
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে অসুস্থতা তাদের আন্দোলনের গতি কমাতে পারবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, শনিবার (২৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় দিপকে বলেন, গত কয়েক দিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অসুস্থতার মধ্যেও দেশ জুড়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য সিজেপির সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান তিনি। একই সঙ্গে বলেন, এই আন্দোলন শেষ পর্যন্ত তার লক্ষ্য অর্জন করবে।
দিপকে বলেন, “আপনারা জানেন, গত কয়েক দিন ধরে আমি অসুস্থ। পরীক্ষার রিপোর্ট এসেছে এবং তাতে আমার টাইফয়েড ধরা পড়েছে।”
তিনি জানান, বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে এবং প্রতিদিন শিরায় (আইভি) ওষুধ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, “আমার চিকিৎসা চলছে। প্রতিদিন আইভি ড্রিপ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমি দেশ জুড়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া সব ‘ককরোচ’কে ধন্যবাদ জানাতে চাই।”
আন্দোলনকে আরও বিস্তৃত করার জন্য সমর্থকদের অভিনন্দন জানিয়ে দিপকে বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকলে তাদের মূল দাবি— কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ আদায় করা সম্ভব হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
তিনি বলেন, “এই আন্দোলনকে এত বড় সফলতায় পরিণত করার জন্য আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন। আমি নিশ্চিত, আমরা যদি এভাবেই আন্দোলন চালিয়ে যাই, তাহলে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ আদায় করতে পারব।”
প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে সিজেপির নেতৃত্বে এই আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা পরীক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা, নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষায় সংস্কার আনা এবং ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছেন।
এই আন্দোলনে শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকসহ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি সমর্থন জানিয়েছেন। ওয়াংচুক গত ২৮ জুন আন্দোলনে যোগ দেন এবং অনশন শুরু করেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তিনি ২৬ দিনের অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। সরকারের পক্ষ থেকে তার গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো পূরণের আশ্বাস পাওয়ার পর তিনি অনশন ভাঙেন।
কেন্দ্রীয় সরকার তাকে লিখিতভাবে আশ্বাস দেয় যে, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা হবে না, সংসদে পরীক্ষা সংস্কার ও জবাবদিহির বিষয়টি আলোচনা হবে এবং নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে।
তবে সোনম ওয়াংচুক অনশন শেষ করলেও সিজেপি জানিয়েছে, ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত দিল্লির যন্তর মন্তরে তাদের অবস্থান কর্মসূচি ও আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়েছেন। তবে অসুস্থতা তাদের আন্দোলনের গতি কমাতে পারবে না বলে জানিয়েছেন তিনি। শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে চলমান আন্দোলন অব্যাহত থাকবে বলেও অঙ্গীকার করেছেন তিনি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, শনিবার (২৫ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় দিপকে বলেন, গত কয়েক দিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
অসুস্থতার মধ্যেও দেশ জুড়ে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার জন্য সিজেপির সমর্থকদের ধন্যবাদ জানান তিনি। একই সঙ্গে বলেন, এই আন্দোলন শেষ পর্যন্ত তার লক্ষ্য অর্জন করবে।
দিপকে বলেন, “আপনারা জানেন, গত কয়েক দিন ধরে আমি অসুস্থ। পরীক্ষার রিপোর্ট এসেছে এবং তাতে আমার টাইফয়েড ধরা পড়েছে।”
তিনি জানান, বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে এবং প্রতিদিন শিরায় (আইভি) ওষুধ দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, “আমার চিকিৎসা চলছে। প্রতিদিন আইভি ড্রিপ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমি দেশ জুড়ে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া সব ‘ককরোচ’কে ধন্যবাদ জানাতে চাই।”
আন্দোলনকে আরও বিস্তৃত করার জন্য সমর্থকদের অভিনন্দন জানিয়ে দিপকে বলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলন অব্যাহত থাকলে তাদের মূল দাবি— কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ আদায় করা সম্ভব হবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।
তিনি বলেন, “এই আন্দোলনকে এত বড় সফলতায় পরিণত করার জন্য আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন। আমি নিশ্চিত, আমরা যদি এভাবেই আন্দোলন চালিয়ে যাই, তাহলে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ আদায় করতে পারব।”
প্রতিযোগিতামূলক বিভিন্ন পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে সিজেপির নেতৃত্বে এই আন্দোলন শুরু হয়। আন্দোলনকারীরা পরীক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহি নিশ্চিত করা, নিয়োগ ও ভর্তি পরীক্ষায় সংস্কার আনা এবং ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে আসছেন।
এই আন্দোলনে শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুকসহ কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি সমর্থন জানিয়েছেন। ওয়াংচুক গত ২৮ জুন আন্দোলনে যোগ দেন এবং অনশন শুরু করেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তিনি ২৬ দিনের অনশন কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন। সরকারের পক্ষ থেকে তার গুরুত্বপূর্ণ দাবিগুলো পূরণের আশ্বাস পাওয়ার পর তিনি অনশন ভাঙেন।
কেন্দ্রীয় সরকার তাকে লিখিতভাবে আশ্বাস দেয় যে, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা হবে না, সংসদে পরীক্ষা সংস্কার ও জবাবদিহির বিষয়টি আলোচনা হবে এবং নিট প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের বিষয়টি ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করা হবে।
তবে সোনম ওয়াংচুক অনশন শেষ করলেও সিজেপি জানিয়েছে, ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত দিল্লির যন্তর মন্তরে তাদের অবস্থান কর্মসূচি ও আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।

নিট পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে ২০ জুলাই ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে যেন কোনো আইনি ব্যবস্থা নেওয়া না হয়— এটিকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়েছিলেন সোনম ওয়াংচুক। আর সে কারণেই কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াই ২৬ দিনের অনশন
৩ ঘণ্টা আগে
বর্তমানে দিল্লিতে চলমান এই বিক্ষোভ সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বড় ছাত্র আন্দোলনে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপস্থিতি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানানোর পাশাপাশি জাতীয় রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় অবস্থানের বার্তাও স্পষ্ট করবে।
৫ ঘণ্টা আগে
নাসার এক মুখপাত্র বিবৃতিতে জানান, “দাবানল এমডিএসসিসি কেন্দ্রের সীমানার মধ্য দিয়ে অতিক্রম করেছে। কেন্দ্রের সব কর্মীকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। পরিস্থিতি নিরাপদ হলে সেখানকার সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।”
৫ ঘণ্টা আগে
স্পেন সরকার জাতীয় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে। প্রায় ৬৩ হাজার মানুষকে এলাকা ছেড়ে নিরাপদ স্থানে চলে যেতে অথবা ঘরের ভেতরে অবস্থান করতে বলা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ২৫ হাজার মানুষকে সরাসরি এলাকা ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে