
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে মিত্রদের সামরিক সহায়তা পাচ্ছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাজ্য থেকে শুরু করে ফ্রান্স এবং এশিয়ার জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াও এগিয়ে আসতে রাজি হয়নি। এতে চরম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ট্রাম্প। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা না করলে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ‘খুব খারাপ হতে পারে’ বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ইরান ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা জোরদারের জন্য ইউরোপীয় মিত্রদের নৌ বাহিনী পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছিল ওয়াশিংটন। নিজ দেশের নৌ বাহিনী ব্যবহারের কথাও ট্রাম্প জানিয়েছিলেন।
ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, মার্কিন বাহিনী ওই প্রণালিতে পণ্যবাহী জাহাজের নিরাপত্তা দেবে। তবে মার্কিন নৌ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা এই উদ্যোগ নেবে না। এরপর ট্রাম্প খানিকটা পিছু হটে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, এমনকি চীনের কাছেও সামরিক সহায়তা চান।
ট্রাম্পের এ আহ্বানে সাড়া মেলেনি। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান জানিয়ে দেয়, তাদের জন্য যুদ্ধজাহাজ পাঠানো কঠিন। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স জানায়, তারাও সংঘাতে জড়াতে চায় না।
এরপর ট্রাম্প সহায়তার জন্য হাত বাড়ান ন্যাটো জোটের সদস্যদেশগুলোর দিকে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালির সুবিধাভোগী যারা, তাদের সহযোগিতার হাত বাড়ানো উচিত, যেন কোনো বাজে ঘটনা সেখানে না ঘটে।’
তবে সাড়া মেলেনি ট্রাম্পের সে আহ্বানেও। জার্মানি, স্পেন ও ইতালিসহ বেশ কয়েকটি দেশ সরাসরি সামরিক সহায়তা দিতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। মার্কিন আরেক মিত্র ও ন্যাটোর ঘনিষ্ঠ মিত্র অস্ট্রেলিয়াও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারাও সেখানে জাহাজ পাঠাবে না।
ইউরোপের কয়েকটি দেশ বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এরই মধ্যে অস্থির হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় এ যুদ্ধে তাদের সরাসরি সামরিক অংশগ্রহণ সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করবে। এ কারণে তারা সতর্ক অবস্থান নিতে ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিতে চায়।
যুক্তরাজ্য বা ডেনমার্কের মতো কিছু দেশ সীমিত সহায়তার সম্ভাবনা খোলা রেখেছে। তবে তারা বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পরিস্থিতি আরও বিবেচনা করা প্রয়োজন।
মিত্রদের এমন অবস্থানে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপের নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা রেখেছে। এখন যখন একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, তখন মিত্রদেরও দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া উচিত। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, যার সুবিধা শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপসহ বিশ্বের অনেক দেশই ভোগ করে। তাই এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যৌথ দায়িত্ব হওয়া উচিত।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ন্যাটো নিয়ে নিজের অবস্থান খুব স্পষ্ট ভাষাতেই জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের ন্যাটো নামের একটি জোট আছে। এই জোটের প্রতি আমরা অনেক উদারতা দেখিয়েছি। ইউক্রেন ইস্যুতে তাদের (ন্যাটো) সাহায্য করার কোনো প্রয়োজন ছিল না আমাদের। কিন্তু আমরা করেছি।
ট্রাম্প আরও বলেন, এখন দেখা যাক, তারা আমাদের সহায়তা করে কি না। যদি তাদের কাছ থেকে (সহায়তার বিষয়ে) কোনো সাড়া না পাওয়া যায় অথবা নেতিবাচক সাড়া আসে, তাহলে আমি মনে করি এটি ন্যাটোর ভবিষ্যতের জন্য খুব খারাপ হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এ পরিস্থিতি পশ্চিমা জোটের ভেতরের মতপার্থক্যকে আরও স্পষ্ট করেছে। অনেক ইউরোপীয় দেশ আশঙ্কা করছে, সরাসরি সামরিক ভূমিকা নিলে তারা ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।
অন্যদিকে ট্রাম্পের বক্তব্য ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ও মিত্রদের পারস্পরিক আস্থার প্রশ্নকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই জোটের কার্যকারিতা এখন নতুন করে পরীক্ষা দিতে পারে।
তবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সোমবার ডাউনিং স্ট্রিটে এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্টই হরমুজ প্রণালিতে ন্যাটোর সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটি কোনো ন্যাটো মিশন হবে না এবং এটি কখনো সেভাবে ভাবাও হয়নি।’
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাসও ব্রাসেলসে জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকের পর এ নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ইইউয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মধ্যপ্রাচ্যে একটি নৌ মিশন শক্তিশালী করার সুস্পষ্ট ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তবে আপাতত হরমুজ প্রণালি পর্যন্ত এর পরিধি বাড়ানোর কোনো আগ্রহ তাদের নেই।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা ‘ন্যাটোর যুদ্ধ নয়’ বলে উল্লেখ করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসও। তিনি বলেন, এ যুদ্ধের আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল জার্মানি বা ইউরোপের সঙ্গে পরামর্শ করেনি। জার্মানি এতে অংশ নেবে না।

ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি নিরাপদ রাখতে মিত্রদের সামরিক সহায়তা পাচ্ছেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাজ্য থেকে শুরু করে ফ্রান্স এবং এশিয়ার জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াও এগিয়ে আসতে রাজি হয়নি। এতে চরম ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ট্রাম্প। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তা না করলে ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ‘খুব খারাপ হতে পারে’ বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও এএফপির খবরে বলা হয়েছে, ইরান ঘিরে সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা জোরদারের জন্য ইউরোপীয় মিত্রদের নৌ বাহিনী পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছিল ওয়াশিংটন। নিজ দেশের নৌ বাহিনী ব্যবহারের কথাও ট্রাম্প জানিয়েছিলেন।
ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছিলেন, মার্কিন বাহিনী ওই প্রণালিতে পণ্যবাহী জাহাজের নিরাপত্তা দেবে। তবে মার্কিন নৌ বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, তারা এই উদ্যোগ নেবে না। এরপর ট্রাম্প খানিকটা পিছু হটে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের জন্য ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, এমনকি চীনের কাছেও সামরিক সহায়তা চান।
ট্রাম্পের এ আহ্বানে সাড়া মেলেনি। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান জানিয়ে দেয়, তাদের জন্য যুদ্ধজাহাজ পাঠানো কঠিন। যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স জানায়, তারাও সংঘাতে জড়াতে চায় না।
এরপর ট্রাম্প সহায়তার জন্য হাত বাড়ান ন্যাটো জোটের সদস্যদেশগুলোর দিকে। ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালির সুবিধাভোগী যারা, তাদের সহযোগিতার হাত বাড়ানো উচিত, যেন কোনো বাজে ঘটনা সেখানে না ঘটে।’
তবে সাড়া মেলেনি ট্রাম্পের সে আহ্বানেও। জার্মানি, স্পেন ও ইতালিসহ বেশ কয়েকটি দেশ সরাসরি সামরিক সহায়তা দিতে অনাগ্রহ দেখিয়েছে। মার্কিন আরেক মিত্র ও ন্যাটোর ঘনিষ্ঠ মিত্র অস্ট্রেলিয়াও সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারাও সেখানে জাহাজ পাঠাবে না।
ইউরোপের কয়েকটি দেশ বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এরই মধ্যে অস্থির হয়ে উঠেছে। এ অবস্থায় এ যুদ্ধে তাদের সরাসরি সামরিক অংশগ্রহণ সংঘাতকে আরও বিস্তৃত করবে। এ কারণে তারা সতর্ক অবস্থান নিতে ও কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্ব দিতে চায়।
যুক্তরাজ্য বা ডেনমার্কের মতো কিছু দেশ সীমিত সহায়তার সম্ভাবনা খোলা রেখেছে। তবে তারা বলেছে, এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পরিস্থিতি আরও বিবেচনা করা প্রয়োজন।
মিত্রদের এমন অবস্থানে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, বহু বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ইউরোপের নিরাপত্তায় বড় ভূমিকা রেখেছে। এখন যখন একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক জলপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, তখন মিত্রদেরও দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়া উচিত। হরমুজ প্রণালি দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়, যার সুবিধা শুধু যুক্তরাষ্ট্র নয়, ইউরোপসহ বিশ্বের অনেক দেশই ভোগ করে। তাই এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যৌথ দায়িত্ব হওয়া উচিত।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ন্যাটো নিয়ে নিজের অবস্থান খুব স্পষ্ট ভাষাতেই জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমাদের ন্যাটো নামের একটি জোট আছে। এই জোটের প্রতি আমরা অনেক উদারতা দেখিয়েছি। ইউক্রেন ইস্যুতে তাদের (ন্যাটো) সাহায্য করার কোনো প্রয়োজন ছিল না আমাদের। কিন্তু আমরা করেছি।
ট্রাম্প আরও বলেন, এখন দেখা যাক, তারা আমাদের সহায়তা করে কি না। যদি তাদের কাছ থেকে (সহায়তার বিষয়ে) কোনো সাড়া না পাওয়া যায় অথবা নেতিবাচক সাড়া আসে, তাহলে আমি মনে করি এটি ন্যাটোর ভবিষ্যতের জন্য খুব খারাপ হবে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এ পরিস্থিতি পশ্চিমা জোটের ভেতরের মতপার্থক্যকে আরও স্পষ্ট করেছে। অনেক ইউরোপীয় দেশ আশঙ্কা করছে, সরাসরি সামরিক ভূমিকা নিলে তারা ইরানের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে।
অন্যদিকে ট্রাম্পের বক্তব্য ন্যাটোর ভবিষ্যৎ ও মিত্রদের পারস্পরিক আস্থার প্রশ্নকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই জোটের কার্যকারিতা এখন নতুন করে পরীক্ষা দিতে পারে।
তবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার সোমবার ডাউনিং স্ট্রিটে এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্টই হরমুজ প্রণালিতে ন্যাটোর সম্পৃক্ততার সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটি কোনো ন্যাটো মিশন হবে না এবং এটি কখনো সেভাবে ভাবাও হয়নি।’
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান কাজা কালাসও ব্রাসেলসে জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের এক বৈঠকের পর এ নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ইইউয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা মধ্যপ্রাচ্যে একটি নৌ মিশন শক্তিশালী করার সুস্পষ্ট ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। তবে আপাতত হরমুজ প্রণালি পর্যন্ত এর পরিধি বাড়ানোর কোনো আগ্রহ তাদের নেই।
ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা ‘ন্যাটোর যুদ্ধ নয়’ বলে উল্লেখ করেছেন জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসও। তিনি বলেন, এ যুদ্ধের আগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল জার্মানি বা ইউরোপের সঙ্গে পরামর্শ করেনি। জার্মানি এতে অংশ নেবে না।

ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসে একাধিক ড্রোন ও রকেট হামলা চালানো হয়েছে। ইরাকের নিরাপত্তা সূত্রগুলো জানিয়েছে, হামলা শুরুর পর থেকে এটি ছিল সবচেয়ে তীব্র আক্রমণ। তবে এ হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। তবে বাগদাদেই ইরানপন্থি সশস্ত্র গোষ্ঠীর এক ঘাঁটিতেও পালটা হামলা হয়েছে, যে
৩ ঘণ্টা আগে
শনি ও রোববার সরকারি ছুটি থাকায় শুক্রবারকে সাপ্তাহিক ছুটি ঘোষণা করার বিষয়েও আলোচনা ছিল। তবে শুক্রবার ছুটি ঘোষণা করলে টানা তিন দিন সরকারি অফিসগুলো বন্ধ থাকবে। এ বিষয়টি এড়াতে শুক্রবারের বদলে বুধবারকে বেছে নেওয়া হয়েছে ছুটির জন্য।
৫ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের এ আহ্বানে সাড়া মেলেনি একেবারেই। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, থেকে শুরু করে জাপান বা দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশগুলোর কেউই খুব একটা উৎসাহ দেখাননি ট্রাম্পের প্রস্তাবে। এমনকি ট্রাম্প শেষ পর্যন্ত চীনের প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানালে তারাও মুখ ঘুরিয়ে নিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
এদিকে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তেল আবিবে একটি ক্লাস্টার বোমা (গুচ্ছ বোমা) পড়ায় কাছাকাছি থাকা তিনজন ব্যক্তি সামান্য আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি পুলিশ।
১৯ ঘণ্টা আগে