
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইসরায়েলের প্রাথমিক হামলায় একাধিক সামরিক কমান্ডার নিহত হওয়ার পরও ইরানের অবিরাম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রমাণ করে, তেহরানের বাহিনী পুনরায় সংগঠিত হতে সক্ষম। শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তাদের হারানোর পরও ইরানের এই পুনর্গঠন সক্ষমতা ইসরায়েলকেও বিস্মিত করেছে।
মার্কিন সম্প্রচার মাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন একজন বিশ্লেষক।
কোয়েন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপনসিবল স্টেটক্রাফটের ভাইস প্রেসিডেন্ট ট্রাইটা পার্সি বলেন, ‘ইসরায়েলিরা ইরানের পুনর্গঠন সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করেছে। কারণ তারা (ইসরায়েলিরা) অত্যন্ত সফলভাবে ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল এবং তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে হত্যা করতে সক্ষম হয়েছিল।’
পার্সি জানান, ইসরায়েল বিশ্বাস করেছিল যে তারা ইরানের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে ব্যাহত করেছে। কিন্তু সেই ধারণা দ্রুত বদলে গেছে।
এই সমর বিশারদ আরও বলেন, এখন আমরা যা দেখছি তা হলো, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সমস্ত স্তর ভেদ করতে সফল হচ্ছে।
পার্সি সিএনএনকে যখন তাঁর এই মূল্যায়নের কথা বলছিলেন, সেই সময়ই আজ সোমবার ভোরের দিকে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নতুন ঢেউ নেমে আসে এবং ইসরায়েলের একাধিক স্থানে আঘাত হানে।
ইরান ও ইসরায়েল উভয় পক্ষেই হামলার তীব্রতা বাড়ানোর ফলে হতাহতের সংখ্যাও বাড়ছে। তেহরানের বাসিন্দারা নিরাপত্তার সন্ধানে রাজধানী ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছে। অন্যদিকে ইসরায়েলে রাতভর বিস্ফোরণ ও আগুন দেখা গেছে। বহু আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত শুক্রবার ভোরে ইসরায়েলের নজিরবিহীন ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, তাদের এলিট রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসের প্রধান, বিমানবাহিনীর প্রধান এবং একজন সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান নিহত হয়েছেন। এই বিশাল ক্ষতির পরও ইরানের পাল্টা আক্রমণের সক্ষমতা আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের নজর কেড়েছে।

ইসরায়েলের প্রাথমিক হামলায় একাধিক সামরিক কমান্ডার নিহত হওয়ার পরও ইরানের অবিরাম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা প্রমাণ করে, তেহরানের বাহিনী পুনরায় সংগঠিত হতে সক্ষম। শীর্ষস্থানীয় সামরিক কর্মকর্তাদের হারানোর পরও ইরানের এই পুনর্গঠন সক্ষমতা ইসরায়েলকেও বিস্মিত করেছে।
মার্কিন সম্প্রচার মাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন একজন বিশ্লেষক।
কোয়েন্সি ইনস্টিটিউট ফর রেসপনসিবল স্টেটক্রাফটের ভাইস প্রেসিডেন্ট ট্রাইটা পার্সি বলেন, ‘ইসরায়েলিরা ইরানের পুনর্গঠন সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করেছে। কারণ তারা (ইসরায়েলিরা) অত্যন্ত সফলভাবে ইরানের সামরিক বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল এবং তাদের মধ্যে বেশ কয়েকজনকে হত্যা করতে সক্ষম হয়েছিল।’
পার্সি জানান, ইসরায়েল বিশ্বাস করেছিল যে তারা ইরানের কমান্ড ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাকে ব্যাহত করেছে। কিন্তু সেই ধারণা দ্রুত বদলে গেছে।
এই সমর বিশারদ আরও বলেন, এখন আমরা যা দেখছি তা হলো, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সমস্ত স্তর ভেদ করতে সফল হচ্ছে।
পার্সি সিএনএনকে যখন তাঁর এই মূল্যায়নের কথা বলছিলেন, সেই সময়ই আজ সোমবার ভোরের দিকে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার নতুন ঢেউ নেমে আসে এবং ইসরায়েলের একাধিক স্থানে আঘাত হানে।
ইরান ও ইসরায়েল উভয় পক্ষেই হামলার তীব্রতা বাড়ানোর ফলে হতাহতের সংখ্যাও বাড়ছে। তেহরানের বাসিন্দারা নিরাপত্তার সন্ধানে রাজধানী ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছে। অন্যদিকে ইসরায়েলে রাতভর বিস্ফোরণ ও আগুন দেখা গেছে। বহু আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
গত শুক্রবার ভোরে ইসরায়েলের নজিরবিহীন ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ অভিযানে ইরানের সর্বোচ্চ পদস্থ সামরিক কর্মকর্তা, তাদের এলিট রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসের প্রধান, বিমানবাহিনীর প্রধান এবং একজন সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান নিহত হয়েছেন। এই বিশাল ক্ষতির পরও ইরানের পাল্টা আক্রমণের সক্ষমতা আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের নজর কেড়েছে।

আলজাজিরা বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সূত্রটি জানিয়েছে, গতকাল রাতে নিখোঁজ বিমানের ক্রুকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়। এরপর তাকে উদ্ধারে অভিযান শুরু হয়। কিন্তু তখন ব্যাপক বাধার মুখেও পড়তে হয় তাদের।
১৫ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব জ্বালানি পরিবহনের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ট্রাম্পের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আলটিমেটাম প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। ট্রাম্পকে ‘ভারসাম্যহীন’ বলে উল্লেখ করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড। উলটো দেশটির এক নিরাপত্তা কর্মকর্তা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের জন্য তাদের পক্ষ থ
১৬ ঘণ্টা আগে
আলজাজিরা খবরে বলা হয়, রাশিয়ার বিভিন্ন হামলায় গত ২৪ ঘণ্টায় ইউক্রেনে অন্তত ১৫ জন নিহত এবং আরও বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইউক্রেনের কর্মকর্তারা। একই সময়ে প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে ইস্তাম্বুলে বৈঠক করেছেন।
১৬ ঘণ্টা আগে
শনিবার (৪ এপ্রিল) ট্রাম্প নতুন এ আলটিমেটাম দেন ইরানকে। দুই দিন সময় বেঁধে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ইরানের হাতে আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা সময় আছে। এই সময়ের মধ্যে তারা সিদ্ধান্ত না নিলে তাদের ওপর ‘ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞ’ বা ‘জাহান্নাম’ নেমে আসবে।
১৭ ঘণ্টা আগে