদস্য ছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) হয়ে রাজনীতি করলেও ২০২১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেন এবং ওই বছরের ৬ মার্চ ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ত্রিবেদীর নিয়োগের মাধ্যমে মোদি সরকার এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে রাষ্ট্রদূত নিয়োগের ক্ষেত্রে তারা কেবল ভারতীয় পররাষ্ট্র ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভর করতে চায় না। বরং প্রয়োজনে ঝানু রাজনৈতিক নেতাদেরও এই দায়িত্ব দেওয়া হবে।
এর আগে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল দলবীর সিং সুহাগ ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সেশেলসে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে ঢাকায় ত্রিবেদীর মতো ‘হেভিওয়েট’ নেতাকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভারতীয় উপমহাদেশে এখন আর কেবল ‘সুসময়ের বন্ধু’ রাষ্ট্রদূতদের যুগ নেই। বরং বর্তমান অস্থিতিশীল ও জটিল প্রেক্ষাপটে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক সামলাতে ভারত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের ওপরই আস্থা রাখছে।
দীনেশ ত্রিবেদীর দায়িত্ব গ্রহণের জন্য ঢাকা থেকে তারিক রহমান সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমতির অপেক্ষা করা হচ্ছে। অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই তিনি ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে যোগ দেবেন।

ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বর্তমান বিজেপি নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকে বাংলাদেশে ভারতীয় হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন সরকার। রোববার ভারতের ইংরেজি দৈনিক হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বর্তমান হাইকমিশনার প্রণয় বর্মা বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ভারতের রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে চলেছেন। তাঁর জায়গায় অভিজ্ঞ রাজনীতিক ৭৫ বছর বয়সী দীনেশ ত্রিবেদীকে পাঠানো হচ্ছে।
দীনেশ ত্রিবেদী মনমোহন সিংয়ের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ সরকারের সময় ভারতের কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুর আসনের লোকসভা সদস্য ছিলেন। তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) হয়ে রাজনীতি করলেও ২০২১ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি দল থেকে পদত্যাগ করেন এবং ওই বছরের ৬ মার্চ ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ত্রিবেদীর নিয়োগের মাধ্যমে মোদি সরকার এটি স্পষ্ট করে দিয়েছে, গুরুত্বপূর্ণ দেশগুলোতে রাষ্ট্রদূত নিয়োগের ক্ষেত্রে তারা কেবল ভারতীয় পররাষ্ট্র ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভর করতে চায় না। বরং প্রয়োজনে ঝানু রাজনৈতিক নেতাদেরও এই দায়িত্ব দেওয়া হবে।
এর আগে সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল দলবীর সিং সুহাগ ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত সেশেলসে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তবে ঢাকায় ত্রিবেদীর মতো ‘হেভিওয়েট’ নেতাকে পাঠানোর সিদ্ধান্ত ইঙ্গিত দিচ্ছে, ভারতীয় উপমহাদেশে এখন আর কেবল ‘সুসময়ের বন্ধু’ রাষ্ট্রদূতদের যুগ নেই। বরং বর্তমান অস্থিতিশীল ও জটিল প্রেক্ষাপটে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক সামলাতে ভারত প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বদের ওপরই আস্থা রাখছে।
দীনেশ ত্রিবেদীর দায়িত্ব গ্রহণের জন্য ঢাকা থেকে তারিক রহমান সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমতির অপেক্ষা করা হচ্ছে। অনুমোদনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই তিনি ঢাকায় ভারতের পরবর্তী হাইকমিশনার হিসেবে যোগ দেবেন।

ইরান যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ যে নৌ রুটে পরিবাহিত হতো, সেই হরমুজ প্রণালির ওপর ইরানের এই কঠোর নিয়ন্ত্রণ বৈশ্বিক অর্থনীতিকে বড় সংকটে ফেলেছে। সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরান কীভাবে এই কৌশলগত চোকপয়েন্টের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করছে, তা উন্মোচন করতে রয়টার্স ২০ জন সংশ্
৮ ঘণ্টা আগে
এরপরই অনুপ্রবেশ নিয়ে মুখ খোলেন শুভেন্দু অধিকারী। বলেন, বিএসএফের সঙ্গে সুদৃঢ় বন্ধন তৈরি করে আমরা রাজ্য ও দেশকে সুরক্ষিত করব। ভারত সরকারের পক্ষ থেকে ২০২৫ সালের ১৪ মে অবৈধ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দেওয়ার জন্য নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছিল। আমাদের আগের সরকার একদিকে শরণার্থীদের সি
১৮ ঘণ্টা আগে
চীনের জন্য এই সফর দুটি প্রমাণ করে যে, দেশটির বিশাল অর্থনীতি এবং নতুন কূটনৈতিক প্রভাবের কারণে এখন সব পথই বেইজিংয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। দুই সফরের বাহ্যিক দৃশ্যপট প্রায় একই রকম ছিল— স্বাগতিক হিসেবে শি জিনপিং বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন। তবে ট্রাম্পের সফরের সঙ্গে পুতিনের সফরের পেছনের রাজনীতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
২১ ঘণ্টা আগে