
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় প্রতিনিয়ত আক্রমণ চালিয়েই যাচ্ছে ইসরাইল। হামলায় গাজা ভূখণ্ডজুড়ে আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। উদ্ধারকর্মীরা যেতে না পারায় অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। সোমবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই সব তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতদিনে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডজুড়ে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। নতুনদের নিয়ে গত সাড়ে ৯ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ হাজার ৩৬৩ জনে। আহত হয়েছেন ৯০ হাজার ৯২৩ জন।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে ঢুকে গাজার শাসক দল হামাসের প্রাণঘাতী হামলার জবাবে উপত্যকায় প্রায় বিরামহীন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। হামাসের ওই হামলায় নিহত হয় এক হাজার ২০০ মতো ইসরাইলি। ওইদিন দুই শতাধিক ইসরাইলিকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে আসেন সশস্ত্র ফিলিস্তিনিরা।
ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু দখলদার দেশ ইসরাইল। তাদের হামলা থেকে রেহাই পায়নি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মসজিদ কিংবা গির্জার মতো বেসামরিক স্থাপনা। হামলার পর বিভিন্ন ভবনের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া অনেকেই নিখোঁজ হয়েছেন। তারা মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মনে করছে, গাজা উপত্যকাজুড়ে ধ্বংস হওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো ১০ হাজারেরও বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ডব্লিউএইচওর একজন মুখপাত্র বলেছেন, পোলিও মহামারি ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে ‘টিকা শিশুদের কাছে পৌঁছাতে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন।

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় প্রতিনিয়ত আক্রমণ চালিয়েই যাচ্ছে ইসরাইল। হামলায় গাজা ভূখণ্ডজুড়ে আরও ৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অনেকে। উদ্ধারকর্মীরা যেতে না পারায় অনেক মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছেন। সোমবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই সব তথ্য জানিয়েছে। খবর আলজাজিরার।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতদিনে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডজুড়ে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৩৯ জন নিহত হয়েছেন। নতুনদের নিয়ে গত সাড়ে ৯ মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা হামলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৯ হাজার ৩৬৩ জনে। আহত হয়েছেন ৯০ হাজার ৯২৩ জন।
গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরাইলে ঢুকে গাজার শাসক দল হামাসের প্রাণঘাতী হামলার জবাবে উপত্যকায় প্রায় বিরামহীন হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। হামাসের ওই হামলায় নিহত হয় এক হাজার ২০০ মতো ইসরাইলি। ওইদিন দুই শতাধিক ইসরাইলিকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে আসেন সশস্ত্র ফিলিস্তিনিরা।
ওই হামলার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় নির্বিচার হামলা শুরু দখলদার দেশ ইসরাইল। তাদের হামলা থেকে রেহাই পায়নি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মসজিদ কিংবা গির্জার মতো বেসামরিক স্থাপনা। হামলার পর বিভিন্ন ভবনের ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়া অনেকেই নিখোঁজ হয়েছেন। তারা মারা গেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ মনে করছে, গাজা উপত্যকাজুড়ে ধ্বংস হওয়া বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো ১০ হাজারেরও বেশি লোক নিখোঁজ রয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ডব্লিউএইচওর একজন মুখপাত্র বলেছেন, পোলিও মহামারি ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে ‘টিকা শিশুদের কাছে পৌঁছাতে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন।

মার্ক কার্নি বলেন, ‘আমাদের সামরিক খাতে প্রতি ডলারের মধ্যে ৭০ সেন্টই যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানোর দিন শেষ।’ তার এমন বক্তব্যের সময় উপস্থিত প্রতিনিধিরা দাঁড়িয়ে ও করতালি দিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প পোস্টে লিখেছেন, ‘তাৎক্ষণিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ বাহিনী হরমুজ প্রণালিতে প্রবেশ বা বের হতে চাওয়া সব জাহাজ অবরোধের প্রক্রিয়া শুরু করবে।’ একই সঙ্গে তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি দেন— ইরান যদি মার্কিন বাহিনী বা বেসামরিক জাহাজে হামলা চালায়, তাহলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে।
১৭ ঘণ্টা আগে
তাদের মধ্যে ২৮৭৫ জন পুরুষ এবং ৪৯৬ জন নারী। সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে তেহরান, হরমুজগান ও ইসফাহান প্রদেশে।
১৮ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) সারা দেশের তদন্তকারী কর্মকর্তাদের নতুন এক ‘বার্থ ট্যুরিজম ইনিশিয়েটিভ’ বা জন্ম পর্যটনবিরোধী পদক্ষেপে মনোনিবেশ করার নির্দেশ দিয়েছে। এই অভিযানের উদ্দেশ্য হলো, সেই সব চক্রকে নির্মূল করা, যারা বিদেশি গর্ভবতী নারীদের যুক্তরাষ্ট্রে আসতে সহায়তা
২১ ঘণ্টা আগে