
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সহায়তা থাকুক বা না থাকুক, হরমুজ প্রণালি খুব শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের ফি বা টোল আরোপের পরিকল্পনাও মেনে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে নির্ধারিত শান্তি আলোচনা শুরুর আগে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘উপসাগর খুলে দেবে’ এবং এ কাজে অন্য কয়েকটি দেশও সহায়তায় প্রস্তুত রয়েছে।
তবে হরমুজ প্রণালি সচলের কাজটি সহজ হবে না স্বীকার করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি শুধু এটুকু বলব, আমরা খুব দ্রুত এটি খুলে দেব।’ তবে কীভাবে ওয়াশিংটন এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের অচলাবস্থা দূর করবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
তেহরান ইতোমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে, যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হলেও নিরাপদে চলাচলের জন্য জাহাজগুলোর কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা যদি এমনটা করতে চায়, আমরা তা হতে দেব না।’
মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেজ অ্যান্ড্রুজ থেকে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক না হতে পারে, সেটিই হবে শান্তিচুক্তির প্রধান শর্ত। তার ভাষায়, ‘পারমাণবিক অস্ত্র নয়— চুক্তির ৯৯ শতাংশই এটি।’ তিনি বলেন, এই শর্ত পূরণ হলে হরমুজ প্রণালি ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবেই খুলে যাবে’।
এর আগে গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল এখনো কার্যত স্থবির। এর ফলে বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ব্যাহত হচ্ছে।
বাজার বিশ্লেষণ সংস্থা এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার মাত্র দুটি জাহাজ প্রণালি অতিক্রম করেছে; আগের দিন এ সংখ্যা ছিল পাঁচ। যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা চালু থাকা মাত্র ২২টি জাহাজ প্রণালি ছেড়ে বেরিয়েছে, যেখানে যুদ্ধের আগে দৈনিক গড়ে ছিল প্রায় ১৩৫টি।
লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্স জানিয়েছে, প্রণালির অচলাবস্থার কারণে উপসাগরে এখনো ৬০০ এর বেশি জাহাজ আটকে আছে, যার মধ্যে ৩২৫টি ট্যাংকার। জ্বালানি বিশ্লেষক ম্যাট স্মিথ বলেন, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও পরিস্থিতির মৌলিক কোনো পরিবর্তন হয়নি। তার মতে, ইরান এখন কার্যত ‘গেটকিপার’ হিসেবে নিজস্ব ট্যাংকার ও মিত্রদের কিছু জাহাজকে সীমিতভাবে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে আজ শনিবার ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মাদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। তারা ইতোমধ্যে পাকিস্তানে পৌঁছেছেন। তবে আলোচনার শর্ত ও তেহরানের ১০ দফা পরিকল্পনা নিয়ে দুই পক্ষের বার্তায় এখনো অস্পষ্টতা রয়ে গেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সহায়তা থাকুক বা না থাকুক, হরমুজ প্রণালি খুব শিগগিরই খুলে দেওয়া হবে। একই সঙ্গে হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের ফি বা টোল আরোপের পরিকল্পনাও মেনে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন তিনি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) আল-জাজিরার খবরে বলা হয়, পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে নির্ধারিত শান্তি আলোচনা শুরুর আগে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘উপসাগর খুলে দেবে’ এবং এ কাজে অন্য কয়েকটি দেশও সহায়তায় প্রস্তুত রয়েছে।
তবে হরমুজ প্রণালি সচলের কাজটি সহজ হবে না স্বীকার করে ট্রাম্প আরও বলেন, ‘আমি শুধু এটুকু বলব, আমরা খুব দ্রুত এটি খুলে দেব।’ তবে কীভাবে ওয়াশিংটন এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের অচলাবস্থা দূর করবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
তেহরান ইতোমধ্যে ইঙ্গিত দিয়েছে, যুদ্ধ অবসানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হলেও নিরাপদে চলাচলের জন্য জাহাজগুলোর কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হতে পারে। এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘তারা যদি এমনটা করতে চায়, আমরা তা হতে দেব না।’
মেরিল্যান্ডের জয়েন্ট বেজ অ্যান্ড্রুজ থেকে এয়ার ফোর্স ওয়ানে ওঠার আগে ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান যেন কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক না হতে পারে, সেটিই হবে শান্তিচুক্তির প্রধান শর্ত। তার ভাষায়, ‘পারমাণবিক অস্ত্র নয়— চুক্তির ৯৯ শতাংশই এটি।’ তিনি বলেন, এই শর্ত পূরণ হলে হরমুজ প্রণালি ‘স্বয়ংক্রিয়ভাবেই খুলে যাবে’।
এর আগে গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির ঘোষণা এলেও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল এখনো কার্যত স্থবির। এর ফলে বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস পরিবহনের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ ব্যাহত হচ্ছে।
বাজার বিশ্লেষণ সংস্থা এসঅ্যান্ডপি গ্লোবাল মার্কেট ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার মাত্র দুটি জাহাজ প্রণালি অতিক্রম করেছে; আগের দিন এ সংখ্যা ছিল পাঁচ। যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ ব্যবস্থা চালু থাকা মাত্র ২২টি জাহাজ প্রণালি ছেড়ে বেরিয়েছে, যেখানে যুদ্ধের আগে দৈনিক গড়ে ছিল প্রায় ১৩৫টি।
লয়েডস লিস্ট ইন্টেলিজেন্স জানিয়েছে, প্রণালির অচলাবস্থার কারণে উপসাগরে এখনো ৬০০ এর বেশি জাহাজ আটকে আছে, যার মধ্যে ৩২৫টি ট্যাংকার। জ্বালানি বিশ্লেষক ম্যাট স্মিথ বলেন, যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও পরিস্থিতির মৌলিক কোনো পরিবর্তন হয়নি। তার মতে, ইরান এখন কার্যত ‘গেটকিপার’ হিসেবে নিজস্ব ট্যাংকার ও মিত্রদের কিছু জাহাজকে সীমিতভাবে চলাচলের অনুমতি দিচ্ছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে আজ শনিবার ইসলামাবাদে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স এবং ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মাদ বাঘের গালিবাফের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলের আলোচনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। তারা ইতোমধ্যে পাকিস্তানে পৌঁছেছেন। তবে আলোচনার শর্ত ও তেহরানের ১০ দফা পরিকল্পনা নিয়ে দুই পক্ষের বার্তায় এখনো অস্পষ্টতা রয়ে গেছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত থামাতে মধ্যস্থতার ভূমিকায় থাকার কথা বলেছিল বেইজিং। সেই অবস্থান ধরে রেখেই যদি গোপনে অস্ত্র সরবরাহ করা হয়, তবে তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
৪ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্পের ভাষায়, যুক্তরাষ্ট্র এখন সামরিক শক্তি পুনর্বিন্যাসের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং আগের চেয়ে আরও উন্নত অস্ত্র প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। কোনো সমঝোতায় পৌঁছানো না গেলে এসব সক্ষমতা ব্যবহার করা হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি।
৫ ঘণ্টা আগে
এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মধ্যেই লেবানন সরকার সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার আগে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি কার্যকর করা অপরিহার্য। একদিকে ইরান একে ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ বলে দাবি করলেও, ইসরায়েল লেবাননকে এই চুক্তির বাইরে রাখায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলও এই আলোচনায় অংশ নিতে পাকিস্তান অভিমুখে রয়েছেন। দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পর এই বৈঠকটি বিশ্ব রাজনীতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে