
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ ও ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতা নিয়ে এবার সরাসরি ইসরায়েলের মুখোমুখি হয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডা। অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে তিন দেশ। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ বসতি-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এর জবাবে যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে কড়া পালটা পদক্ষেপ নিয়েছে ইসরায়েল। পূর্ব জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। একই সঙ্গে কয়েকজন ব্রিটিশ রাজনীতিক ও কর্মকর্তার ইসরায়েলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে পশ্চিম তীরের বসতি ইস্যুতে ইসরায়েল ও তার কয়েকটি ঐতিহ্যগত পশ্চিমা মিত্রের মধ্যে কূটনৈতিক দূরত্ব দ্রুত বাড়ছে।
যুক্তরাজ্য মঙ্গলবার ঘোষণা দিয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানি এবং এসব বসতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু সেবা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড বলেন, বসতি সম্প্রসারণ ও ফিলিস্তিনিদের ওপর বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতার ক্ষেত্রে ব্রিটেন আর শুধু উদ্বেগ প্রকাশ করে পাশে দাঁড়িয়ে থাকবে না।
ফ্রান্স ও কানাডাও একই ধরনের পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে। তিন দেশই বলছে, বসতি সম্প্রসারণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা আরও সংকুচিত হবে।
তবে এসব নিষেধাজ্ঞার তাৎক্ষণিক অর্থনৈতিক প্রভাব তুলনামূলক সীমিত। পশ্চিম তীরের বসতিগুলো থেকে ইসরায়েলের মোট রপ্তানির পরিমাণ খুব বেশি নয়। ফলে পদক্ষেপগুলোর মূল তাৎপর্য অর্থনৈতিক ক্ষতির চেয়ে রাজনৈতিক— ইসরায়েলের বসতি নীতির বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোর অবস্থান যে আগের চেয়ে কঠোর হচ্ছে, সেটিই এর বড় বার্তা।
তবে তিন দেশের সিদ্ধান্তের পরই যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে পালটা ব্যবস্থা ঘোষণা করে ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার জানিয়েছেন, পূর্ব জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। ওই কনস্যুলেট পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ব্রিটিশ যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।

এ ছাড়া সাবেক ব্রিটিশ লেবার নেতা জেরেমি করবিনসহ কয়েকজন ব্রিটিশ রাজনীতিক ও কর্মকর্তার ইসরায়েলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একটি সমন্বয় মিশন থেকেও ব্রিটেনকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিটিশ সরকারের অবস্থানকে ‘হস্তক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। অন্যদিকে ব্রিটেন বলছে, তাদের পদক্ষেপ ইসরায়েলের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে নয়, বরং দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা রক্ষার জন্যই এই চাপ।
কূটনৈতিক উত্তেজনার পাশাপাশি পশ্চিম তীরে সহিংসতাও বাড়ছে। গত সোমবার হাজ্জা গ্রামে বসতিস্থাপনকারীদের একটি অভিযানের সময় ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে এক ফিলিস্তিনি নিহত হন। একই দিনে একটি ইসরায়েলি বসতিতে ঢুকে এক বসতিস্থাপনকারীকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগে আরেক ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
এর কয়েক দিন আগেও আল-মুঘাইয়ির এলাকায় ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারী ও সেনাদের হামলায় দুই ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত হন। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর জুলাইয়ের শেষ নাগাদ বসতিস্থাপনকারীদের হামলা-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় অন্তত ১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যা ২০২৫ সালের পুরো বছরের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
ব্রিটেন, ফ্রান্স ও কানাডার পদক্ষেপটি একক কোনো সিদ্ধান্ত নয়। তাদের সঙ্গে আরও কয়েকটি দেশ বসতি সম্প্রসারণ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে যৌথ অবস্থান নিয়েছে। তাদের মূল উদ্বেগ— পশ্চিম তীরে নতুন বসতি, বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা এবং নতুন অবকাঠামো নির্মাণ ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য প্রয়োজনীয় ভূখণ্ডকে ক্রমেই খণ্ডিত করে দিচ্ছে।
বিশেষ করে জেরুজালেমের পূর্বদিকে ই১ এলাকায় বসতি প্রকল্প নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ তীব্র হয়েছে। এই এলাকায় বসতি সম্প্রসারণ হলে পশ্চিম তীরের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের সম্ভাব্য ভৌগোলিক সংযোগ আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ফলে পশ্চিম তীর এখন শুধু ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের একটি ভূখণ্ডগত প্রশ্ন নয়, এটি ইসরায়েল ও তার পশ্চিমা মিত্রদের সম্পর্কেরও বড় পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। একদিকে মাটিতে বাড়ছে বসতি ও সহিংসতা, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়ছে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ। এই দুই প্রবণতা একই সঙ্গে চলতে থাকলে পশ্চিম তীরকে ঘিরে ইসরায়েল ও ইউরোপের দ্বন্দ্ব আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কাই বাড়ছে।

পশ্চিম তীরের ইসরায়েলি বসতি সম্প্রসারণ ও ফিলিস্তিনিদের ওপর সহিংসতা নিয়ে এবার সরাসরি ইসরায়েলের মুখোমুখি হয়েছে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও কানাডা। অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি থেকে পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘোষণা দিয়েছে তিন দেশ। একই সঙ্গে আরও কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ বসতি-সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, এর জবাবে যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে কড়া পালটা পদক্ষেপ নিয়েছে ইসরায়েল। পূর্ব জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে দেশটি। একই সঙ্গে কয়েকজন ব্রিটিশ রাজনীতিক ও কর্মকর্তার ইসরায়েলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে পশ্চিম তীরের বসতি ইস্যুতে ইসরায়েল ও তার কয়েকটি ঐতিহ্যগত পশ্চিমা মিত্রের মধ্যে কূটনৈতিক দূরত্ব দ্রুত বাড়ছে।
যুক্তরাজ্য মঙ্গলবার ঘোষণা দিয়েছে, অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতিগুলো থেকে পণ্য আমদানি এবং এসব বসতির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু সেবা ও বাণিজ্যিক কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে। ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ড বলেন, বসতি সম্প্রসারণ ও ফিলিস্তিনিদের ওপর বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতার ক্ষেত্রে ব্রিটেন আর শুধু উদ্বেগ প্রকাশ করে পাশে দাঁড়িয়ে থাকবে না।
ফ্রান্স ও কানাডাও একই ধরনের পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছে। তিন দেশই বলছে, বসতি সম্প্রসারণ অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা আরও সংকুচিত হবে।
তবে এসব নিষেধাজ্ঞার তাৎক্ষণিক অর্থনৈতিক প্রভাব তুলনামূলক সীমিত। পশ্চিম তীরের বসতিগুলো থেকে ইসরায়েলের মোট রপ্তানির পরিমাণ খুব বেশি নয়। ফলে পদক্ষেপগুলোর মূল তাৎপর্য অর্থনৈতিক ক্ষতির চেয়ে রাজনৈতিক— ইসরায়েলের বসতি নীতির বিরুদ্ধে পশ্চিমা দেশগুলোর অবস্থান যে আগের চেয়ে কঠোর হচ্ছে, সেটিই এর বড় বার্তা।
তবে তিন দেশের সিদ্ধান্তের পরই যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে পালটা ব্যবস্থা ঘোষণা করে ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সার জানিয়েছেন, পূর্ব জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়া হবে। ওই কনস্যুলেট পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ব্রিটিশ যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।

এ ছাড়া সাবেক ব্রিটিশ লেবার নেতা জেরেমি করবিনসহ কয়েকজন ব্রিটিশ রাজনীতিক ও কর্মকর্তার ইসরায়েলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। গাজা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন একটি সমন্বয় মিশন থেকেও ব্রিটেনকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রিটিশ সরকারের অবস্থানকে ‘হস্তক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। অন্যদিকে ব্রিটেন বলছে, তাদের পদক্ষেপ ইসরায়েলের অস্তিত্বের বিরুদ্ধে নয়, বরং দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের সম্ভাবনা রক্ষার জন্যই এই চাপ।
কূটনৈতিক উত্তেজনার পাশাপাশি পশ্চিম তীরে সহিংসতাও বাড়ছে। গত সোমবার হাজ্জা গ্রামে বসতিস্থাপনকারীদের একটি অভিযানের সময় ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে এক ফিলিস্তিনি নিহত হন। একই দিনে একটি ইসরায়েলি বসতিতে ঢুকে এক বসতিস্থাপনকারীকে ছুরিকাঘাতের অভিযোগে আরেক ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
এর কয়েক দিন আগেও আল-মুঘাইয়ির এলাকায় ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারী ও সেনাদের হামলায় দুই ফিলিস্তিনি কিশোর নিহত হন। জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর জুলাইয়ের শেষ নাগাদ বসতিস্থাপনকারীদের হামলা-সংশ্লিষ্ট ঘটনায় অন্তত ১৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যা ২০২৫ সালের পুরো বছরের সংখ্যাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
ব্রিটেন, ফ্রান্স ও কানাডার পদক্ষেপটি একক কোনো সিদ্ধান্ত নয়। তাদের সঙ্গে আরও কয়েকটি দেশ বসতি সম্প্রসারণ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে যৌথ অবস্থান নিয়েছে। তাদের মূল উদ্বেগ— পশ্চিম তীরে নতুন বসতি, বসতিস্থাপনকারীদের সহিংসতা এবং নতুন অবকাঠামো নির্মাণ ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের জন্য প্রয়োজনীয় ভূখণ্ডকে ক্রমেই খণ্ডিত করে দিচ্ছে।
বিশেষ করে জেরুজালেমের পূর্বদিকে ই১ এলাকায় বসতি প্রকল্প নিয়ে পশ্চিমা দেশগুলোর উদ্বেগ তীব্র হয়েছে। এই এলাকায় বসতি সম্প্রসারণ হলে পশ্চিম তীরের উত্তর ও দক্ষিণ অংশের মধ্যে ফিলিস্তিনিদের সম্ভাব্য ভৌগোলিক সংযোগ আরও দুর্বল হয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ফলে পশ্চিম তীর এখন শুধু ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের একটি ভূখণ্ডগত প্রশ্ন নয়, এটি ইসরায়েল ও তার পশ্চিমা মিত্রদের সম্পর্কেরও বড় পরীক্ষায় পরিণত হয়েছে। একদিকে মাটিতে বাড়ছে বসতি ও সহিংসতা, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাড়ছে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক চাপ। এই দুই প্রবণতা একই সঙ্গে চলতে থাকলে পশ্চিম তীরকে ঘিরে ইসরায়েল ও ইউরোপের দ্বন্দ্ব আরও গভীর হওয়ার আশঙ্কাই বাড়ছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই বিজয়ের ফলে দেশের জ্বালানি পাম্পগুলোতে তেলের দাম অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কমতে শুরু করবে। একই সঙ্গে তিনি পুনরুল্লেখ করেন, ইরানকে কোনো অবস্থাতেই ‘পারমাণবিক অস্ত্র’ অর্জন করতে দেওয়া হবে না।
১৫ ঘণ্টা আগে
সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ইয়েমেন সীমান্তের কাছে অবস্থিত জিজানে প্রতিদিন প্রায় ৪ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল পরিশোধনের সক্ষমতাসম্পন্ন একটি বড় শোধনাগার রয়েছে। গত জুলাই থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে হুতিদের সংঘাত আবার তীব্র হয়েছে। এর আগে জিজান ও ইয়ানবুতে আরামকোর স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়।
১ দিন আগে
হামলার আগে শহরটিতে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে অনলাইনে কোনো সরিয়ে নেওয়ার সতর্কবার্তা দেওয়া হয়নি। হামলার বিষয়ে রয়টার্সের প্রশ্নের তাৎক্ষণিক কোনো জবাব দেয়নি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। হামলার স্থানে চিকিৎসাকর্মী ও শিশুরা থাকার বিষয়ে তারা অবগত ছিল কি না এবং কেন কোনো সরিয়ে নেওয়ার সতর্কতা দেওয়া হয়নি— এ
১ দিন আগে
বাংলাভাষী ভারতীয় মুসলিম নারী মুমতাজ বেগমকে নিয়ম না মেনে জোর করে (পুশ ইন) বাংলাদেশে পাঠানোর ঘটনায় আসাম সরকারকে ২ লাখ রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন গুয়াহাটি হাইকোর্ট। এ ঘটনায় কোনো ব্যক্তিকে বেআইনিভাবে নির্বাসনের জন্য প্রথমবার রাজ্য সরকারের ওপর ক্ষতিপূরণের দায় চাপাল আদালত।
১ দিন আগে