
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে আরও ২৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক। এর ফলে অবরুদ্ধ এই উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৫১ হাজারে পৌঁছে গেছে।
গত ১৮ মার্চ গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে ১৬০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৬ এপ্রিল) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, মঙ্গলবার ভোর থেকে গাজা উপত্যকা জুড়ে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে আরও ২৩ জন নিহত হয়েছেন বলে বেশ কয়েকটি চিকিৎসা সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে। এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডজুড়ে আরও হামলা ও হতাহতের খবর আসা অব্যাহত রয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৮ মাস আগে গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে কমপক্ষে ৫১ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ১ লাখ ১৬ হাজার ৩৪৩ জন আহত হয়েছেন।
হামাসের সামরিক শাখা জানিয়েছে, মার্কিন-ইসরায়েলি সৈনিক এডান আলেকজান্ডারের পাহারায় থাকা গোষ্ঠীর সাথে তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মূলত ওই বন্দিকে যেখানে রাখা হয়েছিল সেখানে ইসরায়েল “সরাসরি বোমাবর্ষণ” শুরু করার পর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
এদিকে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস গাজায় ফিলিস্তিনিদের মৃতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি বলে জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ হাজার হাজার লোককে মৃত বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে।
১৫ মাস সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইসরায়েল। তারপর প্রায় দু’মাস গাজায় কম-বেশি শান্তি বজায় ছিল; কিন্তু গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রশ্নে হামাসের মতানৈক্যকে কেন্দ্র করে মার্চ মাসের তৃতীয় গত সপ্তাহ থেকে ফের গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে আরও ২৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক। এর ফলে অবরুদ্ধ এই উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৫১ হাজারে পৌঁছে গেছে।
গত ১৮ মার্চ গাজায় নতুন করে ইসরায়েলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে ১৬০০ জনেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। বুধবার (১৬ এপ্রিল) এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, মঙ্গলবার ভোর থেকে গাজা উপত্যকা জুড়ে ইসরায়েলি হামলায় কমপক্ষে আরও ২৩ জন নিহত হয়েছেন বলে বেশ কয়েকটি চিকিৎসা সূত্র আল জাজিরাকে জানিয়েছে। এছাড়া অবরুদ্ধ এই ভূখণ্ডজুড়ে আরও হামলা ও হতাহতের খবর আসা অব্যাহত রয়েছে।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ১৮ মাস আগে গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন শুরু হওয়ার পর থেকে কমপক্ষে ৫১ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত এবং আরও ১ লাখ ১৬ হাজার ৩৪৩ জন আহত হয়েছেন।
হামাসের সামরিক শাখা জানিয়েছে, মার্কিন-ইসরায়েলি সৈনিক এডান আলেকজান্ডারের পাহারায় থাকা গোষ্ঠীর সাথে তাদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মূলত ওই বন্দিকে যেখানে রাখা হয়েছিল সেখানে ইসরায়েল “সরাসরি বোমাবর্ষণ” শুরু করার পর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
এদিকে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস গাজায় ফিলিস্তিনিদের মৃতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি বলে জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে, ধ্বংসস্তূপের নিচে নিখোঁজ হাজার হাজার লোককে মৃত বলে ধরে নেওয়া হচ্ছে।
১৫ মাস সামরিক অভিযানের পর যুক্তরাষ্ট্র ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপে গত ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় ইসরায়েল। তারপর প্রায় দু’মাস গাজায় কম-বেশি শান্তি বজায় ছিল; কিন্তু গাজা থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রশ্নে হামাসের মতানৈক্যকে কেন্দ্র করে মার্চ মাসের তৃতীয় গত সপ্তাহ থেকে ফের গাজায় বিমান হামলা শুরু করে ইসরায়েল।

গত বছরের জানুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন ট্রাম্প। এর আগে থেকেই কানাডিয়ান পণ্যে শুল্ক আরোপের হুমকি দিচ্ছিলেন তিনি। এছাড়া কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছিলেন তিনি।
১ দিন আগে
শান্তি আলোচনার প্রথম দিন শেষ হওয়ার পরপরই চালানো এই হামলাগুলো সংঘাত নিরসনের প্রক্রিয়াকে আবারও অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে বাড়ির ভেতর ও আঙিনায় নারী-পুরুষের লাশ ছড়িয়ে থাকতে দেখা যাচ্ছে, যাদের কয়েকজনের শরীর মারাত্মকভাবে ক্ষতবিক্ষত।
২ দিন আগে