
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা ‘প্রায় চূড়ান্ত’ হয়ে গেছে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর আশাবাদ তৈরি হয়েছিল, খুব শিগগিরই হয়তো এ চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক কোনো ঘোষণা আসবে দুপক্ষ থেকে। তবে এখন পর্যন্ত আলোচনার টেবিলেই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে এ চুক্তি। অবশ্য সরাসরি নেতিবাচক বার্তাও আসেনি কোনো পক্ষ থেকেই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবশেষ এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, সমঝোতার আলোচনা ‘গঠনমূলকভাবে এগোচ্ছে’। তবে এ নিয়ে তাড়াহুড়া না করতে বলেছেন তিনি। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, এ চুক্তি নিয়ে দুই দেশ ‘খুব কাছাকাছি এলেও এখনো দূরেও রয়ে গেছে’।
বিবিসি ও আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যস্থতাকারীদের বলেছেন, তারা যেন ইরানের সঙ্গে চুক্তি করার ক্ষেত্রে কোনো তাড়াহুড়া না করেন। এর আগে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহুল আলোচিত এ চুক্তিতে ৬০ দিন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বাড়ানো, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ভবিষ্যতে আরও আলোচনার পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। কিছু কিছু বিষয়ে দুপক্ষ একমত হলেও এখনো এ চুক্তির কিছু শর্ত নিয়ে তীব্র মতবিরোধ রয়ে গেছে।
নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, আলোচনা গঠনমূলকভাবে এগোচ্ছে। তবে দুই পক্ষকেই সময় নিতে হবে ও সঠিকভাবে বিষয়টি সম্পন্ন করতে হবে।
এর আগে শনিবার ট্রাম্প বলেছিলেন, চুক্তির ‘বেশিরভাগ অংশ’ নিয়ে এরই মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। এরপরই জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়, এ নিয়ে দ্রুত কোনো ঘোষণা আসতে পারে। এরপরই রোববার এলো ট্রাম্পের ‘তাড়াহুড়া না করা’র আহ্বান।
সপ্তাহান্তে ইরানের কর্মকর্তারাও আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, দুই পক্ষ চুক্তির খুব কাছেও আছে, আবার অনেক দূরেও আছে।
বাঘাইয়ের ইঙ্গিত, কিছু বিষয়ে দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতা এগোলেও এখনো গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
মার্কিন গণমাধ্যমগুলো বলছে, আলোচনায় থাকা এই সমঝোতা কোনো চূড়ান্ত চুক্তি নয়। বরং বেশ কিছু জটিল বিষয়কে পরবর্তী সময়ে আলোচনার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে। ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পরিধি ও সময়, জব্দ করা ইরানি অর্থ ছাড় করা হবে কি না এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের সীমাবদ্ধতা চায়— এ বিষয়গুলোই মূলত পরে আলোচনা করা হবে।
এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, আলোচনায় ‘গুরুত্বপূর্ণ’ অগ্রগতি হয়েছে, যদিও তা এখনো চূড়ান্ত নয়। তিনি ইঙ্গিত দেন, গত ৪৮ ঘণ্টার অগ্রগতি হরমুজ প্রণালিকে আবার পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দিতে পারে, যেখানে কোনো ধরনের টোল বা বাধা থাকবে না।
শনিবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, ইরান একটি ‘সমঝোতা স্মারক’ চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই সমঝোতা হলে ভবিষ্যতে ‘চূড়ান্ত চুক্তি’ নিয়ে আরও আলোচনা করা সম্ভব হবে।
ট্রাম্পও শনিবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এই চলমান প্রক্রিয়াকে ‘সমঝোতা স্মারক’ বলেই উল্লেখ করেন।
আলোচনায় মধ্যস্থতা করা পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, সাম্প্রতিক আলোচনা দেখে মনে হচ্ছে, ইতিবাচক কোনো সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং দুই পক্ষ একটি সমঝোতার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ প্রকাশ্যে বলছেন, এতে ইরানের প্রতি অতিরিক্ত নমনীয়তা দেখানো হচ্ছে। সিনেটর টেড ক্রুজ এ সম্ভাব্য চুক্তিকে ‘ভয়াবহ ভুল’ বলে মন্তব্য করেছেন।
অন্যদিকে সিনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির চেয়ারম্যান রজার উইকার বলেছেন, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি হলে অপারেশন এপিক ফিউরির সব অর্জনই অর্থহীন হয়ে যাবে।
তবে এ বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির রিপ্রেজেন্টেটিভ মাইক ললার বলেছেন, মার্কিন প্রশাসন ইরানকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করতে পেরেছে। এটিকেই বড় সাফল্য মনে করছেন তারা।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতার পথে যে বিষয়টি সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে রয়েছে সেটি হলো— ইরানের পরমাণু কর্মসূচি। যুক্তরাষ্ট্র বারবারই বলছে, ইরান কোনো ধরনের পারমাণবিক কর্মসূচি চালাতে পারবে না। অন্তত ২০ বছর ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুতও অন্য কোথাও সরিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।
রোববার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প আবারও বলেন, ইরানকে বুঝতে হবে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। তেহরান অবশ্য বারবার দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শুধুই শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেছেন, আমরা বিশ্বকে আশ্বস্ত করতে প্রস্তুত যে আমরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছি না।
এ অবস্থায় চুক্তির স্বার্থে আগামী পাঁচ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখতে রাজি হলেও ইরান পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করতে নারাজ। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের কাছে বর্তমানে প্রায় ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম রয়েছে, যা ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করা হয়েছে। একে আরও প্রক্রিয়াজাত করে অস্ত্র তৈরির উপযোগী ৯০ শতাংশ মাত্রায় নেওয়া তুলনামূলক সহজ বলে মনে করা হয়। সে পর্যায়ে পৌঁছালে ইরানের পক্ষে পারমাণবিক বোমা তৈরিও সম্ভব হতে পারে।
কিছু মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে অবশ্য বলা হয়েছে, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান শেষ পর্যন্ত তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি হতে পারে।

ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা ‘প্রায় চূড়ান্ত’ হয়ে গেছে বলে এর আগে জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর আশাবাদ তৈরি হয়েছিল, খুব শিগগিরই হয়তো এ চুক্তি নিয়ে ইতিবাচক কোনো ঘোষণা আসবে দুপক্ষ থেকে। তবে এখন পর্যন্ত আলোচনার টেবিলেই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে এ চুক্তি। অবশ্য সরাসরি নেতিবাচক বার্তাও আসেনি কোনো পক্ষ থেকেই।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবশেষ এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, সমঝোতার আলোচনা ‘গঠনমূলকভাবে এগোচ্ছে’। তবে এ নিয়ে তাড়াহুড়া না করতে বলেছেন তিনি। অন্যদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, এ চুক্তি নিয়ে দুই দেশ ‘খুব কাছাকাছি এলেও এখনো দূরেও রয়ে গেছে’।
বিবিসি ও আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যস্থতাকারীদের বলেছেন, তারা যেন ইরানের সঙ্গে চুক্তি করার ক্ষেত্রে কোনো তাড়াহুড়া না করেন। এর আগে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে গেছে।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বহুল আলোচিত এ চুক্তিতে ৬০ দিন পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি বাড়ানো, হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেওয়া এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ভবিষ্যতে আরও আলোচনার পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করার কথা বলা হয়েছে। কিছু কিছু বিষয়ে দুপক্ষ একমত হলেও এখনো এ চুক্তির কিছু শর্ত নিয়ে তীব্র মতবিরোধ রয়ে গেছে।
নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, আলোচনা গঠনমূলকভাবে এগোচ্ছে। তবে দুই পক্ষকেই সময় নিতে হবে ও সঠিকভাবে বিষয়টি সম্পন্ন করতে হবে।
এর আগে শনিবার ট্রাম্প বলেছিলেন, চুক্তির ‘বেশিরভাগ অংশ’ নিয়ে এরই মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। এরপরই জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়, এ নিয়ে দ্রুত কোনো ঘোষণা আসতে পারে। এরপরই রোববার এলো ট্রাম্পের ‘তাড়াহুড়া না করা’র আহ্বান।
সপ্তাহান্তে ইরানের কর্মকর্তারাও আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছেন। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেন, দুই পক্ষ চুক্তির খুব কাছেও আছে, আবার অনেক দূরেও আছে।
বাঘাইয়ের ইঙ্গিত, কিছু বিষয়ে দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতা এগোলেও এখনো গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বিষয়ে মতপার্থক্য রয়ে গেছে।
মার্কিন গণমাধ্যমগুলো বলছে, আলোচনায় থাকা এই সমঝোতা কোনো চূড়ান্ত চুক্তি নয়। বরং বেশ কিছু জটিল বিষয়কে পরবর্তী সময়ে আলোচনার জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে। ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার পরিধি ও সময়, জব্দ করা ইরানি অর্থ ছাড় করা হবে কি না এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর যুক্তরাষ্ট্র কী ধরনের সীমাবদ্ধতা চায়— এ বিষয়গুলোই মূলত পরে আলোচনা করা হবে।
এর আগে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছিলেন, আলোচনায় ‘গুরুত্বপূর্ণ’ অগ্রগতি হয়েছে, যদিও তা এখনো চূড়ান্ত নয়। তিনি ইঙ্গিত দেন, গত ৪৮ ঘণ্টার অগ্রগতি হরমুজ প্রণালিকে আবার পুরোপুরি উন্মুক্ত করে দিতে পারে, যেখানে কোনো ধরনের টোল বা বাধা থাকবে না।
শনিবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেন, ইরান একটি ‘সমঝোতা স্মারক’ চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই সমঝোতা হলে ভবিষ্যতে ‘চূড়ান্ত চুক্তি’ নিয়ে আরও আলোচনা করা সম্ভব হবে।
ট্রাম্পও শনিবার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এই চলমান প্রক্রিয়াকে ‘সমঝোতা স্মারক’ বলেই উল্লেখ করেন।
আলোচনায় মধ্যস্থতা করা পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ইসহাক দার বলেছেন, সাম্প্রতিক আলোচনা দেখে মনে হচ্ছে, ইতিবাচক কোনো সমাধানের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে এবং দুই পক্ষ একটি সমঝোতার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে।
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে ট্রাম্পের দল রিপাবলিকানদের মধ্যে মতভেদ দেখা দিয়েছে। কেউ কেউ প্রকাশ্যে বলছেন, এতে ইরানের প্রতি অতিরিক্ত নমনীয়তা দেখানো হচ্ছে। সিনেটর টেড ক্রুজ এ সম্ভাব্য চুক্তিকে ‘ভয়াবহ ভুল’ বলে মন্তব্য করেছেন।
অন্যদিকে সিনেট আর্মড সার্ভিসেস কমিটির চেয়ারম্যান রজার উইকার বলেছেন, ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি হলে অপারেশন এপিক ফিউরির সব অর্জনই অর্থহীন হয়ে যাবে।
তবে এ বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউজ অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির রিপ্রেজেন্টেটিভ মাইক ললার বলেছেন, মার্কিন প্রশাসন ইরানকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করতে পেরেছে। এটিকেই বড় সাফল্য মনে করছেন তারা।
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমঝোতার পথে যে বিষয়টি সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে রয়েছে সেটি হলো— ইরানের পরমাণু কর্মসূচি। যুক্তরাষ্ট্র বারবারই বলছে, ইরান কোনো ধরনের পারমাণবিক কর্মসূচি চালাতে পারবে না। অন্তত ২০ বছর ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুতও অন্য কোথাও সরিয়ে ফেলতে বলা হয়েছে।
রোববার ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প আবারও বলেন, ইরানকে বুঝতে হবে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে পারবে না। তেহরান অবশ্য বারবার দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শুধুই শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেছেন, আমরা বিশ্বকে আশ্বস্ত করতে প্রস্তুত যে আমরা পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছি না।
এ অবস্থায় চুক্তির স্বার্থে আগামী পাঁচ বছর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ রাখতে রাজি হলেও ইরান পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করতে নারাজ। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানের কাছে বর্তমানে প্রায় ৪৪০ কেজি ইউরেনিয়াম রয়েছে, যা ৬০ শতাংশ পর্যন্ত সমৃদ্ধ করা হয়েছে। একে আরও প্রক্রিয়াজাত করে অস্ত্র তৈরির উপযোগী ৯০ শতাংশ মাত্রায় নেওয়া তুলনামূলক সহজ বলে মনে করা হয়। সে পর্যায়ে পৌঁছালে ইরানের পক্ষে পারমাণবিক বোমা তৈরিও সম্ভব হতে পারে।
কিছু মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে অবশ্য বলা হয়েছে, সম্ভাব্য চুক্তির অংশ হিসেবে ইরান শেষ পর্যন্ত তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে রাজি হতে পারে।

ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিন-নোয়েল ব্যারো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, 'আজ থেকে ইতামার বেন-গভিরকে ফরাসি ভূখণ্ডে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হলো।' তিনি অভিযোগ করেন, ওই ভিডিওতে ফরাসি ও ইউরোপীয় নাগরিকদের প্রতি তার 'নিন্দনীয় আচরণ' দেখা গেছে, যারা ওই ত্রাণবাহী ফ্লোটিলার অংশ ছিলেন।
১ দিন আগে
ভূতাত্ত্বিকভাবে সক্রিয় একাধিক ফল্ট লাইনের ওপর অবস্থান করায় তুরস্কে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়ে থাকে। দেশটি এখনো ২০২৩ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের ক্ষত সামলাচ্ছে, যেখানে দক্ষিণ তুরস্ক ও উত্তর সিরিয়ায় ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।
১ দিন আগে
বিক্ষোভের একপর্যায়ে একদল আন্দোলনকারী প্রধানমন্ত্রী সানচেজের সরকারি বাসভবন মনক্লোয়া প্যালেস-এর চারপাশের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। স্প্যানিশ টেলিভিশনে প্রচারিত ফুটেজে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের দিকে যাওয়ার মূল সড়কে মুখোশধারী একদল লোককে পুলিশ বাধা দিচ্ছে। এই বিশৃঙ্খল পরিস্
১ দিন আগে
কিয়েভের সামরিক প্রশাসক তৈমুর তাকাচেঙ্কো টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে বলেন, কিয়েভ বড় মিসাইল হামলার মধ্যে আছে। এ সময় তিনি সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যাওয়ার নির্দেশনা দেন।
১ দিন আগে