
ডয়চে ভেলে

২০২২-২০২৩ সালে প্রতি চার দিনে একজন সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শাস্তি হয়নি বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইউনেস্কো জানায়, বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের হত্যার ঘটনা আগের দুই বছরের তুলনায় ২০২২-২০২৩ সালে ৩৮ শতাংশ বেড়েছে। এই সময়ে ১৬২ জন সাংবাদিককে হত্যার নিশ্চিত তথ্য দিয়েছে সংস্থাটি।
এক বিবৃতিতে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক অড্রে আজোলে বলেন, ‘২০২২ এবং ২০২৩ সালে প্রকৃত সত্য খুঁজে বের করার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকালে প্রতি চার দিনে একজন সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন।
বিপজ্জনক অঞ্চল
২০২২ এবং ২০২৩ সালে সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের অর্ধেকেরও বেশি সংগঠিত হয়েছে সংঘাত ও সহিংসতা প্রবণ অঞ্চলে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাংবাদিকেরা তাদের নিজ দেশেই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংগঠিত অপরাধ বা দুর্নীতি নিয়ে কাজ করার সময় কিংবা বিক্ষোভের প্রতিবেদন করার সময় হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন সাংবাদিকেরা। ২০২২ সালে মেক্সিকোতে সর্বোচ্চ ১৯ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে৷ আর ২০২৩ সালের সর্বোচ্চ ২৪ জন সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন ফিলিস্তিন অঞ্চলে।
প্রতিবেদনটিতে সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে ল্যাটিন অ্যামেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং আরব দেশগুলোকে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে উত্তর অ্যামেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপ সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে কম বিপজ্জনক অঞ্চল ছিল৷ এসব অঞ্চলে মোট ছয় জন সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন।
২০২২-২০২৩ সালে হত্যাকাণ্ডের শিকার সাংবাদিকদের মধ্যে নারী সাংবাদিক ছিলেন ১৪ জন (নয় শতাংশ)।
অবারিত দায়মুক্তি
প্রতিবেদনে দেখা গেছে,বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া হয়নি। ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাংবাদিক হত্যা নিয়ে দায়ের করা মামলার ৮৫ শতাংশ এখনও অমীমাংসিত।
২০১৮ সালের হিসাবে দেখা গেছে, সংখ্যাটি ছিল ৮৯ শতাংশ৷ ২০১২ সালে দায়মুক্তির হার ছিল ৯৫ শতাংশ। ইউনেস্কোর মহাপরিচালক অড্রে আজোলে বলেন, ‘এই অপরাধগুলোর অবশ্যই শাস্তি হওয়া উচিত৷ কিন্তু বাস্তবতা হলো ৮৫ শতাংশ ঘটনা এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে।’
প্যারিসভিত্তিক সংস্থাটির দ্বিবার্ষিক প্রতিবেদনে বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তার অবস্থা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

২০২২-২০২৩ সালে প্রতি চার দিনে একজন সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এসব হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শাস্তি হয়নি বলেও জানিয়েছে সংস্থাটি।
শনিবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ইউনেস্কো জানায়, বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের হত্যার ঘটনা আগের দুই বছরের তুলনায় ২০২২-২০২৩ সালে ৩৮ শতাংশ বেড়েছে। এই সময়ে ১৬২ জন সাংবাদিককে হত্যার নিশ্চিত তথ্য দিয়েছে সংস্থাটি।
এক বিবৃতিতে ইউনেস্কোর মহাপরিচালক অড্রে আজোলে বলেন, ‘২০২২ এবং ২০২৩ সালে প্রকৃত সত্য খুঁজে বের করার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনকালে প্রতি চার দিনে একজন সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন।
বিপজ্জনক অঞ্চল
২০২২ এবং ২০২৩ সালে সাংবাদিক হত্যাকাণ্ডের অর্ধেকেরও বেশি সংগঠিত হয়েছে সংঘাত ও সহিংসতা প্রবণ অঞ্চলে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সাংবাদিকেরা তাদের নিজ দেশেই হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংগঠিত অপরাধ বা দুর্নীতি নিয়ে কাজ করার সময় কিংবা বিক্ষোভের প্রতিবেদন করার সময় হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন সাংবাদিকেরা। ২০২২ সালে মেক্সিকোতে সর্বোচ্চ ১৯ জন সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে৷ আর ২০২৩ সালের সর্বোচ্চ ২৪ জন সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন ফিলিস্তিন অঞ্চলে।
প্রতিবেদনটিতে সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক এলাকা হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে ল্যাটিন অ্যামেরিকা, ক্যারিবীয় অঞ্চল এবং আরব দেশগুলোকে। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে উত্তর অ্যামেরিকা এবং পশ্চিম ইউরোপ সাংবাদিকদের জন্য সবচেয়ে কম বিপজ্জনক অঞ্চল ছিল৷ এসব অঞ্চলে মোট ছয় জন সাংবাদিক হত্যার শিকার হয়েছেন।
২০২২-২০২৩ সালে হত্যাকাণ্ডের শিকার সাংবাদিকদের মধ্যে নারী সাংবাদিক ছিলেন ১৪ জন (নয় শতাংশ)।
অবারিত দায়মুক্তি
প্রতিবেদনে দেখা গেছে,বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া হয়নি। ২০০৬ সাল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সাংবাদিক হত্যা নিয়ে দায়ের করা মামলার ৮৫ শতাংশ এখনও অমীমাংসিত।
২০১৮ সালের হিসাবে দেখা গেছে, সংখ্যাটি ছিল ৮৯ শতাংশ৷ ২০১২ সালে দায়মুক্তির হার ছিল ৯৫ শতাংশ। ইউনেস্কোর মহাপরিচালক অড্রে আজোলে বলেন, ‘এই অপরাধগুলোর অবশ্যই শাস্তি হওয়া উচিত৷ কিন্তু বাস্তবতা হলো ৮৫ শতাংশ ঘটনা এখনও অমীমাংসিত রয়ে গেছে।’
প্যারিসভিত্তিক সংস্থাটির দ্বিবার্ষিক প্রতিবেদনে বিশ্বজুড়ে সাংবাদিকদের নিরাপত্তার অবস্থা বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত থামাতে মধ্যস্থতার ভূমিকায় থাকার কথা বলেছিল বেইজিং। সেই অবস্থান ধরে রেখেই যদি গোপনে অস্ত্র সরবরাহ করা হয়, তবে তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
৪ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র এখন সামরিক শক্তি পুনর্বিন্যাসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং আগের চেয়ে আরও উন্নত অস্ত্র প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো না গেলে এসব সক্ষমতা ব্যবহার করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মধ্যেই লেবানন সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার আগে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা অপরিহার্য। একদিকে ইরান একে ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ বলে দাবি করলেও, ইসরায়েল লেবাননকে এই চুক্তির বাইরে রাখায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলও এই আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তান অভিমুখে রয়েছেন। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এই বৈঠকটি বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে