
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে এক মার্কিন ও ছয় ইউক্রেনীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। এ ঘটনায় ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার হওয়া মার্কিন নাগরিক ম্যাথিউ অ্যারন ভ্যানডাইকের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলার প্রশিক্ষণ দেওয়া, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।
এনডিটিভি জানায়, ভ্যানডাইক নিজেকে নিরাপত্তা বিশ্লেষক, যুদ্ধ সংবাদদাতা ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে পরিচয় দেন। ২০১১ সালে লিবিয়ার গৃহযুদ্ধ চলাকালে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় আসেন তিনি। ওই সময় তাকে কারাবরণও করতে হয়।
ভ্যানডাইক পরবর্তীতে ‘সনস অব লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল’ (এসওএলআই) নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন, যা বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সামরিক প্রশিক্ষণ ও কৌশলগত পরামর্শ দিয়ে থাকে।
এনআইএ সূত্র জানায়, ভ্যানডাইককে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপরদিকে ছয় ইউক্রেনীয় নাগরিকের তিনজনকে লক্ষ্ণৌ এবং বাকি তিনজনকে দিল্লি থেকে আটক করা হয়। পরে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে হাজির করা হয়।
তদন্তের স্বার্থে এনআইএ ১৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত ১১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আগামী ২৭ মার্চ তাদের আবার আদালতে হাজির করা হবে।
এনআইএ সূত্রের বরাতে এনডিটিভি আরও জানায়, বিভিন্ন সময়ে পর্যটক ভিসায় ১৪ জন ইউক্রেনীয় নাগরিক ভারতে প্রবেশ করেন। তারা প্রথমে গুয়াহাটিতে পৌঁছে পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই মিজোরামে যান এবং সেখান থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে মিয়ানমারে প্রবেশ করেন। সেখানে তাদের উদ্দেশ্য ছিল জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ড্রোন যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেওয়া।
এদিকে অভিযোগ উঠেছে, ইউরোপ থেকে ড্রোনের একটি বড় চালান ভারত হয়ে মিয়ানমারে পাচার করা হয়েছে, যা ওই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ব্যবহারের জন্য ছিল।
এনআইএ আরও জানিয়েছে, মিয়ানমারে সক্রিয় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে ভারতের নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর যোগাযোগ রয়েছে। এসব গোষ্ঠী ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোকে অস্ত্র, সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে, যা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, এই নেটওয়ার্কের কোনো স্থানীয় সংযোগ রয়েছে কি না এবং কীভাবে ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করে ড্রোনগুলো পাচার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় জব্দ করা মোবাইল ফোনগুলোও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এ ছাড়া তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মার্চে মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী লালদুহোমা সতর্ক করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বিশেষ বাহিনীর সাবেক সদস্যরা ও ভাড়াটে যোদ্ধাসহ বিদেশি নাগরিকরা মিজোরাম হয়ে মিয়ানমারে প্রবেশ করে দেশটির সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে লড়াইরত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীকে অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়ার অভিযোগে এক মার্কিন ও ছয় ইউক্রেনীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনআইএ)। এ ঘটনায় ভারতের নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বুধবার (১৮ মার্চ) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, গ্রেপ্তার হওয়া মার্কিন নাগরিক ম্যাথিউ অ্যারন ভ্যানডাইকের বিরুদ্ধে ড্রোন হামলার প্রশিক্ষণ দেওয়া, অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে।
এনডিটিভি জানায়, ভ্যানডাইক নিজেকে নিরাপত্তা বিশ্লেষক, যুদ্ধ সংবাদদাতা ও প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে পরিচয় দেন। ২০১১ সালে লিবিয়ার গৃহযুদ্ধ চলাকালে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হয়ে আন্তর্জাতিকভাবে আলোচনায় আসেন তিনি। ওই সময় তাকে কারাবরণও করতে হয়।
ভ্যানডাইক পরবর্তীতে ‘সনস অব লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল’ (এসওএলআই) নামে একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন, যা বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলের স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সামরিক প্রশিক্ষণ ও কৌশলগত পরামর্শ দিয়ে থাকে।
এনআইএ সূত্র জানায়, ভ্যানডাইককে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। অপরদিকে ছয় ইউক্রেনীয় নাগরিকের তিনজনকে লক্ষ্ণৌ এবং বাকি তিনজনকে দিল্লি থেকে আটক করা হয়। পরে তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে হাজির করা হয়।
তদন্তের স্বার্থে এনআইএ ১৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে আদালত ১১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আগামী ২৭ মার্চ তাদের আবার আদালতে হাজির করা হবে।
এনআইএ সূত্রের বরাতে এনডিটিভি আরও জানায়, বিভিন্ন সময়ে পর্যটক ভিসায় ১৪ জন ইউক্রেনীয় নাগরিক ভারতে প্রবেশ করেন। তারা প্রথমে গুয়াহাটিতে পৌঁছে পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই মিজোরামে যান এবং সেখান থেকে অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রম করে মিয়ানমারে প্রবেশ করেন। সেখানে তাদের উদ্দেশ্য ছিল জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে ড্রোন যুদ্ধের প্রশিক্ষণ দেওয়া।
এদিকে অভিযোগ উঠেছে, ইউরোপ থেকে ড্রোনের একটি বড় চালান ভারত হয়ে মিয়ানমারে পাচার করা হয়েছে, যা ওই সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ব্যবহারের জন্য ছিল।
এনআইএ আরও জানিয়েছে, মিয়ানমারে সক্রিয় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সঙ্গে ভারতের নিষিদ্ধ সংগঠনগুলোর যোগাযোগ রয়েছে। এসব গোষ্ঠী ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোকে অস্ত্র, সরঞ্জাম ও প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে, যা ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, এই নেটওয়ার্কের কোনো স্থানীয় সংযোগ রয়েছে কি না এবং কীভাবে ভারতীয় ভূখণ্ড ব্যবহার করে ড্রোনগুলো পাচার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় জব্দ করা মোবাইল ফোনগুলোও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। এ ছাড়া তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাওয়া হবে বলে জানা গেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মার্চে মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রী লালদুহোমা সতর্ক করে বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের বিশেষ বাহিনীর সাবেক সদস্যরা ও ভাড়াটে যোদ্ধাসহ বিদেশি নাগরিকরা মিজোরাম হয়ে মিয়ানমারে প্রবেশ করে দেশটির সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে লড়াইরত বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন।

বিবৃতিতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রকে আর কখনো ইরানকে হুমকি দেওয়া চলবে না। ইরান ও অঞ্চলটিতে তাদের মিত্র সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে যুদ্ধ স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে হবে ওয়াশিংটনকে। পাশাপাশি ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, অঞ্চল থেকে মার্কিন সামরিক বাহিনী সরিয়ে নেওয়া, যুদ্ধে ইরানের ক্ষয়ক্ষতির
১ দিন আগে
দাবানল নিয়ন্ত্রণ অভিযানের উপ-প্রধান টাইলার হেক্ট জানান, দুর্ঘটনার পর কর্মীরা কিছু সময়ের জন্য কাজ বন্ধ রেখে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন। পরবর্তীতে পুনরায় কাজ শুরু হয়। তিনি বলেন, “এই দুর্ঘটনা আমাদের কাজের পদ্ধতি বদলে দেবে না। আমরা আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ চালিয়ে যাব এবং মাটিতে থাকা দমকলকর্মীদের সহায়তায় বিমান
১ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে মেয়র এদুয়ার্দো নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, ঘটনার পরপরই তিনি ব্রাজিলের ন্যাশনাল সিভিল এভিয়েশন এজেন্সির (এএনএসি) সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন এবং আকাশে চলাচলকারী সকল হেলিকপ্টারের ওপর নজরদারি বাড়িয়ে যাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিত কর
১ দিন আগে
নিহত আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। গত মার্চের শুরুর দিকে দেশটির নীতি-নির্ধারণী পরিষদ 'অ্যাসেম্বলি অব এক্সপার্টস' তাঁকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত করে।
১ দিন আগে