
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি জীবিত আছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। দেশটির অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও নিরাপদে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি৷
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এনবিসি নিউজকে দেওয়া আব্বাস আরাগচির এক সাক্ষাৎকারের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। ওই সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইরান কারও ওপর হামলা করতে আগ্রহী না। তারা কেবল আত্মরক্ষার স্বার্থে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়েছে।
ইসরায়েলের আচমকা হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এতে মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে ফের ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে।
এর মধ্যে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদাহ এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খোমেনির অবস্থান ও বেঁচে থাকা নিয়ে নানা গুঞ্জনও ছড়িয়েছে।
এসব গুঞ্জনের পরিপ্রেক্ষিতেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি এনবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, আমার জানামতে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি জীবিত আছেন। শীর্ষ পর্যায়ের সব কর্মকর্তাই জীবিত আছেন।
ইরান মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই উত্তেজনা কমাতে আগ্রহী বলেও সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন আব্বাস আরাগচি। উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি তাদের ব্যাখ্যা করে জানিয়েছি—আমরা তাদের ওপর হামলার কোনো ইচ্ছা পোষণ করি না। শুধু আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাচ্ছি।’
মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি আরব দেশকে উপসাগরীয় দেশ বলা হয়ে থাকে। এগুলো হলো— সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইন। এর মধ্যে ওমান ছাড়া বাকি পাঁচ দেশেই মার্কিন স্থায়ী ঘাঁটি রয়েছে। ইসরায়েলের আক্রমণের জবাবে এর সবগুলোতেই হামলা চালিয়েছে ইরান।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, এসব হামলা উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর নয়, বরং মার্কিন ঘাঁটি তাদের হামলা আত্মরক্ষার জন্য। এমন বার্তাই তিনি দিয়েছেন এসব দেশকে।
বর্তমানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের কোনো যোগাযোগ নেই বলেও জানান আরাগচি। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি চলমান পরিস্থিতিতে উত্তেজনা প্রশমনে কাজ করতে চায়, ইরানের আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
আরাগচি বলেন, ‘আমেরিকানরা যদি আমাদের সঙ্গে কথা বলতে চায়, তারা জানে কীভাবে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। আমরা অবশ্যই উত্তেজনা কমাতে আগ্রহী।’

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি জীবিত আছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। দেশটির অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও নিরাপদে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি৷
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) এনবিসি নিউজকে দেওয়া আব্বাস আরাগচির এক সাক্ষাৎকারের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি। ওই সাক্ষাৎকারে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ইরান কারও ওপর হামলা করতে আগ্রহী না। তারা কেবল আত্মরক্ষার স্বার্থে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালিয়েছে।
ইসরায়েলের আচমকা হামলার জবাবে মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব দেশে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের পালটা হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। এতে মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে ফের ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে।
এর মধ্যে বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদাহ এবং বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুর নিহত হয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খোমেনির অবস্থান ও বেঁচে থাকা নিয়ে নানা গুঞ্জনও ছড়িয়েছে।
এসব গুঞ্জনের পরিপ্রেক্ষিতেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি এনবিসি নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, আমার জানামতে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি জীবিত আছেন। শীর্ষ পর্যায়ের সব কর্মকর্তাই জীবিত আছেন।
ইরান মধ্যপ্রাচ্যে চলমান এই উত্তেজনা কমাতে আগ্রহী বলেও সাক্ষাৎকারে উল্লেখ করেন আব্বাস আরাগচি। উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমি তাদের ব্যাখ্যা করে জানিয়েছি—আমরা তাদের ওপর হামলার কোনো ইচ্ছা পোষণ করি না। শুধু আত্মরক্ষার অংশ হিসেবে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে হামলা চালাচ্ছি।’
মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি আরব দেশকে উপসাগরীয় দেশ বলা হয়ে থাকে। এগুলো হলো— সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, কাতার, কুয়েত ও বাহরাইন। এর মধ্যে ওমান ছাড়া বাকি পাঁচ দেশেই মার্কিন স্থায়ী ঘাঁটি রয়েছে। ইসরায়েলের আক্রমণের জবাবে এর সবগুলোতেই হামলা চালিয়েছে ইরান।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলছেন, এসব হামলা উপসাগরীয় দেশগুলোর ওপর নয়, বরং মার্কিন ঘাঁটি তাদের হামলা আত্মরক্ষার জন্য। এমন বার্তাই তিনি দিয়েছেন এসব দেশকে।
বর্তমানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে তেহরানের কোনো যোগাযোগ নেই বলেও জানান আরাগচি। তবে যুক্তরাষ্ট্র যদি চলমান পরিস্থিতিতে উত্তেজনা প্রশমনে কাজ করতে চায়, ইরানের আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।
আরাগচি বলেন, ‘আমেরিকানরা যদি আমাদের সঙ্গে কথা বলতে চায়, তারা জানে কীভাবে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। আমরা অবশ্যই উত্তেজনা কমাতে আগ্রহী।’

হামলার বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই এবং সিরিক কাউন্টির গভর্নর রেজা শহীদিয়ান জানান, বিয়েবাড়িতে হামলায় গুরুতর আহত ৫০ জন নারী ও শিশুকে মিনাব শহরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী এক শিশুর ভাষ্যমতে, অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছানোর পরপরই এক বিকট বিস্ফোরণে চারপাশ ধ্বংসস
৫ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডব্রিন্ট বলেন, পুলিশি তদন্ত, হামলার ধরন ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে সরকার এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে ড্রোনটি নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তিরা রুশ রাষ্ট্রীয় সংস্থার পক্ষে কাজ করছিলেন। ফলে ঘটনাটিকে জার্মান সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ‘রুশ হাইব্রিড হামলা’ হিসেবে চিহ্নিত করে
৫ ঘণ্টা আগে
আইআরজিসি-র বিবৃতিতে দাবি করা হয়, জর্ডানের ‘প্রিন্স হাসান বিমানঘাঁটি’তে অবস্থিত মার্কিন ড্রোন হ্যাঙ্গারগুলো লক্ষ্য করে একটি ভারী ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ে মারা হয়েছে। তাদের দাবি অনুযায়ী, এই হামলায় বেশ কয়েকটি ড্রোন ধ্বংস হওয়ার পাশাপাশি কয়েকজন মার্কিন সেনা ও কারিগরি কর্মী নিহত হয়েছেন। একই সঙ্গে জর্
৫ ঘণ্টা আগে
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার কারণে নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল হয়ে আছে এবং ‘অপ্রত্যাশিতভাবে পরিস্থিতির অবনতি’ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
১৪ ঘণ্টা আগে