
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বিরোধপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চল জুড়ে নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়েছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া। এতে দুই দেশের কমপক্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন৷ এ সীমান্তে নিজেদের ভূখণ্ড থেকে কম্বোডীয় বাহিনীকে সরিয়ে দিতে অভিযান চালাবে বলে জানিয়েছে থাইল্যান্ড।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপক্ষের মধ্যে নতুন করে এ সংঘাত শুরু হয়। এরপর আজ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সীমান্তে অভিযান চালানোর তথ্য দিয়েছে থাই বাহিনী।
এর আগে গত জুলাইয়েও থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘাত হয়। টানা পাঁচ দিনে সে সংঘাত যুদ্ধে রূপ নেয়, দুই পক্ষের কমপক্ষে ৪৮ জন নিহত ও তিন লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যস্থতায় অস্ত্রবিরতি হয়। সোমবার হওয়া সংঘর্ষের মাত্রা ছিল জুলাই সংঘর্ষের পর সবচেয়ে তীব্র।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, নতুন করে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষের জন্য দুপক্ষই একে অন্যকে দায়ী করেছে। কম্বোডিয়ায় এখন পর্যন্ত ছয়জন নিহত ও ৯ বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে থাই সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের এক সেনাসদস্য নিহত ও আরও ১৮ সেনা আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার সকালে এক বিবৃতিতে থাইল্যান্ডের নৌ বাহিনী বলেছে, থাই উপকূলীয় প্রদেশ ত্রাতের অভ্যন্তরে কম্বোডীয় বাহিনীর উপস্থিতি দেখা গেছে। তাদের সরিয়ে দিতে সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত সোমবার রাতে বলেন, ‘নিজেদের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারের অজুহাতে থাইল্যান্ড যেন কম্বোডীয় বেসামরিক গ্রামগুলোর ওপর সামরিক শক্তি প্রয়োগ না করে।’ এর আগে কম্বোডিয়া বলেছিল, তারা টানা হামলার শিকার হলেও পালটা হামলা চালায়নি।
অন্যদিকে থাইল্যান্ডের নৌ বাহিনী বলেছে, কম্বোডীয় বাহিনী সীমান্ত এলাকায় তাদের উপস্থিতি বাড়াচ্ছে, স্নাইপার ও ভারী অস্ত্র মোতায়েন করছে এবং নতুন পরিখা খনন করছে। এ কর্মকাণ্ডগুলো তারা থাইল্যান্ডের সার্বভৌমত্বের ওপর ‘গুরুতর হুমকি’ হিসেবে দেখছে।
থাইল্যান্ড এখন পর্যন্ত তাদের সীমান্তবর্তী পাঁচটি প্রদেশ থেকে চার লাখ ৩৮ হাজার বেসামরিক মানুষকে সরিয়ে নিয়েছে। কম্বোডিয়া সরকারও বলেছে, তাদের লক্ষাধিক নাগরিককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে ৮১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে। সীমান্তের অনির্ধারিত অংশগুলোর সার্বভৌমত্ব নিয়ে এক শতাব্দীর বেশি সময় ধরে বিরোধ চলছে দেশ দুটির মধ্যে।

বিরোধপূর্ণ সীমান্ত অঞ্চল জুড়ে নতুন করে সংঘর্ষে জড়িয়েছে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া। এতে দুই দেশের কমপক্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন৷ এ সীমান্তে নিজেদের ভূখণ্ড থেকে কম্বোডীয় বাহিনীকে সরিয়ে দিতে অভিযান চালাবে বলে জানিয়েছে থাইল্যান্ড।
সোমবার (৮ ডিসেম্বর) দুপক্ষের মধ্যে নতুন করে এ সংঘাত শুরু হয়। এরপর আজ মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) সীমান্তে অভিযান চালানোর তথ্য দিয়েছে থাই বাহিনী।
এর আগে গত জুলাইয়েও থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘাত হয়। টানা পাঁচ দিনে সে সংঘাত যুদ্ধে রূপ নেয়, দুই পক্ষের কমপক্ষে ৪৮ জন নিহত ও তিন লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যস্থতায় অস্ত্রবিরতি হয়। সোমবার হওয়া সংঘর্ষের মাত্রা ছিল জুলাই সংঘর্ষের পর সবচেয়ে তীব্র।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, নতুন করে শুরু হওয়া এ সংঘর্ষের জন্য দুপক্ষই একে অন্যকে দায়ী করেছে। কম্বোডিয়ায় এখন পর্যন্ত ছয়জন নিহত ও ৯ বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে থাই সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তাদের এক সেনাসদস্য নিহত ও আরও ১৮ সেনা আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার সকালে এক বিবৃতিতে থাইল্যান্ডের নৌ বাহিনী বলেছে, থাই উপকূলীয় প্রদেশ ত্রাতের অভ্যন্তরে কম্বোডীয় বাহিনীর উপস্থিতি দেখা গেছে। তাদের সরিয়ে দিতে সামরিক অভিযান শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আর কোনো বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানেত সোমবার রাতে বলেন, ‘নিজেদের সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধারের অজুহাতে থাইল্যান্ড যেন কম্বোডীয় বেসামরিক গ্রামগুলোর ওপর সামরিক শক্তি প্রয়োগ না করে।’ এর আগে কম্বোডিয়া বলেছিল, তারা টানা হামলার শিকার হলেও পালটা হামলা চালায়নি।
অন্যদিকে থাইল্যান্ডের নৌ বাহিনী বলেছে, কম্বোডীয় বাহিনী সীমান্ত এলাকায় তাদের উপস্থিতি বাড়াচ্ছে, স্নাইপার ও ভারী অস্ত্র মোতায়েন করছে এবং নতুন পরিখা খনন করছে। এ কর্মকাণ্ডগুলো তারা থাইল্যান্ডের সার্বভৌমত্বের ওপর ‘গুরুতর হুমকি’ হিসেবে দেখছে।
থাইল্যান্ড এখন পর্যন্ত তাদের সীমান্তবর্তী পাঁচটি প্রদেশ থেকে চার লাখ ৩৮ হাজার বেসামরিক মানুষকে সরিয়ে নিয়েছে। কম্বোডিয়া সরকারও বলেছে, তাদের লক্ষাধিক নাগরিককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে ৮১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ স্থলসীমান্ত রয়েছে। সীমান্তের অনির্ধারিত অংশগুলোর সার্বভৌমত্ব নিয়ে এক শতাব্দীর বেশি সময় ধরে বিরোধ চলছে দেশ দুটির মধ্যে।

ঘরবাড়ি ছাড়া লাখো শিশুর শিক্ষাজীবন ও নিরাপত্তা যখন চরম অনিশ্চয়তার মুখে, তখন বিশ্বনেতাদের দ্রুত হস্তক্ষেপের আহ্বান জানিয়ে ইউনিসেফ সতর্ক করেছে—এই সহিংসতা অবিলম্বে বন্ধ না হলে নিহতের মিছিল আরও দীর্ঘ হবে।
১৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশটির সামরিক তদন্তকারীরা ধারণা করছেন এই হামলার পেছনে মার্কিন বাহিনীই দায়ী হতে পারে। তবে পেন্টাগন এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছায়নি এবং বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে।
১৬ ঘণ্টা আগে
‘কর্তৃপক্ষ আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এনেছে এবং সব বাসিন্দা নিরাপদ রয়েছেন। কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।’ তবে ড্রোনটি কোথা থেকে এসেছে, সে বিষয়ে ওই পোস্টে কিছু উল্লেখ করা হয়নি।
১৭ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১১ মার্চ) ছিল ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের দ্বাদশ দিন। আগের ১১ দিনের মতোই এ দিনই উভয় পক্ষই হামলা-পালটা হামলা অব্যাহত রেখেছে। বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ১২ দিনে এসেও দুপক্ষের কেউই কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে নারাজ বলেই জানিয়েছে।
১ দিন আগে