
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার ফল যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই জয়ী হবে— এমন দাবি করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তার ভাষায়, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দেশটি আগের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে চূড়ান্ত চুক্তি হলেও যুক্তরাষ্ট্রের জয়, আর চুক্তি না হলেও জয় যুক্তরাষ্ট্রেরই।
প্রভাবশালী ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৭ জুন) এইচবিওর রাজনৈতিক টক শো রিয়েল টাইম উইথ বিল মাহারে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এমন আত্মবিশ্বাস দেখান।
ভ্যান্স বলেন, 'যদি আমরা চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে পারি, তাহলে খুবই ভালো। আর যদি না-ও পারি, তবুও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশটি অনেক দুর্বল হয়েছে। তাই যেভাবেই হোক, যুক্তরাষ্ট্রই জিতছে।'
হরমুজে তেলের প্রবাহকে ইতিবাচক সংকেত
ভ্যান্স বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বেড়ে যাওয়াকে তিনি ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে দেখছেন। তার মতে, এটি ইঙ্গিত দেয় যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বাস্তব অগ্রগতি হচ্ছে।
তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে ৬০ দিনের সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন সহজ হবে না।
ভ্যান্সের ভাষায়, 'ইরানিদের সঙ্গে যখন আলোচনা হয়, তখন পরিস্থিতি কিছুটা জটিল থাকবেই।'
সাক্ষাৎকারের পরই নতুন উত্তেজনা
ভ্যান্সের সাক্ষাৎকার প্রচারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
খবরে বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, তারা রাতভর ইরানের কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। পালটা জবাবে ইরানও যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করে।
এর আগে বৃহস্পতিবার একটি কার্গো জাহাজেও হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়তে থাকে। ফলে অন্তর্বর্তী শান্তি চুক্তির পর এটিকে সবচেয়ে বড় সামরিক উত্তেজনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
'পারমাণবিক কর্মসূচি কার্যত ধ্বংস'
ভ্যান্স জানান, সুইজারল্যান্ডের লুসার্নে ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তার আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এর প্রমাণ হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৩ ডলারে নেমে আসার কথা উল্লেখ করেন।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা ছিল ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ক্ষমতা, আর সেটিই এখন ধ্বংস হয়ে গেছে।
উপস্থাপক বিল মাহার প্রশ্ন করেন, সত্যিই কি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে?
জবাবে ভ্যান্স বলেন, 'কোন অংশটি ধ্বংস হয়নি? ধ্বংস করার বিষয়টি ছিল ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার সক্ষমতা। সেটিই ধ্বংস হয়েছে।'
সমালোচকদের যুক্তি কী?
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এই মূল্যায়নের সঙ্গে একমত নন সমালোচকরা।
তাদের মতে, ইরানের কাছে এখনো ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের একটি মজুত রয়েছে। সেটি হয়তো বর্তমানে সহজে ব্যবহারযোগ্য নয়, কিন্তু দেশটির ভেতরেই রয়েছে। ফলে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে— এমন দাবি করা কঠিন।
এদিকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি শুক্রবার বলেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কমানো অথবা দেশটির বাইরে সরিয়ে নেওয়ার বিকল্প এখনো কার্যকর রয়েছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির দিকে এগোলে এ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সম্পর্ক বদলের প্রস্তাব
ভ্যান্স বলেন, ইরান যদি দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে রাজি হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রও দেশটির সঙ্গে সম্পর্কের মৌলিক পরিবর্তনে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, 'তারা যদি পরিবর্তন হতে চায়, আমরাও পরিবর্তন হতে প্রস্তুত। আর যদি তারা পরিবর্তন না করে, তাহলেও সব সুবিধা আমাদের হাতেই রয়েছে।'
নিক্সনকে নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য
সাক্ষাৎকারের দুই দিন আগে ক্যালিফোর্নিয়ায় নিক্সন প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি অ্যান্ড মিউজিয়ামে দেওয়া বক্তব্যেও আলোচনায় আসেন ভ্যান্স। তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের প্রশংসা করে বলেন, তার ঐতিহাসিক মূল্যায়ন নতুন করে ইতিবাচক হচ্ছে এবং সেটি প্রাপ্যও।
এমনকি ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি প্রসঙ্গে ভ্যান্স মন্তব্য করেন, 'আজ যদি ওয়াটারগেটের মতো ঘটনা ঘটত, তাহলে সেটি হয়তো ১২ ঘণ্টার একটি সংবাদ হয়েই শেষ হয়ে যেত। একটি প্রেসিডেন্সি শেষ হয়ে যাওয়া কল্পনাই করা যায় না।'
অভিবাসন নীতির সমালোচনায়ও অনড়
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন অভিযান নিয়েও প্রশ্ন করা হয় ভ্যান্সকে।
সমালোচকদের অভিযোগ, এসব অভিযানে অতিরিক্ত কঠোরতা দেখানো হচ্ছে। তবে ভ্যান্স সেই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, 'এ ধরনের আইন প্রয়োগের অভিযানে কিছু ঘটনার ভিডিও সামনে আসবেই। কিন্তু এটি ভিন্নভাবে করার সহজ কোনো উপায় ছিল বলে আমি মনে করি না।'

ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনার ফল যাই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রই জয়ী হবে— এমন দাবি করেছেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স। তার ভাষায়, তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচি কার্যত ধ্বংস হয়ে গেছে এবং দেশটি আগের তুলনায় অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছে। ফলে চূড়ান্ত চুক্তি হলেও যুক্তরাষ্ট্রের জয়, আর চুক্তি না হলেও জয় যুক্তরাষ্ট্রেরই।
প্রভাবশালী ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার (২৭ জুন) এইচবিওর রাজনৈতিক টক শো রিয়েল টাইম উইথ বিল মাহারে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এমন আত্মবিশ্বাস দেখান।
ভ্যান্স বলেন, 'যদি আমরা চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছাতে পারি, তাহলে খুবই ভালো। আর যদি না-ও পারি, তবুও ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ধ্বংস হয়ে গেছে। দেশটি অনেক দুর্বল হয়েছে। তাই যেভাবেই হোক, যুক্তরাষ্ট্রই জিতছে।'
হরমুজে তেলের প্রবাহকে ইতিবাচক সংকেত
ভ্যান্স বলেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল পরিবহন বেড়ে যাওয়াকে তিনি ইতিবাচক লক্ষণ হিসেবে দেখছেন। তার মতে, এটি ইঙ্গিত দেয় যে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বাস্তব অগ্রগতি হচ্ছে।
তবে একই সঙ্গে তিনি স্বীকার করেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে ৬০ দিনের সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় হওয়া যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন সহজ হবে না।
ভ্যান্সের ভাষায়, 'ইরানিদের সঙ্গে যখন আলোচনা হয়, তখন পরিস্থিতি কিছুটা জটিল থাকবেই।'
সাক্ষাৎকারের পরই নতুন উত্তেজনা
ভ্যান্সের সাক্ষাৎকার প্রচারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
খবরে বলা হয়, হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র জানায়, তারা রাতভর ইরানের কয়েকটি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে। পালটা জবাবে ইরানও যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি করে।
এর আগে বৃহস্পতিবার একটি কার্গো জাহাজেও হামলার ঘটনা ঘটেছিল। সেই ঘটনার পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দ্রুত বাড়তে থাকে। ফলে অন্তর্বর্তী শান্তি চুক্তির পর এটিকে সবচেয়ে বড় সামরিক উত্তেজনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
'পারমাণবিক কর্মসূচি কার্যত ধ্বংস'
ভ্যান্স জানান, সুইজারল্যান্ডের লুসার্নে ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে তার আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। এর প্রমাণ হিসেবে তিনি আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৩ ডলারে নেমে আসার কথা উল্লেখ করেন।
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্টের দাবি, ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সক্ষমতা ছিল ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার ক্ষমতা, আর সেটিই এখন ধ্বংস হয়ে গেছে।
উপস্থাপক বিল মাহার প্রশ্ন করেন, সত্যিই কি ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে?
জবাবে ভ্যান্স বলেন, 'কোন অংশটি ধ্বংস হয়নি? ধ্বংস করার বিষয়টি ছিল ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার সক্ষমতা। সেটিই ধ্বংস হয়েছে।'
সমালোচকদের যুক্তি কী?
তবে ট্রাম্প প্রশাসনের এই মূল্যায়নের সঙ্গে একমত নন সমালোচকরা।
তাদের মতে, ইরানের কাছে এখনো ৬০ শতাংশ সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের একটি মজুত রয়েছে। সেটি হয়তো বর্তমানে সহজে ব্যবহারযোগ্য নয়, কিন্তু দেশটির ভেতরেই রয়েছে। ফলে ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে— এমন দাবি করা কঠিন।
এদিকে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি শুক্রবার বলেন, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কমানো অথবা দেশটির বাইরে সরিয়ে নেওয়ার বিকল্প এখনো কার্যকর রয়েছে। ইরান-যুক্তরাষ্ট্র একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তির দিকে এগোলে এ বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সম্পর্ক বদলের প্রস্তাব
ভ্যান্স বলেন, ইরান যদি দীর্ঘমেয়াদে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে রাজি হয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রও দেশটির সঙ্গে সম্পর্কের মৌলিক পরিবর্তনে প্রস্তুত।
তিনি বলেন, 'তারা যদি পরিবর্তন হতে চায়, আমরাও পরিবর্তন হতে প্রস্তুত। আর যদি তারা পরিবর্তন না করে, তাহলেও সব সুবিধা আমাদের হাতেই রয়েছে।'
নিক্সনকে নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য
সাক্ষাৎকারের দুই দিন আগে ক্যালিফোর্নিয়ায় নিক্সন প্রেসিডেন্সিয়াল লাইব্রেরি অ্যান্ড মিউজিয়ামে দেওয়া বক্তব্যেও আলোচনায় আসেন ভ্যান্স। তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের প্রশংসা করে বলেন, তার ঐতিহাসিক মূল্যায়ন নতুন করে ইতিবাচক হচ্ছে এবং সেটি প্রাপ্যও।
এমনকি ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি প্রসঙ্গে ভ্যান্স মন্তব্য করেন, 'আজ যদি ওয়াটারগেটের মতো ঘটনা ঘটত, তাহলে সেটি হয়তো ১২ ঘণ্টার একটি সংবাদ হয়েই শেষ হয়ে যেত। একটি প্রেসিডেন্সি শেষ হয়ে যাওয়া কল্পনাই করা যায় না।'
অভিবাসন নীতির সমালোচনায়ও অনড়
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন অভিযান নিয়েও প্রশ্ন করা হয় ভ্যান্সকে।
সমালোচকদের অভিযোগ, এসব অভিযানে অতিরিক্ত কঠোরতা দেখানো হচ্ছে। তবে ভ্যান্স সেই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে বলেন, 'এ ধরনের আইন প্রয়োগের অভিযানে কিছু ঘটনার ভিডিও সামনে আসবেই। কিন্তু এটি ভিন্নভাবে করার সহজ কোনো উপায় ছিল বলে আমি মনে করি না।'

ডোব্রিন্ট জানান, ‘জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করে— এমন গুরুতর সহিংস কর্মকাণ্ডের প্রস্তুতির সন্দেহে’ তদন্ত শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, ঘটনাটি জার্মানির বর্তমান ‘উচ্চ ঝুঁকি’র নিরাপত্তা পরিস্থিতি তুলে ধরে। এতে বিদেশি কোনো শক্তির সম্পৃক্ততা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ইমরান খানকে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে আবার রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে নেওয়া হয়েছে। চিকিৎসকেরা পরীক্ষার পর তাকে ‘চিকিৎসাগতভাবে সুস্থ’ ঘোষণা করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, কোনো দেশ ইরানকে আর্থিক, ব্যবসায়িক বা অন্য কোনো সহায়তা দিলে সেই দেশকেও ‘প্রচণ্ড অর্থনৈতিক ক্ষতির’ মুখে পড়তে হবে।
১৯ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার এই ভয়াবহ হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক সামরিক সহায়তার জোর আহ্বান জানিয়েছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি বলেন, "ইউক্রেন যতদিন পর্যাপ্ত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা না পাবে, ততদিন রাশিয়া শান্তির বিষয়টি বিন্দুমাত্র গু
২ দিন আগে