
অরুণাভ বিশ্বাস

গাজা উপত্যকার অন্ধকার গলিপথ আর ইসরায়েলি ট্যাংকের ছায়া থেকে একদিন জন্ম নিয়েছিল এক নতুন নাম—‘হামাস’। সেই নাম আজ বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে। কে এই হামাস? কেনই বা তাদের জন্ম? কীভাবে তারা এত শক্তিশালী হয়ে উঠল? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজলে আমাদের ফিরে যেতে হয় ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে, যখন ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরে শুরু হয়েছিল প্রথম ‘ইন্তিফাদা’—অর্থাৎ জনগণের গণ-আন্দোলন।
হামাসের জন্ম হয়েছিল ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ডাক হিসেবে। কিন্তু একে শুধু প্রতিরোধ বললে ভুল হবে। এটি ছিল ধর্ম, রাজনীতি আর সামাজিক সেবার এক অনন্য মিশেল। হামাস মূলত গড়ে উঠেছিল মুসলিম ব্রাদারহুডের একটি শাখা হিসেবে। মুসলিম ব্রাদারহুডের মূল ভিত্তি ছিল ইসলামি সমাজ বিনির্মাণ। ১৯৪০ ও ৫০-এর দশক থেকেই গাজা অঞ্চলে এই আদর্শ ছড়িয়ে পড়ছিল। গাজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, এতিমখানা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মধ্য দিয়ে তারা মানুষের আস্থা অর্জন করে।
১৯৮৭ সালের প্রথম ইন্তিফাদা বা গণঅভ্যুত্থানের সময় হামাসের আনুষ্ঠানিক জন্ম ঘটে। ওই সময় ইসরায়েলি বাহিনীর একটি ট্রাক দুর্ঘটনায় চারজন ফিলিস্তিনি নিহত হলে জনগণ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। সারা গাজা ও পশ্চিম তীরে বিক্ষোভ শুরু হয়। এই সময়টাতেই শেখ আহমেদ ইয়াসিন, যিনি একজন ধর্মীয় নেতা এবং প্যারালাইজড অবস্থায় হুইলচেয়ারে বসা একজন প্রভাবশালী মানুষ, হামাসের নেতৃত্ব দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আবদেল আজিজ রান্তিসি ও মাহমুদ জাহারসহ আরও কিছু প্রভাবশালী ইসলামপন্থী চিন্তাবিদ।
হামাসের আদর্শ ছিল ইসলামের আলোকে ফিলিস্তিনি সমাজ গঠন এবং ইসরায়েলি দখলের বিরুদ্ধে লড়াই। ১৯৮৮ সালে তারা একটি চার্টার প্রকাশ করে, যেখানে ইসরায়েলের অস্তিত্ব স্বীকার না করে একটি স্বাধীন ইসলামি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান জানানো হয়। এই ঘোষণাটি আন্তর্জাতিক মহলে আলোড়ন তোলে। কারণ এটি ছিল একেবারেই নিরঙ্কুশ ও আপসহীন বক্তব্য।
হামাস শুধু বন্দুক হাতে তুলে নেয়নি, তারা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা আর ন্যায়বিচারের ব্যবস্থা করে। গাজার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে তারা ছিল এক ‘আশার প্রতীক’। একারণেই সাধারণ মানুষ তাদের সমর্থন করতে শুরু করে। অথচ, একসময় অনেকেই এদের কট্টর ভাবত।
প্রথম ইন্তিফাদার পরবর্তী সময়ে, ১৯৯৩ সালে, যখন পিএলও (ফিলিস্তাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন) ও ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় বসে ওসলো চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, তখন হামাস তা ঘোরতর বিরোধিতা করে। তাদের মতে, ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি করে ফিলিস্তিনিদের স্বপ্ন বিক্রি করা হচ্ছে। সেই থেকেই হামাস ও পিএলও-র (পরবর্তীতে প্যালেস্টিনিয়ান অথরিটি) মধ্যেও দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
২০০৬ সালে গাজা উপত্যকায় নির্বাচনে বিশাল জয় পায় হামাস। এই নির্বাচনের মাধ্যমে তারা শুধু একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি, তারা গাজার শাসনক্ষমতাও হাতে নেয়। এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। কারণ এই প্রথমবারের মতো একটি সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠী গণতান্ত্রিকভাবে একটি ভূখণ্ড শাসনের ক্ষমতা পেল। তবে এই ক্ষমতা দখলের পরে গাজায় হামাস ও প্যালেস্টিনিয়ান অথরিটির মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে এবং ২০০৭ সাল থেকে গাজা পুরোপুরি হামাসের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
এই সময় থেকে ইসরায়েল ও মিশর গাজার চারদিক অবরোধ করে ফেলে। খাদ্য, ওষুধ, বিদ্যুৎ—সব কিছুতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়। এই অবরোধের মধ্যে থেকেও হামাস নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে, এমনকি সামরিক শক্তিও বাড়ায়। তাদের ‘কাসাম ব্রিগেড’ নামে পরিচিত সশস্ত্র শাখাটি বিভিন্ন সময়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রকেট হামলা চালায়, আর ইসরায়েল পাল্টা বোমাবর্ষণ করে গাজায়। সাধারণ মানুষের প্রাণহানি বেড়ে যায়, কিন্তু হামাস রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে টিকে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। তবে এক্ষেত্রে মতবিরোধও রয়েছে। কিছু গবেষক মনে করেন, হামাস শুধুমাত্র একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নয়, এটি একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিও। মার্কিন গবেষক ড. বেভারলি মিল্টন-এডওয়ার্ডস, যিনি মিডল ইস্ট পলিটিক্সের একজন বিশেষজ্ঞ এবং হামাস নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা করেছেন, বলেন—অর্থাৎ হামাস শুধু লড়াই নয়, সামাজিক সেবা দিয়ে সেই জায়গা পূরণ করেছে, যেখানে রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে।
অন্যদিকে ব্রিটিশ গবেষক ড. টোবিয়াস বুকল, যিনি হামাসের রাজনৈতিক রূপান্তর নিয়ে কাজ করেছেন, তিনি বলেন—অর্থাৎ সময় ও প্রয়োজনের নিরিখে হামাস একটি রাজনৈতিক সত্তায় রূপ নিয়েছে।
তবে এ-ও সত্য, হামাসের রকেট হামলা, আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যু অনেক সময় তাদের সমালোচনার মুখে ফেলেছে। আবার অনেক ফিলিস্তিনিই তাদের কঠোর ইসলামী নীতিমালায় বিরক্ত। নারী অধিকারের প্রশ্নে, বাকস্বাধীনতা বা ভিন্নমতের দমন নিয়েও রয়েছে অসন্তোষ।
এই দ্বৈত বাস্তবতার মাঝে হামাস এখনো টিকে আছে। একদিকে অস্ত্র, অন্যদিকে সমাজসেবা—এই দুই মেরুর মাঝে দোল খাচ্ছে গাজার রাজনীতি। আন্তর্জাতিক কূটনীতি, ফিলিস্তিনের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, আর ইসরায়েলি দমন-পীড়নের ইতিহাস সব মিলিয়ে হামাসের উত্থান শুধু একটি গোষ্ঠীর কাহিনি নয়, এটি আসলে ফিলিস্তিনিদের এক দীর্ঘতর বেদনার ইতিহাসের বহিঃপ্রকাশ।
সেই ইতিহাস এখনো চলছে। কখনো গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে, কখনো আবার মিছিলের স্লোগানে, কখনো বা একটি ক্ষুধার্ত শিশুর আহাজারিতে—হামাসের গল্প শুধু অস্ত্র নয়, বরং এক জাতির নিরুপায় প্রতিরোধের ভাষা।

গাজা উপত্যকার অন্ধকার গলিপথ আর ইসরায়েলি ট্যাংকের ছায়া থেকে একদিন জন্ম নিয়েছিল এক নতুন নাম—‘হামাস’। সেই নাম আজ বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রে। কে এই হামাস? কেনই বা তাদের জন্ম? কীভাবে তারা এত শক্তিশালী হয়ে উঠল? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজলে আমাদের ফিরে যেতে হয় ১৯৮৭ সালের ডিসেম্বরে, যখন ফিলিস্তিনের গাজা ও পশ্চিম তীরে শুরু হয়েছিল প্রথম ‘ইন্তিফাদা’—অর্থাৎ জনগণের গণ-আন্দোলন।
হামাসের জন্ম হয়েছিল ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ডাক হিসেবে। কিন্তু একে শুধু প্রতিরোধ বললে ভুল হবে। এটি ছিল ধর্ম, রাজনীতি আর সামাজিক সেবার এক অনন্য মিশেল। হামাস মূলত গড়ে উঠেছিল মুসলিম ব্রাদারহুডের একটি শাখা হিসেবে। মুসলিম ব্রাদারহুডের মূল ভিত্তি ছিল ইসলামি সমাজ বিনির্মাণ। ১৯৪০ ও ৫০-এর দশক থেকেই গাজা অঞ্চলে এই আদর্শ ছড়িয়ে পড়ছিল। গাজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, এতিমখানা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পরিচালনার মধ্য দিয়ে তারা মানুষের আস্থা অর্জন করে।
১৯৮৭ সালের প্রথম ইন্তিফাদা বা গণঅভ্যুত্থানের সময় হামাসের আনুষ্ঠানিক জন্ম ঘটে। ওই সময় ইসরায়েলি বাহিনীর একটি ট্রাক দুর্ঘটনায় চারজন ফিলিস্তিনি নিহত হলে জনগণ ক্ষোভে ফেটে পড়ে। সারা গাজা ও পশ্চিম তীরে বিক্ষোভ শুরু হয়। এই সময়টাতেই শেখ আহমেদ ইয়াসিন, যিনি একজন ধর্মীয় নেতা এবং প্যারালাইজড অবস্থায় হুইলচেয়ারে বসা একজন প্রভাবশালী মানুষ, হামাসের নেতৃত্ব দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আবদেল আজিজ রান্তিসি ও মাহমুদ জাহারসহ আরও কিছু প্রভাবশালী ইসলামপন্থী চিন্তাবিদ।
হামাসের আদর্শ ছিল ইসলামের আলোকে ফিলিস্তিনি সমাজ গঠন এবং ইসরায়েলি দখলের বিরুদ্ধে লড়াই। ১৯৮৮ সালে তারা একটি চার্টার প্রকাশ করে, যেখানে ইসরায়েলের অস্তিত্ব স্বীকার না করে একটি স্বাধীন ইসলামি ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের আহ্বান জানানো হয়। এই ঘোষণাটি আন্তর্জাতিক মহলে আলোড়ন তোলে। কারণ এটি ছিল একেবারেই নিরঙ্কুশ ও আপসহীন বক্তব্য।
হামাস শুধু বন্দুক হাতে তুলে নেয়নি, তারা সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিল খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা আর ন্যায়বিচারের ব্যবস্থা করে। গাজার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে তারা ছিল এক ‘আশার প্রতীক’। একারণেই সাধারণ মানুষ তাদের সমর্থন করতে শুরু করে। অথচ, একসময় অনেকেই এদের কট্টর ভাবত।
প্রথম ইন্তিফাদার পরবর্তী সময়ে, ১৯৯৩ সালে, যখন পিএলও (ফিলিস্তাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন) ও ইসরায়েল শান্তি আলোচনায় বসে ওসলো চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, তখন হামাস তা ঘোরতর বিরোধিতা করে। তাদের মতে, ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তি করে ফিলিস্তিনিদের স্বপ্ন বিক্রি করা হচ্ছে। সেই থেকেই হামাস ও পিএলও-র (পরবর্তীতে প্যালেস্টিনিয়ান অথরিটি) মধ্যেও দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
২০০৬ সালে গাজা উপত্যকায় নির্বাচনে বিশাল জয় পায় হামাস। এই নির্বাচনের মাধ্যমে তারা শুধু একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে স্বীকৃতি পায়নি, তারা গাজার শাসনক্ষমতাও হাতে নেয়। এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক ঘটনা। কারণ এই প্রথমবারের মতো একটি সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠী গণতান্ত্রিকভাবে একটি ভূখণ্ড শাসনের ক্ষমতা পেল। তবে এই ক্ষমতা দখলের পরে গাজায় হামাস ও প্যালেস্টিনিয়ান অথরিটির মধ্যে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে এবং ২০০৭ সাল থেকে গাজা পুরোপুরি হামাসের নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।
এই সময় থেকে ইসরায়েল ও মিশর গাজার চারদিক অবরোধ করে ফেলে। খাদ্য, ওষুধ, বিদ্যুৎ—সব কিছুতে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হয়। এই অবরোধের মধ্যে থেকেও হামাস নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে, এমনকি সামরিক শক্তিও বাড়ায়। তাদের ‘কাসাম ব্রিগেড’ নামে পরিচিত সশস্ত্র শাখাটি বিভিন্ন সময়ে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে রকেট হামলা চালায়, আর ইসরায়েল পাল্টা বোমাবর্ষণ করে গাজায়। সাধারণ মানুষের প্রাণহানি বেড়ে যায়, কিন্তু হামাস রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে টিকে থাকে।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন হামাসকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। তবে এক্ষেত্রে মতবিরোধও রয়েছে। কিছু গবেষক মনে করেন, হামাস শুধুমাত্র একটি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী নয়, এটি একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিও। মার্কিন গবেষক ড. বেভারলি মিল্টন-এডওয়ার্ডস, যিনি মিডল ইস্ট পলিটিক্সের একজন বিশেষজ্ঞ এবং হামাস নিয়ে দীর্ঘ গবেষণা করেছেন, বলেন—অর্থাৎ হামাস শুধু লড়াই নয়, সামাজিক সেবা দিয়ে সেই জায়গা পূরণ করেছে, যেখানে রাষ্ট্র ব্যর্থ হয়েছে।
অন্যদিকে ব্রিটিশ গবেষক ড. টোবিয়াস বুকল, যিনি হামাসের রাজনৈতিক রূপান্তর নিয়ে কাজ করেছেন, তিনি বলেন—অর্থাৎ সময় ও প্রয়োজনের নিরিখে হামাস একটি রাজনৈতিক সত্তায় রূপ নিয়েছে।
তবে এ-ও সত্য, হামাসের রকেট হামলা, আত্মঘাতী বিস্ফোরণ, বেসামরিক নাগরিকদের মৃত্যু অনেক সময় তাদের সমালোচনার মুখে ফেলেছে। আবার অনেক ফিলিস্তিনিই তাদের কঠোর ইসলামী নীতিমালায় বিরক্ত। নারী অধিকারের প্রশ্নে, বাকস্বাধীনতা বা ভিন্নমতের দমন নিয়েও রয়েছে অসন্তোষ।
এই দ্বৈত বাস্তবতার মাঝে হামাস এখনো টিকে আছে। একদিকে অস্ত্র, অন্যদিকে সমাজসেবা—এই দুই মেরুর মাঝে দোল খাচ্ছে গাজার রাজনীতি। আন্তর্জাতিক কূটনীতি, ফিলিস্তিনের অভ্যন্তরীণ বিভাজন, আর ইসরায়েলি দমন-পীড়নের ইতিহাস সব মিলিয়ে হামাসের উত্থান শুধু একটি গোষ্ঠীর কাহিনি নয়, এটি আসলে ফিলিস্তিনিদের এক দীর্ঘতর বেদনার ইতিহাসের বহিঃপ্রকাশ।
সেই ইতিহাস এখনো চলছে। কখনো গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে, কখনো আবার মিছিলের স্লোগানে, কখনো বা একটি ক্ষুধার্ত শিশুর আহাজারিতে—হামাসের গল্প শুধু অস্ত্র নয়, বরং এক জাতির নিরুপায় প্রতিরোধের ভাষা।

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বুধবার এই প্রস্তাবটি পাঠানো হয়েছিল। মূলত ওই অঞ্চলে মার্কিন সেনাদের ওপর ক্রমবর্ধমান চাপ ও ঝুঁকি কমাতেই ওয়াশিংটন এই তড়িঘড়ি উদ্যোগ নেয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ইরান কোনো লিখিত জবাব না দিয়ে তাদের সামরিক তৎপরতা অব্যাহত রাখার মাধ্যমে নিজ
৩ ঘণ্টা আগে
প্রতি ডলার ১২২ টাকা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ এক লাখ ৮৩ হাজার কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের সবশেষ বাজেটের ২৩ দশমিক ১৯ শতাংশ বা প্রায় এক-চতুর্থাংশ। যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে প্রতিরক্ষা খাতে এর আগে কখনো এত বেশি বাজেট প্রস্তাব করা হয়নি।
১১ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকবি মাইক্রো ব্লগিং সাইট এক্সে এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, আগামী ৩০ দিনের জন্য ইসলামাবাদের সব গণপরিবহনের ভাড়া ফ্রি থাকবে। যা কাল শনিবার থেকে কার্যকর হবে। এজন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ৩৫০ মিলিয়ন রুপি ব্যয় বহন করবে। প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের নির্দেশনায় এ সিদ্ধান্ত
১৪ ঘণ্টা আগে
ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনায় দেখা গেছে, ঘাতক যুবকের পরনে ছিল লস অ্যাঞ্জেলেস লেকার্সের ২৪ নম্বর লেখা একটি হলুদ রঙের বাস্কেটবল জার্সি এবং পায়ে হলুদ জুতা। পিঠে ছিল একটি সাদা ব্যাগ। ভিডিওতে দেখা যায়, যুবকটি হাতে একটি বড় হাতুড়ি নিয়ে ইয়াসমিনের ওপর উপর্যুপরি আঘাত করছে।
১৫ ঘণ্টা আগে