
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

প্রায় সাত মাস ধরে হামলা চালিয়েও হামাসকে পরাজিত করতে পারেনি ইসরায়েল। গাজায় ইসরায়েলি সেনাদের হতাহত হওয়ার ঘটনায় ‘ইসরায়েলের নিরাপত্তার’ জন্য প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবি করেছেন দেশটির বিরোধী নেতা ইয়ার লাপিদ।
শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবি করেছেন। এই দাবিটি ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় সামনে এসেছে।
ওই প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, ইসরায়েলি সরকার আগামী ২০ মে পর্যন্ত হারেদিম নামে পরিচিত কট্টর-অর্থোডক্স ইহুদিদের নিয়োগ সংক্রান্ত পিটিশনের ওপর সুপ্রিম কোর্টের রায় স্থগিত করতে চায়।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লাপিদ বলেন, ‘আর কতদিন অজুহাত দেখিয়ে ইসরায়েল রাষ্ট্রকে কলঙ্কিত করতে থাকবে এই বিশৃঙ্খল সরকার? আইডিএফের (ইসরায়েলি সেনাবাহিনী) কাছে যথেষ্ট সৈন্য নেই, এবং প্রত্যেককে তালিকাভুক্ত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘ইসরায়েলের নিরাপত্তার স্বার্থে, নেতানিয়াহুর পদত্যাগ করা উচিত এবং এই সরকারকে আমাদের জীবন থেকে বের করে দেওয়া উচিত।’
আনাদোলু বলছে, হারেদিমকে সামরিক বাহিনীর চাকরি করা থেকে ছাড় দিয়ে যদি নতুন নিয়োগ আইন পাস না করা হয় তাহলে ক্ষমতাসীন জোটের ধর্মীয় দলগুলো সরকার থেকে সরে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে।
মূলত ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার ১৩ শতাংশ হারেদিম এবং তারা সামরিক বাহিনীতে কাজ করে না। এর পরিবর্তে তারা তাদের জীবন তাওরাত অধ্যয়নের জন্য উৎসর্গ করে থাকে।
অন্যদিকে আইন অনুযায়ী, ১৮ বছরের বেশি বয়সী প্রত্যেক ইসরায়েলিকে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হবে। তবে সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়া থেকে হারেদিমের অব্যাহতি কয়েক দশক ধরে ইসরায়েলে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
গত বছরের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল আগ্রাসন চালাচ্ছে এবং তাদের আক্রমণের মধ্যে এই বিতর্কটি আরও তীব্র হয়েছে। ইসরায়েলি সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে যারা ধর্মনিরপেক্ষ, তারা হারেদিমকে যুদ্ধের বোঝা ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

প্রায় সাত মাস ধরে হামলা চালিয়েও হামাসকে পরাজিত করতে পারেনি ইসরায়েল। গাজায় ইসরায়েলি সেনাদের হতাহত হওয়ার ঘটনায় ‘ইসরায়েলের নিরাপত্তার’ জন্য প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবি করেছেন দেশটির বিরোধী নেতা ইয়ার লাপিদ।
শুক্রবার (২৬ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের বিরোধীদলীয় নেতা ইয়ার লাপিদ দেশের নিরাপত্তা রক্ষায় বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর পদত্যাগ দাবি করেছেন। এই দাবিটি ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় সামনে এসেছে।
ওই প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, ইসরায়েলি সরকার আগামী ২০ মে পর্যন্ত হারেদিম নামে পরিচিত কট্টর-অর্থোডক্স ইহুদিদের নিয়োগ সংক্রান্ত পিটিশনের ওপর সুপ্রিম কোর্টের রায় স্থগিত করতে চায়।
সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে লাপিদ বলেন, ‘আর কতদিন অজুহাত দেখিয়ে ইসরায়েল রাষ্ট্রকে কলঙ্কিত করতে থাকবে এই বিশৃঙ্খল সরকার? আইডিএফের (ইসরায়েলি সেনাবাহিনী) কাছে যথেষ্ট সৈন্য নেই, এবং প্রত্যেককে তালিকাভুক্ত করতে হবে।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘ইসরায়েলের নিরাপত্তার স্বার্থে, নেতানিয়াহুর পদত্যাগ করা উচিত এবং এই সরকারকে আমাদের জীবন থেকে বের করে দেওয়া উচিত।’
আনাদোলু বলছে, হারেদিমকে সামরিক বাহিনীর চাকরি করা থেকে ছাড় দিয়ে যদি নতুন নিয়োগ আইন পাস না করা হয় তাহলে ক্ষমতাসীন জোটের ধর্মীয় দলগুলো সরকার থেকে সরে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে।
মূলত ইসরায়েলের মোট জনসংখ্যার ১৩ শতাংশ হারেদিম এবং তারা সামরিক বাহিনীতে কাজ করে না। এর পরিবর্তে তারা তাদের জীবন তাওরাত অধ্যয়নের জন্য উৎসর্গ করে থাকে।
অন্যদিকে আইন অনুযায়ী, ১৮ বছরের বেশি বয়সী প্রত্যেক ইসরায়েলিকে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে হবে। তবে সামরিক বাহিনীতে যোগ দেওয়া থেকে হারেদিমের অব্যাহতি কয়েক দশক ধরে ইসরায়েলে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
গত বছরের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েল আগ্রাসন চালাচ্ছে এবং তাদের আক্রমণের মধ্যে এই বিতর্কটি আরও তীব্র হয়েছে। ইসরায়েলি সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে যারা ধর্মনিরপেক্ষ, তারা হারেদিমকে যুদ্ধের বোঝা ভাগ করে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের শ্রিভপোর্টে এক ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনায় এক ব্যক্তি তার সাত সন্তানসহ মোট আট শিশুকে হত্যা করেছে। তিনি আলাদা তিনটি বাড়িতে হানা দিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটান। ২০২৪ সালের জানুয়ারির পর এটি যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বড় বন্দুক হামলার ঘটনা।
২১ ঘণ্টা আগে
প্রতিনিধি দলে ট্রাম্পের প্রভাবশালী দুই উপদেষ্টা স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনারও রয়েছেন। তবে ওমান সাগরে ইরানি পতাকাবাহী জাহাজ জব্দের ঘটনার পর এই আলোচনায় তেহরানের অংশগ্রহণ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
১ দিন আগে
এ ঘটনায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
১ দিন আগে
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যেই শান্তির বার্তা দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান কোনোভাবেই যুদ্ধ চায় না, বরং সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কেবল 'বৈধ আত্মরক্ষা'র পথ বেছে নিয়েছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) দেশটির ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি
১ দিন আগে