
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

বেশ কয়েকজন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর এফ-১ ভিসা বাতিলের ঘটনায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে তিন ভারতীয় ও দুই চীনা শিক্ষার্থী মামলা করেছেন। একই অভিযোগে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এবং অন্যান্য অভিবাসন কর্মকর্তাদেরও মামলার আসামি করা হয়েছে।
আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ) শিক্ষার্থীদের পক্ষে নিউ হ্যাম্পশায়ারের মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে এই মামলা করেছে। মামলায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘একতরফাভাবে হাজার হাজার না হলেও অন্তত শত শত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর এফ-১ শিক্ষার্থীর মর্যাদা বাতিল করার’ অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলায় যা বলা হয়েছে
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীরা শুধু প্রত্যাবাসন বা ভিসা বাতিলের হুমকিই নয়, বরং ‘গুরুতর আর্থিক ও শিক্ষাগত সমস্যার’ সম্মুখীন হচ্ছেন। বিদেশি শিক্ষার্থীদের আইনি মর্যাদা বাতিল করার আগে সরকার প্রয়োজনীয় নোটিশ দেয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন চীনা নাগরিক হাংরুই ঝাং ও হাওয়াং আন এবং ভারতীয় নাগরিক লিংকিত বাবু গোরেলা, থানুজ কুমার গুম্মাডাভেলি ও মানিকান্ত পাসুলা।
হাংরুইয়ের এফ-১ ভিসা মর্যাদা বাতিলের কারণে তার গবেষণা সহকারীর পদ বাতিল হয়ে গেছে। হাওয়াং এরই মধ্যে প্রায় সোয়া তিন লাখ ডলার পড়াশোনার পেছনে খরচ করার পরও তার ডিগ্রি ত্যাগ করতে হতে পারে।
২০ মে গোরেলার ডিগ্রি শেষ করার কথা। কিন্তু বৈধ এফ-১ ভিসা ছাড়া তিনি তা করতে পারবেন না বা অতিরিক্ত প্রশিক্ষণের কর্মসূচিতেও অংশ নিতে পারবেন না। ডিগ্রি পেতে গুম্মাডাভেলি ও পাসুলার আরো এক সেমিস্টার বাকি।
যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন
ট্রাম্প প্রশাসন শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসানীতি কঠোর করার ফলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাডভোকেসি গ্রুপগুলোর মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ চীনা ও ভারতীয় শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবৃতি ও স্কুল কর্মকর্তাদের সঙ্গে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রের পর্যালোচনা অনুসারে, মার্চের শেষের দিক থেকে মার্কিন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক হাজারের বেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে, অথবা তাদের আইনি মর্যাদা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

বেশ কয়েকজন আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর এফ-১ ভিসা বাতিলের ঘটনায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে তিন ভারতীয় ও দুই চীনা শিক্ষার্থী মামলা করেছেন। একই অভিযোগে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ এবং অন্যান্য অভিবাসন কর্মকর্তাদেরও মামলার আসামি করা হয়েছে।
আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়ন (এসিএলইউ) শিক্ষার্থীদের পক্ষে নিউ হ্যাম্পশায়ারের মার্কিন ডিস্ট্রিক্ট কোর্টে এই মামলা করেছে। মামলায় ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে ‘একতরফাভাবে হাজার হাজার না হলেও অন্তত শত শত আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর এফ-১ শিক্ষার্থীর মর্যাদা বাতিল করার’ অভিযোগ আনা হয়েছে।
মামলায় যা বলা হয়েছে
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীরা শুধু প্রত্যাবাসন বা ভিসা বাতিলের হুমকিই নয়, বরং ‘গুরুতর আর্থিক ও শিক্ষাগত সমস্যার’ সম্মুখীন হচ্ছেন। বিদেশি শিক্ষার্থীদের আইনি মর্যাদা বাতিল করার আগে সরকার প্রয়োজনীয় নোটিশ দেয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।
আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছেন চীনা নাগরিক হাংরুই ঝাং ও হাওয়াং আন এবং ভারতীয় নাগরিক লিংকিত বাবু গোরেলা, থানুজ কুমার গুম্মাডাভেলি ও মানিকান্ত পাসুলা।
হাংরুইয়ের এফ-১ ভিসা মর্যাদা বাতিলের কারণে তার গবেষণা সহকারীর পদ বাতিল হয়ে গেছে। হাওয়াং এরই মধ্যে প্রায় সোয়া তিন লাখ ডলার পড়াশোনার পেছনে খরচ করার পরও তার ডিগ্রি ত্যাগ করতে হতে পারে।
২০ মে গোরেলার ডিগ্রি শেষ করার কথা। কিন্তু বৈধ এফ-১ ভিসা ছাড়া তিনি তা করতে পারবেন না বা অতিরিক্ত প্রশিক্ষণের কর্মসূচিতেও অংশ নিতে পারবেন না। ডিগ্রি পেতে গুম্মাডাভেলি ও পাসুলার আরো এক সেমিস্টার বাকি।
যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন
ট্রাম্প প্রশাসন শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসানীতি কঠোর করার ফলে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী, বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাডভোকেসি গ্রুপগুলোর মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ চীনা ও ভারতীয় শিক্ষার্থী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবৃতি ও স্কুল কর্মকর্তাদের সঙ্গে আদান-প্রদান করা চিঠিপত্রের পর্যালোচনা অনুসারে, মার্চের শেষের দিক থেকে মার্কিন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এক হাজারের বেশি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীর ভিসা বাতিল করা হয়েছে, অথবা তাদের আইনি মর্যাদা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক বিমান হামলায় টানা ৩৬ বছর ৬ মাস ইরানের রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত থাকা এই শীর্ষ নেতার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্ব রাজনীতিতে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। অবশেষে দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে তার শেষকৃত্যের তারিখ ঘোষণা করল দেশটির প্রশাসন।
১৩ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে বহুল প্রতীক্ষিত সমঝোতা চুক্তি সই হতে যাচ্ছে আগামীকাল রোববার (১৪ জুন)। তবে ইরানের পক্ষ থেকে চুক্তির সময় এখনো নিশ্চিত করা হয়নি। উলটো রোববার এ চুক্তি সই হবে না বলে জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র।
১ দিন আগে
তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান শান্তি আলোচনায় অগ্রগতির খবরের মাঝেই পারস্য উপসাগরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। শুক্রবার হরমুজ প্রণালির দিকে ধেয়ে আসা ইরানের বেশ কয়েকটি ‘ওয়ান-ওয়ে অ্যাটাক ড্রোন’ (আত্মঘাতী ড্রোন) গুলি করে বিধ্বস্ত করেছে মার্কিন বাহিনী।
১ দিন আগে
দীর্ঘ তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর অবশেষে একটি শান্তি চুক্তির রূপরেখায় সম্মত হয়েছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই দেশ দুটির মধ্যে এই প্রাথমিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। আজ শনিবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ এমনটাই জানিয়েছেন।
১ দিন আগে