
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো ওয়াশিংটন সফরে গেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তরে উঠে আসে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ।
এক ভারতীয় সাংবাদিক ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, 'বাংলাদেশের বিষয়ে আপনার অভিমত কি? কারণ এটা স্পষ্ট যে বাইডেন প্রশাসনের আমলে মার্কিন ডিপ স্টেট বাংলাদেশে সরকারপরিবর্তনের সঙ্গে জড়িত ছিল। এমন কী, ড. ইউনূস জুনিয়র সরোসের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। বাংলাদেশের বিষয়টি নিয়ে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কি?'
জবাবে ট্রাম্প বলেন, 'এ ক্ষেত্রে আমাদের ডিপ স্টেটের কোনো ভূমিকা ছিল না। এটা এমন একটিবিষয় যেটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী (মোদি) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন এবং সত্য বলতে, শত শত বছরধরে এ বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। কিন্তু আমি এটা প্রধানমন্ত্রীর (মোদির) হাতে ছেড়ে দিচ্ছি।
ওই সাংবাদিক যে 'ডিপ স্টেটে'র কথা উল্লেখ করেন, এই ডিপ স্টেট কোনো বিধিবদ্ধ কাঠামো নয়। এটি এক ধরনের দেশি-বিদেশি শক্তিশালী গ্রুপ, যারা রাষ্ট্র ও সরকারের মধ্যে সক্রিয় থাকে বিপুল ক্ষমতা নিয়ে। তাদের চেনা যায়, দেখা যায়, কিন্তু সাধারণত ধরা যায় না।
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এই মুহূর্তে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে পৌঁছান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ দিনই হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠক হয়৷ এই বৈঠকের আগে ব্রিফিংয়েই উঠে আসে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ।
নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠতার পাশাপাশি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সম্পর্কে এক ধরনের টানাপোড়েন দেখা গেছে।
এর আগে সর্বশেষ গত অক্টোবরের শেষ দিকে বাংলাদেশ ইস্যুতে কথা বলেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই সময় নির্বাচনি প্রচারে ব্যস্ত কাটাচ্ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, আমি বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর বর্বরোচিত সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। দেশটিতে দলবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা ও লুটপাট চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশ এখন পুরোপুরিভাবে একটি বিশৃঙ্খল অবস্থার মধ্যে রয়েছে।
ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমের উদ্দেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, 'প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সব সময় তার নিজের দেশকে অন্য সব কিছু থেকে এগিয়ে রাখেন, যা আমার দৃষ্টিতে একটি প্রশংসনীয় কাজ। আমিও একই কাজ করি— এ বিষয়টিতে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি এক।'
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, 'তিনি (মোদি) ভারতে খুবই ভালো কাজ করছেন এবং আমাদের দুজনের মধ্যে খুব ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। আমরা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটানো অব্যাহত রাখব।'
শুল্ক ও ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী মোদি একজন মহা নেতা। আমরা ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কিছু অসামান্য বাণিজ্য চুক্তি তৈরি করব।'
বৈঠক শুরুর আগে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন দুই নেতা। এ সময় একে অপরকে আলিঙ্গন করেন ও হাত মেলান ট্রাম্প-মোদি।
ভয়েস অব আমেরিকার খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকে তাদের দু দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কে “ন্যায্যতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার” সংকল্প ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন এই সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পাবে এবং সম্ভবত শুল্ক বৃদ্ধি পাবে।
“ভারত যে পরিমাণ শুল্ক আরোপ করবে, আমরাও সেই পরিমাণই আরোপ করবো,” এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন। “সুতরাং সত্য বলতে কি, তারা কত শুল্ক ধার্য করলো, তাতে আমাদের আর কিছু যায় আসে না।”
তিনি আরও বলেন, “ আমরা মূলত সমান সুবিধা পেতে চাই।”
বাণিজ্য উভয় দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভারত ট্রাম্পের উদ্বেগ আমলে নিচ্ছে এমনটা প্রদর্শন করার পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি ভারতকে “অনেক বড় শুল্ক অপব্যবহারকারী” দেশগুলোর তালিকাভুক্ত করেছেন। গত মাসে মোদীর সাথে ফোনালাপে ট্রাম্প ন্যায্য দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য উত্তেজনা এড়াতে চায় নয়াদিল্লী। এ মাসের শুরুতে তারা ঘোষণা দেয়, তারা এমন কিছু পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক কমাবে যা আমেরিকার রপ্তানিকারকদের জন্য লাভবান হবে; যেমন উচ্চমূল্যের মোটরসাইকেল ও গাড়ি।
আগের মতই মোদী ট্রাম্পের প্রশংসা করেন এবং প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয় উক্তি “মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন” বা “ম্যাগা’র প্রতিধ্বনি তুলে বলেন তিনিও “মেক ইন্ডিয়া গ্রেট এগেইন” বা “মিগা” অর্জন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যে মোদীর প্রশংসা করে বলেন, ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে ভাল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো ওয়াশিংটন সফরে গেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তরে উঠে আসে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ।
এক ভারতীয় সাংবাদিক ট্রাম্পকে প্রশ্ন করেন, 'বাংলাদেশের বিষয়ে আপনার অভিমত কি? কারণ এটা স্পষ্ট যে বাইডেন প্রশাসনের আমলে মার্কিন ডিপ স্টেট বাংলাদেশে সরকারপরিবর্তনের সঙ্গে জড়িত ছিল। এমন কী, ড. ইউনূস জুনিয়র সরোসের সঙ্গে দেখা করেছিলেন। বাংলাদেশের বিষয়টি নিয়ে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কি?'
জবাবে ট্রাম্প বলেন, 'এ ক্ষেত্রে আমাদের ডিপ স্টেটের কোনো ভূমিকা ছিল না। এটা এমন একটিবিষয় যেটা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী (মোদি) দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন এবং সত্য বলতে, শত শত বছরধরে এ বিষয়টি নিয়ে কাজ চলছে। কিন্তু আমি এটা প্রধানমন্ত্রীর (মোদির) হাতে ছেড়ে দিচ্ছি।
ওই সাংবাদিক যে 'ডিপ স্টেটে'র কথা উল্লেখ করেন, এই ডিপ স্টেট কোনো বিধিবদ্ধ কাঠামো নয়। এটি এক ধরনের দেশি-বিদেশি শক্তিশালী গ্রুপ, যারা রাষ্ট্র ও সরকারের মধ্যে সক্রিয় থাকে বিপুল ক্ষমতা নিয়ে। তাদের চেনা যায়, দেখা যায়, কিন্তু সাধারণত ধরা যায় না।
বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এই মুহূর্তে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না বলে স্পষ্ট ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে পৌঁছান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ দিনই হোয়াইট হাউজে ট্রাম্পের সঙ্গে তার বৈঠক হয়৷ এই বৈঠকের আগে ব্রিফিংয়েই উঠে আসে বাংলাদেশ প্রসঙ্গ।
নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আওয়ামী লীগ ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠতার পাশাপাশি বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে সম্পর্কে এক ধরনের টানাপোড়েন দেখা গেছে।
এর আগে সর্বশেষ গত অক্টোবরের শেষ দিকে বাংলাদেশ ইস্যুতে কথা বলেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই সময় নির্বাচনি প্রচারে ব্যস্ত কাটাচ্ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, আমি বাংলাদেশে হিন্দু, খ্রিষ্টান ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর বর্বরোচিত সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। দেশটিতে দলবদ্ধভাবে তাদের ওপর হামলা ও লুটপাট চালানো হচ্ছে। বাংলাদেশ এখন পুরোপুরিভাবে একটি বিশৃঙ্খল অবস্থার মধ্যে রয়েছে।
ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমের উদ্দেশে ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, 'প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সব সময় তার নিজের দেশকে অন্য সব কিছু থেকে এগিয়ে রাখেন, যা আমার দৃষ্টিতে একটি প্রশংসনীয় কাজ। আমিও একই কাজ করি— এ বিষয়টিতে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি এক।'
ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, 'তিনি (মোদি) ভারতে খুবই ভালো কাজ করছেন এবং আমাদের দুজনের মধ্যে খুব ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে। আমরা দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটানো অব্যাহত রাখব।'
শুল্ক ও ভারত-যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য বাণিজ্য চুক্তি বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী মোদি একজন মহা নেতা। আমরা ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের জন্য কিছু অসামান্য বাণিজ্য চুক্তি তৈরি করব।'
বৈঠক শুরুর আগে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন দুই নেতা। এ সময় একে অপরকে আলিঙ্গন করেন ও হাত মেলান ট্রাম্প-মোদি।
ভয়েস অব আমেরিকার খবরে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বৃহস্পতিবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকে তাদের দু দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কে “ন্যায্যতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার” সংকল্প ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন এই সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি হ্রাস পাবে এবং সম্ভবত শুল্ক বৃদ্ধি পাবে।
“ভারত যে পরিমাণ শুল্ক আরোপ করবে, আমরাও সেই পরিমাণই আরোপ করবো,” এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন। “সুতরাং সত্য বলতে কি, তারা কত শুল্ক ধার্য করলো, তাতে আমাদের আর কিছু যায় আসে না।”
তিনি আরও বলেন, “ আমরা মূলত সমান সুবিধা পেতে চাই।”
বাণিজ্য উভয় দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভারত ট্রাম্পের উদ্বেগ আমলে নিচ্ছে এমনটা প্রদর্শন করার পদক্ষেপ নিয়েছে। তিনি ভারতকে “অনেক বড় শুল্ক অপব্যবহারকারী” দেশগুলোর তালিকাভুক্ত করেছেন। গত মাসে মোদীর সাথে ফোনালাপে ট্রাম্প ন্যায্য দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্পর্কের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাথে বাণিজ্য উত্তেজনা এড়াতে চায় নয়াদিল্লী। এ মাসের শুরুতে তারা ঘোষণা দেয়, তারা এমন কিছু পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক কমাবে যা আমেরিকার রপ্তানিকারকদের জন্য লাভবান হবে; যেমন উচ্চমূল্যের মোটরসাইকেল ও গাড়ি।
আগের মতই মোদী ট্রাম্পের প্রশংসা করেন এবং প্রেসিডেন্টের জনপ্রিয় উক্তি “মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন” বা “ম্যাগা’র প্রতিধ্বনি তুলে বলেন তিনিও “মেক ইন্ডিয়া গ্রেট এগেইন” বা “মিগা” অর্জন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যে মোদীর প্রশংসা করে বলেন, ভারতের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক এখন যেকোনো সময়ের চেয়ে ভাল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই প্রস্তাবকে ‘বাস্তবায়নযোগ্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এই প্রস্তাবটি ভবিষ্যতের একটি বড় শান্তি চুক্তির ভিত্তি হতে পারে এবং দুই দেশের বহু জটিল ইস্যু নীতিগতভাবে সমাধানের পথে রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ‘শোচনীয় পরাজয়’ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের সামরিক স্থাপনার পাশাপাশি দেশটির বেসামরিক ও গবেষণা অবকাঠামো লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে ইসরায়েল-এর বিরুদ্ধে। সাম্প্রতিক কয়েক দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় ইরানের অন্তত ৩০টি শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন গবেষণা কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে বলে দাবি ক
৯ ঘণ্টা আগে
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের তথ্যভিত্তিক হিসাব অনুযায়ী ইরান যুদ্ধের ৪০ দিনে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা ৬ বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের মোট ৫ হাজার ৩৬৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে ইরানের ৩ হাজার ৬৩৬ জন এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ২৬ জন নিহত হয়েছেন।
১১ ঘণ্টা আগে