
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের অবসানে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে ব্রিকস। একই সঙ্গে একতরফা নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক আরোপের বিরোধিতা করে আন্তর্জাতিক বিরোধ মীমাংসায় সংলাপ, কূটনীতি ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়ে ‘নিউ দিল্লি ডিক্লারেশন’ ঘোষণা করেছে ১১ দেশের এই জোট।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হয়ে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) শেষ হওয়া ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে ‘নিউ দিল্লি ডিক্লারেশন’ নামে নতুন এই যৌথ ঘোষণা গৃহীত হয়।
৪০টির বেশি পৃষ্ঠার ঘোষণায় ব্রিকস নেতারা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির দ্রুত অবনতিতে গভীর উদ্বেগ জানান। সংঘাত আরও বাড়াতে পারে— এমন যেকোনো পদক্ষেপ এড়িয়ে সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়ে তারা সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সংকট সমাধানের ওপর জোর দেন। তবে ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের নাম সরাসরি উল্লেখ করে কোনো নিন্দা জানানো হয়নি।
ঘোষণায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে একতরফা শুল্ক ও অশুল্ক ব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ জানানো হয়েছে। বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞাকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সরবরাহব্যবস্থার জন্য বাধা হিসেবে তুলে ধরে ব্রিকস বলেছে, এমন পদক্ষেপ বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়ায়।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্রিকস সদস্যদের নিজস্ব মুদ্রায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সীমান্তপারের লেনদেন দ্রুত ও সহজ করতে জাতীয় পেমেন্ট ব্যবস্থাগুলোর আন্তঃসংযোগ নিয়েও কাজ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা এসেছে। তবে ব্রিকসের অভিন্ন মুদ্রা চালুর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে স্থানীয় মুদ্রায় অর্থায়ন বাড়ানোর বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে।
বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর দাবিও ঘোষণার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জাতিসংঘ, বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কার করে আফ্রিকা, এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে ব্রিকস। একই সঙ্গে আরও বহুপক্ষীয় ও বহুমেরুকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে জোটটি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, জলবায়ু, প্রযুক্তি ও সরবরাহব্যবস্থায় সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও এসেছে। চীন আলাদা করে ‘ব্রিকস এআই ওপেন সোর্স জোন’ ও ২০২৭ সালে একটি সার্ভিস ট্রেড ফোরাম আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো মধ্যপ্রাচ্যের পরস্পর ভিন্ন অবস্থানের দেশগুলোকে একই ঘোষণায় সম্মত করাতে পারা সম্মেলনের অন্যতম কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সময়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্সের বৈঠকও দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ঘোষণায় ব্রিকসকে কোনো দেশের বিরুদ্ধে জোট হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলা হয়নি। বরং সদস্যরা নিজেদের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা বাড়িয়ে গ্লোবাল সাউথের প্রভাব ও বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের প্রতিনিধিত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। ভারতের কাছ থেকে ২০২৭ সালের জন্য ব্রিকসের সভাপতিত্ব নেবে চীন।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের অবসানে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ দেখানোর আহ্বান জানিয়েছে ব্রিকস। একই সঙ্গে একতরফা নিষেধাজ্ঞা ও শুল্ক আরোপের বিরোধিতা করে আন্তর্জাতিক বিরোধ মীমাংসায় সংলাপ, কূটনীতি ও বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়ে ‘নিউ দিল্লি ডিক্লারেশন’ ঘোষণা করেছে ১১ দেশের এই জোট।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও পিটিআইয়ের খবরে বলা হয়েছে, গত শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে শুরু হয়ে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) শেষ হওয়া ১৮তম ব্রিকস সম্মেলনে ‘নিউ দিল্লি ডিক্লারেশন’ নামে নতুন এই যৌথ ঘোষণা গৃহীত হয়।
৪০টির বেশি পৃষ্ঠার ঘোষণায় ব্রিকস নেতারা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতির দ্রুত অবনতিতে গভীর উদ্বেগ জানান। সংঘাত আরও বাড়াতে পারে— এমন যেকোনো পদক্ষেপ এড়িয়ে সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম দেখানোর আহ্বান জানিয়ে তারা সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে সংকট সমাধানের ওপর জোর দেন। তবে ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের নাম সরাসরি উল্লেখ করে কোনো নিন্দা জানানো হয়নি।
ঘোষণায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে একতরফা শুল্ক ও অশুল্ক ব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ জানানো হয়েছে। বিশেষ করে নিষেধাজ্ঞাকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও সরবরাহব্যবস্থার জন্য বাধা হিসেবে তুলে ধরে ব্রিকস বলেছে, এমন পদক্ষেপ বিশ্ব অর্থনীতিতে অনিশ্চয়তা বাড়ায়।
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে ব্রিকস সদস্যদের নিজস্ব মুদ্রায় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগকে আরও এগিয়ে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সীমান্তপারের লেনদেন দ্রুত ও সহজ করতে জাতীয় পেমেন্ট ব্যবস্থাগুলোর আন্তঃসংযোগ নিয়েও কাজ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা এসেছে। তবে ব্রিকসের অভিন্ন মুদ্রা চালুর কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে স্থানীয় মুদ্রায় অর্থায়ন বাড়ানোর বিষয়েও জোর দেওয়া হয়েছে।
বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর দাবিও ঘোষণার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। জাতিসংঘ, বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদে সংস্কার করে আফ্রিকা, এশিয়া ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে ব্রিকস। একই সঙ্গে আরও বহুপক্ষীয় ও বহুমেরুকেন্দ্রিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছে জোটটি।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা, জলবায়ু, প্রযুক্তি ও সরবরাহব্যবস্থায় সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও এসেছে। চীন আলাদা করে ‘ব্রিকস এআই ওপেন সোর্স জোন’ ও ২০২৭ সালে একটি সার্ভিস ট্রেড ফোরাম আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো মধ্যপ্রাচ্যের পরস্পর ভিন্ন অবস্থানের দেশগুলোকে একই ঘোষণায় সম্মত করাতে পারা সম্মেলনের অন্যতম কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সময়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ও আবুধাবির ক্রাউন প্রিন্সের বৈঠকও দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
ঘোষণায় ব্রিকসকে কোনো দেশের বিরুদ্ধে জোট হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলা হয়নি। বরং সদস্যরা নিজেদের মধ্যে অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগিতা বাড়িয়ে গ্লোবাল সাউথের প্রভাব ও বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের প্রতিনিধিত্ব জোরদারের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। ভারতের কাছ থেকে ২০২৭ সালের জন্য ব্রিকসের সভাপতিত্ব নেবে চীন।

ইরানের হেনগাম দ্বীপ ও কেশম দ্বীপের শিব দেরাজ উপকূলের কাছে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলায় একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
১৯ ঘণ্টা আগে
শুক্রবার ইয়েমেনের সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী জানিয়েছে, তারা কৌশলগত উপকূলীয় শহর মোকায় হুথি যোদ্ধাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এর এক দিন আগে হুথিরা লোহিত সাগরের পুরো উপকূলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার দাবি করেছিল।
১ দিন আগে
সংগঠনটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানান, সৌদি আরবের শারুরাহ সামরিক ঘাঁটিটি ছিল তাদের মূল লক্ষ্য। সেখানে থাকা প্রধান অস্ত্রের গুদাম এবং ‘কমান্ড ও কন্ট্রোল সেন্টার’ লক্ষ্য করে এই হামলা পরিচালিত হয়।
১ দিন আগে
ইরানের ক্ষেত্রে ঝুঁকিটা আরও বড়। কারণ এটি ইরাক বা আফগানিস্তানের মতো দুর্বল রাষ্ট্র নয়। প্রায় ৯ কোটি মানুষের দেশটির রয়েছে শক্তিশালী সামরিক ও নিরাপত্তা কাঠামো, বিশাল ভূখণ্ড, উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা, দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক এবং নিজস্ব জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক পরিচয়। ফলে তেহরানে সরকার পতন ঘটানো গেলেও
১ দিন আগে