
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরায়েলের চালানো একটি ভয়াবহ হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন দেশটির দুই শীর্ষ পরমাণুবিজ্ঞানী। নিহতরা হলেন মোহাম্মদ মাহদি তেহরানচি ও ফারেইদুন আব্বাসি। শুক্রবার (১৩ জুন) ভোররাতে তেহরানের একাধিক আবাসিক ভবনে এই হামলা চালানো হয়।
হামলায় বহু বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। নিহত বিজ্ঞানীদের মধ্যে মোহাম্মদ মাহদি তেহরানচি ছিলেন ইসলামি আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট এবং ফারেইদুন আব্বাসি ছিলেন ইরানের পারমাণবিক শক্তি কমিশনের সাবেক প্রধান।
ঘটনার পরপরই তেহরানের ইমাম খোমেইনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সব ধরনের ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হামলার সময়সূচি ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন করা হয়েছে। কারণ মাত্র দুই দিন পরই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক আলোচনা শুরু হওয়ার কথা ছিল।
তেহরানে হামলার পূর্বাভাস আগেই পাওয়া গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার (১২ জুন) থেকেই গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সম্ভাব্য হামলার ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছিল। অবশেষে শুক্রবার ভোরে তা বাস্তবে রূপ নেয়।
ইসরায়েল জানায়, ‘নেশন অব লায়ন্স’ নামক একটি পূর্বপরিকল্পিত সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়। তাদের লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক ঘাঁটি এবং পারমাণবিক স্থাপনাগুলো।
টাইমস অব ইসরায়েল ও দেশটির সামরিক সূত্র জানিয়েছে, এই অভিযানে দুই ডজনেরও বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নেয় এবং তা সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের ভাষ্য, “এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পরমাণু কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা।”
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ ও প্রেস টিভির তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় তেহরানের আবাসিক এলাকায় নারী ও শিশুসহ বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
তবে ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা কেবলমাত্র সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে এবং বেসামরিক এলাকায় হামলার অভিযোগ তারা সরাসরি অস্বীকার করেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক বিবৃতিতে বলেন, “ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক হুমকি পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।” সূত্র: তাসনিম নিউজ, টাইমস অব ইসরায়েল, প্রেস টিভি

ইরানের রাজধানী তেহরানে ইসরায়েলের চালানো একটি ভয়াবহ হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন দেশটির দুই শীর্ষ পরমাণুবিজ্ঞানী। নিহতরা হলেন মোহাম্মদ মাহদি তেহরানচি ও ফারেইদুন আব্বাসি। শুক্রবার (১৩ জুন) ভোররাতে তেহরানের একাধিক আবাসিক ভবনে এই হামলা চালানো হয়।
হামলায় বহু বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে। নিহত বিজ্ঞানীদের মধ্যে মোহাম্মদ মাহদি তেহরানচি ছিলেন ইসলামি আজাদ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট এবং ফারেইদুন আব্বাসি ছিলেন ইরানের পারমাণবিক শক্তি কমিশনের সাবেক প্রধান।
ঘটনার পরপরই তেহরানের ইমাম খোমেইনি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সব ধরনের ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হামলার সময়সূচি ইচ্ছাকৃতভাবে নির্বাচন করা হয়েছে। কারণ মাত্র দুই দিন পরই ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক আলোচনা শুরু হওয়ার কথা ছিল।
তেহরানে হামলার পূর্বাভাস আগেই পাওয়া গিয়েছিল। বৃহস্পতিবার (১২ জুন) থেকেই গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সম্ভাব্য হামলার ব্যাপারে সতর্কতা জারি করেছিল। অবশেষে শুক্রবার ভোরে তা বাস্তবে রূপ নেয়।
ইসরায়েল জানায়, ‘নেশন অব লায়ন্স’ নামক একটি পূর্বপরিকল্পিত সামরিক অভিযানের অংশ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়। তাদের লক্ষ্য ছিল ইরানের সামরিক ঘাঁটি এবং পারমাণবিক স্থাপনাগুলো।
টাইমস অব ইসরায়েল ও দেশটির সামরিক সূত্র জানিয়েছে, এই অভিযানে দুই ডজনেরও বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নেয় এবং তা সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের ভাষ্য, “এই অভিযানের উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পরমাণু কর্মসূচি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করা।”
ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ ও প্রেস টিভির তথ্য অনুযায়ী, এই হামলায় তেহরানের আবাসিক এলাকায় নারী ও শিশুসহ বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
তবে ইসরায়েল দাবি করেছে, তারা কেবলমাত্র সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে এবং বেসামরিক এলাকায় হামলার অভিযোগ তারা সরাসরি অস্বীকার করেছে।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক বিবৃতিতে বলেন, “ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক হুমকি পুরোপুরি নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।” সূত্র: তাসনিম নিউজ, টাইমস অব ইসরায়েল, প্রেস টিভি

আলজাজিরা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সূত্রটি জানিয়েছে, গতকাল রাতে নিখোঁজ বিমানের ক্রুকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এরপর তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়। কিন্তু তখন ব্যাপক বাধার মুখেও পড়তে হয় তাদের।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ট্রাম্পের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ট্রাম্পকে ‘ভারসাম্যহীন’ বলে উল্লেখ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড। উলটো দেশটির এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য তাদের পক্ষ থ
১৯ ঘণ্টা আগে
আলজাজিরা খবরে বলা হয়, রাশিয়ার বিভিন্ন হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনে অন্তত ১৫ জন নিহত এবং আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। একই সময়ে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে ইস্তাম্বুলে বৈঠক করেছেন।
২০ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৪ এপ্রিল) ট্রাম্প নতুন এ আলটিমেটাম দেন ইরানকে। দুই দিন সময় বেঁধে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের হাতে আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা সময় আছে। এই সময়ের মধ্যে তারা সিদ্ধান্ত না নিলে তাদের ওপর ‘ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ’ বা ‘জাহান্নাম’ নেমে আসবে।
২০ ঘণ্টা আগে