
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ইস্যুতে ফের ইরান কর্তৃপক্ষ ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এসেছে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান ‘অনন্তকাল পর্যন্ত’ তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পরিদর্শনের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। তবে তার এ দাবি অস্বীকার করেছে তেহরান।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের পাশাপাশি ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সও পারমাণবিক ইস্যুতে কথা বলেছেন। সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন।
ভ্যান্স বলেন, সুইজারল্যান্ডের আলোচনা একটি চূড়ান্ত চুক্তির জন্য ভালো ভিত্তি তৈরি করেছে। ইরান দেশটিতে আবারও পারমাণবিক পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে।
তবে ইরান জানিয়েছে, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া ওই বৈঠকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। একই সঙ্গে তারা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকদের ফের আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়েও কোনো সম্মতি দেয়নি।
তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে। ওই সমঝোতার অধীনেই সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা। এরপর সোমবার থেকে ৬০ দিনের জন্য ইরানের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই মঙ্গলবার বলেন, সুইজারল্যান্ডে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির কোনো বৈঠক হয়নি। পাশাপাশি জাতিসংঘের এই পারমাণবিক তদারকি সংস্থাকে ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়ারও কোনো পরিকল্পনা নেই।
ইরানের এ বক্তব্যকে ‘মিথ্যা দাবি’ আখ্যা দিয়ে মঙ্গলবার পালটা প্রতিক্রিয়া জানান ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, ‘ইরান ভবিষ্যতের জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের পারমাণবিক পরিদর্শনে পুরোপুরি ও সম্পূর্ণভাবে সম্মত হয়েছে (ইনফিনিটি!!!)।’
ট্রাম্প আরও বলেন, চুক্তির আওতায় অবমুক্ত করা ইরানি সম্পদ একটি এসক্রো হিসাবে রাখা হবে এবং সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রী কেনা হবে। এর মধ্যে থাকবে ‘আমাদের মহান মার্কিন কৃষকদের উৎপাদিত ভুট্টা, গম ও সয়াবিন’।
তবে এর আগেই মঙ্গলবার জেনেভায় জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত এমন কোনো সমঝোতার কথা অস্বীকার করেছিলেন। সাংবাদিকদের আলী বাহরেইনি বলেন, যে সম্পদ অবমুক্ত করা হবে, তা কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র অধিকার ইরানের। এ বিষয়ে অন্য কোনো দেশের প্রভাব বা ভূমিকা থাকবে— এ ধরনের যে কোনো দাবি আমি প্রত্যাখ্যান করছি।
বিরোধপূর্ণ এসব বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যকে নাড়িয়ে দেওয়া যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে চলমান আলোচনাকে ঘিরে অনিশ্চয়তার বিষয়টিই সামনে নিয়ে এসেছে।
সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এমন একটি প্রক্রিয়ায় সম্মত হয়েছে, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ইসরায়েল ও ইরান-সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাত বন্ধ করা হবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে একটি যোগাযোগব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে। যুদ্ধের সময় ইরান এই প্রণালি অবরোধ করেছিল।
ইরানকে অর্থনৈতিক স্বস্তি দেওয়ার প্রথম কয়েকটি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ২১ আগস্ট পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে তেহরান তেল ও সংশ্লিষ্ট পণ্য বিক্রি করতে পারবে এবং সেই বিক্রির অর্থও গ্রহণ করতে পারবে।
বাহরেইনি বলেন, আলোচনায় ‘ভালো অগ্রগতি’ হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দুটি কর্মী দল গঠন করা হবে, যারা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে কাজ করবে।
ইরানি এ রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের বলেন, পারমাণবিক কর্মসূচি বা আইএইএর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার আগে প্রাথমিক চুক্তির পাঁচটি অংশ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হবে।
ইরানি রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের অন্তর্বর্তী চুক্তির একটি ‘অবিসংবাদিত’ অংশ হলো লেবানন। এর মধ্যে লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টিও রয়েছে।
রোববার থেকে দক্ষিণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি মোটামুটি কার্যকর রয়েছে। তবে মঙ্গলবার দেশটির সিভিল ডিফেন্স বিভাগ ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে সেখানে দুজন নিহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহ বলেছে, ঘটনাটি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের শামিল।
অন্যদিকে ইসরায়েল বলেছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে একটি নিরাপত্তা অঞ্চল বজায় রাখবে এবং ইসরায়েলি সৈন্য ও নাগরিকদের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি ‘নিষ্ক্রিয়’ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে থাকবে।
মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে নতুন দফা আলোচনা শুরু হওয়ার কথা ছিল। লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলি হামলায় ইতোমধ্যে হাজারো মানুষ নিহত এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
সোমবার থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। তবে ইরান ও ওমান এক যৌথ বিবৃতিতে ইঙ্গিত দিয়েছে, এই প্রণালি ব্যবহারের সঙ্গে কিছু ব্যয় জড়িত থাকতে পারে। যুদ্ধের সময় প্রণালিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেলের দাম ও বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে গিয়েছিল।
ইরান ও ওমান জানিয়েছে, প্রণালিতে নৌ যান চলাচলের ব্যবস্থাপনা, প্রদেয় সেবা ও সংশ্লিষ্ট ব্যয় নির্ধারণে একটি যৌথ কর্মী দল কাজ করবে। তারা বলেছে, যেকোনো ব্যবস্থা তাদের ‘সার্বভৌমত্ব ও সার্বভৌম অধিকার’কে সম্মান জানিয়ে করতে হবে।
ইরানের সঙ্গে অন্তর্বর্তী চুক্তি হওয়ার পর থেকে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। সোমবার ৩ শতাংশ কমে স্থির হওয়ার পর মঙ্গলবারও অপরিশোধিত তেলের দাম আরও কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্প ও কংগ্রেসে তার দল রিপাবলিকান সদস্যদের জন্য রাজনৈতিক চাপের কারণ হয়ে উঠেছে।
জনমত জরিপে দেখা গেছে, যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে অনেক মার্কিন নাগরিক অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। একই সময়ে রিপাবলিকান দলের ভেতর থেকেও ট্রাম্পের ওপর চাপ রয়েছে। তাদের দাবি, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।
গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রথম দফা বিমান হামলার পর থেকেই আইএইএর পরিদর্শন কার্যক্রম সীমিত করে দেয় ইরান। যুদ্ধ শুরু হলে সেই পরিদর্শন পুরোপুরি স্থগিত করা হয়। তবে ইরান বরাবরই বলে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হচ্ছে।

ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ইস্যুতে ফের ইরান কর্তৃপক্ষ ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পক্ষ থেকে এসেছে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য। ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান ‘অনন্তকাল পর্যন্ত’ তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি পরিদর্শনের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে। তবে তার এ দাবি অস্বীকার করেছে তেহরান।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের পাশাপাশি ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্সও পারমাণবিক ইস্যুতে কথা বলেছেন। সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টকে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে আলোচনায় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন।
ভ্যান্স বলেন, সুইজারল্যান্ডের আলোচনা একটি চূড়ান্ত চুক্তির জন্য ভালো ভিত্তি তৈরি করেছে। ইরান দেশটিতে আবারও পারমাণবিক পরিদর্শকদের প্রবেশের অনুমতি দিতে সম্মত হয়েছে।
তবে ইরান জানিয়েছে, কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া ওই বৈঠকে তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি। একই সঙ্গে তারা আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকদের ফের আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়েও কোনো সম্মতি দেয়নি।
তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছে। ওই সমঝোতার অধীনেই সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা। এরপর সোমবার থেকে ৬০ দিনের জন্য ইরানের ওপর কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে সম্মত হয়েছে ওয়াশিংটন।
ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই মঙ্গলবার বলেন, সুইজারল্যান্ডে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে আইএইএর মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসির কোনো বৈঠক হয়নি। পাশাপাশি জাতিসংঘের এই পারমাণবিক তদারকি সংস্থাকে ইরানের ক্ষতিগ্রস্ত পারমাণবিক স্থাপনাগুলো পরিদর্শনের অনুমতি দেওয়ারও কোনো পরিকল্পনা নেই।
ইরানের এ বক্তব্যকে ‘মিথ্যা দাবি’ আখ্যা দিয়ে মঙ্গলবার পালটা প্রতিক্রিয়া জানান ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লিখেছেন, ‘ইরান ভবিষ্যতের জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের পারমাণবিক পরিদর্শনে পুরোপুরি ও সম্পূর্ণভাবে সম্মত হয়েছে (ইনফিনিটি!!!)।’
ট্রাম্প আরও বলেন, চুক্তির আওতায় অবমুক্ত করা ইরানি সম্পদ একটি এসক্রো হিসাবে রাখা হবে এবং সেখান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও চিকিৎসাসামগ্রী কেনা হবে। এর মধ্যে থাকবে ‘আমাদের মহান মার্কিন কৃষকদের উৎপাদিত ভুট্টা, গম ও সয়াবিন’।
তবে এর আগেই মঙ্গলবার জেনেভায় জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত এমন কোনো সমঝোতার কথা অস্বীকার করেছিলেন। সাংবাদিকদের আলী বাহরেইনি বলেন, যে সম্পদ অবমুক্ত করা হবে, তা কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার একমাত্র অধিকার ইরানের। এ বিষয়ে অন্য কোনো দেশের প্রভাব বা ভূমিকা থাকবে— এ ধরনের যে কোনো দাবি আমি প্রত্যাখ্যান করছি।
বিরোধপূর্ণ এসব বক্তব্য মধ্যপ্রাচ্যকে নাড়িয়ে দেওয়া যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে চলমান আলোচনাকে ঘিরে অনিশ্চয়তার বিষয়টিই সামনে নিয়ে এসেছে।
সোমবার যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান এমন একটি প্রক্রিয়ায় সম্মত হয়েছে, যার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ইসরায়েল ও ইরান-সমর্থিত লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে সংঘাত বন্ধ করা হবে। একই সঙ্গে বৈশ্বিক তেল সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে একটি যোগাযোগব্যবস্থাও চালু করা হয়েছে। যুদ্ধের সময় ইরান এই প্রণালি অবরোধ করেছিল।
ইরানকে অর্থনৈতিক স্বস্তি দেওয়ার প্রথম কয়েকটি পদক্ষেপের অংশ হিসেবে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় ২১ আগস্ট পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা শিথিলের ঘোষণা দিয়েছে। এর ফলে তেহরান তেল ও সংশ্লিষ্ট পণ্য বিক্রি করতে পারবে এবং সেই বিক্রির অর্থও গ্রহণ করতে পারবে।
বাহরেইনি বলেন, আলোচনায় ‘ভালো অগ্রগতি’ হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দুটি কর্মী দল গঠন করা হবে, যারা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম নিয়ে কাজ করবে।
ইরানি এ রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের বলেন, পারমাণবিক কর্মসূচি বা আইএইএর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার আগে প্রাথমিক চুক্তির পাঁচটি অংশ পুরোপুরি বাস্তবায়ন করতে হবে।
ইরানি রাষ্ট্রদূত বলেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের অন্তর্বর্তী চুক্তির একটি ‘অবিসংবাদিত’ অংশ হলো লেবানন। এর মধ্যে লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহারের বিষয়টিও রয়েছে।
রোববার থেকে দক্ষিণ লেবাননে যুদ্ধবিরতি মোটামুটি কার্যকর রয়েছে। তবে মঙ্গলবার দেশটির সিভিল ডিফেন্স বিভাগ ও রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে সেখানে দুজন নিহত হয়েছেন। হিজবুল্লাহ বলেছে, ঘটনাটি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের শামিল।
অন্যদিকে ইসরায়েল বলেছে, তারা দক্ষিণ লেবাননে একটি নিরাপত্তা অঞ্চল বজায় রাখবে এবং ইসরায়েলি সৈন্য ও নাগরিকদের বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি ‘নিষ্ক্রিয়’ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে থাকবে।
মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে নতুন দফা আলোচনা শুরু হওয়ার কথা ছিল। লেবাননে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে ইসরায়েলি হামলায় ইতোমধ্যে হাজারো মানুষ নিহত এবং লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে।
সোমবার থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী জাহাজ চলাচল কিছুটা বাড়তে শুরু করেছে। তবে ইরান ও ওমান এক যৌথ বিবৃতিতে ইঙ্গিত দিয়েছে, এই প্রণালি ব্যবহারের সঙ্গে কিছু ব্যয় জড়িত থাকতে পারে। যুদ্ধের সময় প্রণালিটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তেলের দাম ও বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে গিয়েছিল।
ইরান ও ওমান জানিয়েছে, প্রণালিতে নৌ যান চলাচলের ব্যবস্থাপনা, প্রদেয় সেবা ও সংশ্লিষ্ট ব্যয় নির্ধারণে একটি যৌথ কর্মী দল কাজ করবে। তারা বলেছে, যেকোনো ব্যবস্থা তাদের ‘সার্বভৌমত্ব ও সার্বভৌম অধিকার’কে সম্মান জানিয়ে করতে হবে।
ইরানের সঙ্গে অন্তর্বর্তী চুক্তি হওয়ার পর থেকে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে। সোমবার ৩ শতাংশ কমে স্থির হওয়ার পর মঙ্গলবারও অপরিশোধিত তেলের দাম আরও কমেছে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার মাধ্যমে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ট্রাম্প ও কংগ্রেসে তার দল রিপাবলিকান সদস্যদের জন্য রাজনৈতিক চাপের কারণ হয়ে উঠেছে।
জনমত জরিপে দেখা গেছে, যুদ্ধ শুরুর পর জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে অনেক মার্কিন নাগরিক অসন্তোষ প্রকাশ করছেন। একই সময়ে রিপাবলিকান দলের ভেতর থেকেও ট্রাম্পের ওপর চাপ রয়েছে। তাদের দাবি, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে।
গত বছর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্রথম দফা বিমান হামলার পর থেকেই আইএইএর পরিদর্শন কার্যক্রম সীমিত করে দেয় ইরান। যুদ্ধ শুরু হলে সেই পরিদর্শন পুরোপুরি স্থগিত করা হয়। তবে ইরান বরাবরই বলে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যেই পরিচালিত হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগ জানিয়েছে, হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত একটি ইউএফসি ফ্রিডম ২৫০ মিক্সড মার্শাল আর্টস ইভেন্টকে লক্ষ্য করে সরকারি কর্মকর্তাদের ওপর হামলার ষড়যন্ত্রের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
একটি প্রাথমিক শান্তি চুক্তির আওতায় প্রথম দফার আলোচনার পর গতকাল সোমবার থেকে আগামী ৬০ দিনের জন্য ইরানের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা স্থগিত করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, ইরান যদি এই চুক্তির শর্ত মেনে না চলে, তবে তিনি ‘যা করার তা-ই করবেন’।
১২ ঘণ্টা আগে
দশ বছর আগের ব্রেক্সিট আলোচনার সময়কার ইউরোপ আর আজকের ইউরোপ এক নয়। তখন মূল প্রশ্ন ছিল যুক্তরাজ্যের বিদায় কীভাবে সামলানো হবে। আর এখন প্রশ্ন— ক্রমশ অস্থিতিশীল হয়ে ওঠা বিশ্বে ইউরোপ কীভাবে নিজের অবস্থান ধরে রাখবে।
১২ ঘণ্টা আগে
সুইজারল্যান্ডে আলোচনার পর জেডি ভ্যান্স জানিয়েছিলেন যে, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার সঙ্গে আলোচনা "আজ থেকেই শুরু হতে পারে"।
১৩ ঘণ্টা আগে