
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে চীন। শক্তি প্রয়োগকে ‘অচল পথ’ অভিহিত করে দেশটি বলছে, আলোচনা ও সংলাপ অব্যাহত রাখাই এগিয়ে যাওয়ার সঠিক পথ।
শুক্রবার (১৫ মে) আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অবস্থান তুলে ধরেছে। তারা ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্য সংকটের স্থায়ী সমাধানে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রস্তাবিত ‘চার দফা’কেই কার্যকর কৌশল বলে মনে করছে।
‘ইরান পরিস্থিতি’ নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে পোস্টে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে— ইরানে সংঘাত ‘প্রথম থেকেই হওয়া উচিত ছিল না’ এবং এর ফলে ইরানসহ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের জনগণ ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছে।
এ সংঘাতের প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতার ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি করছে বলে উল্লেখ করেছে চীন। সংঘাত নিরসনে আলোচনার ওপর জোর দিয়ে দেশটি বলছে, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে বেইজিং। এই গতি ধরে রাখতে হবে। এখন যেহেতু সংলাপের দরজা খুলেছে, সেটি আর বন্ধ করা উচিত নয়।
চীন বলছে, সংলাপ ও আলোচনা ‘এগিয়ে যাওয়ার সঠিক পথ’, আর শক্তি প্রয়োগ ‘অচল পথ’। বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে উপসাগরীয় অঞ্চলের নৌ পথ ‘যত দ্রুতসম্ভব’ পুনরায় চালু করার আহ্বানও জানিয়েছে বেইজিং।
মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে যত দ্রুতসম্ভব একটি ‘সার্বিক ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি’ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলছে চীন।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনর্প্রতিষ্ঠায় চীন ও পাকিস্তান যৌথভাবে পাঁচ দফা উদ্যোগ ঘোষণা করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা নিয়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের চার দফা প্রস্তাবনার আলোকে চীন কাজ চালিয়ে যাবে এবং ‘স্থায়ী শান্তি অর্জনে’ গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এমন অবস্থানকে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। কারণ বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানকে টেকসই যুদ্ধবিরতি ও স্থায়ী সমাধানে এখনো রাজি করাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বেইজিং সফরে অন্য সব আলোচনার মধ্যেও ইরান যুদ্ধ গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের প্রথম দিনের দীর্ঘ বৈঠক হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এ যুদ্ধ নিয়ে বড় কোনো ঘোষণা আসেনি দুপক্ষের কারও কাছ থেকেই।
ইরান যুদ্ধে গত ৮ এপ্রিল থেকে চলছে যুদ্ধবিরতি। এর মধ্যে ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেয় বহুল আলোচিত ‘ইসলামাবাদ টকসে’। সপ্তাহখানেক পরে দ্বিতীয় দফা আলোচনা হওয়ার কথা থাকলেও হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ অবরোধসহ নানা পরিস্থিতি ঘিরে ইরান আর আলোচনায় বসতে রাজি হয়নি।
এর মধ্যে গত ১৪ এপ্রিল বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। ওই সময় মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় চার দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন জিনপিং। প্রস্তাবনাগুলো হলো—
জিনপিং বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো পরস্পরের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী, যাদের আলাদা হয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ‘সমন্বিত, টেকসই ও সহযোগিতামূলক নিরাপত্তা কাঠামো’ গড়ে তুলতে হবে।
চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে পূর্ণ সম্মান জানাতে হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের নাগরিক, স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
জিনপিংয়ের মতে, আন্তর্জাতিক আইন ও বিধিব্যবস্থার কর্তৃত্ব সমুন্নত রাখতে হবে, যেন বিশ্ব আবার ‘শক্তিশালীর আইন’নির্ভর পরিস্থিতিতে ফিরে না যায়।
শি জিনপিং বলেন, উন্নয়ন ও নিরাপত্তাকে আলাদা করে দেখা যাবে না। মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর উন্নয়নের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের মধ্যেই ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধ নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেছে চীন। শক্তি প্রয়োগকে ‘অচল পথ’ অভিহিত করে দেশটি বলছে, আলোচনা ও সংলাপ অব্যাহত রাখাই এগিয়ে যাওয়ার সঠিক পথ।
শুক্রবার (১৫ মে) আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অবস্থান তুলে ধরেছে। তারা ইরানসহ মধ্যপ্রাচ্য সংকটের স্থায়ী সমাধানে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রস্তাবিত ‘চার দফা’কেই কার্যকর কৌশল বলে মনে করছে।
‘ইরান পরিস্থিতি’ নিয়ে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে পোস্টে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে— ইরানে সংঘাত ‘প্রথম থেকেই হওয়া উচিত ছিল না’ এবং এর ফলে ইরানসহ অঞ্চলের অন্যান্য দেশের জনগণ ভয়াবহ ক্ষতির মুখে পড়েছে।
এ সংঘাতের প্রভাব বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, সরবরাহ ব্যবস্থা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহের স্থিতিশীলতার ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি করছে বলে উল্লেখ করেছে চীন। সংঘাত নিরসনে আলোচনার ওপর জোর দিয়ে দেশটি বলছে, সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানিয়েছে বেইজিং। এই গতি ধরে রাখতে হবে। এখন যেহেতু সংলাপের দরজা খুলেছে, সেটি আর বন্ধ করা উচিত নয়।
চীন বলছে, সংলাপ ও আলোচনা ‘এগিয়ে যাওয়ার সঠিক পথ’, আর শক্তি প্রয়োগ ‘অচল পথ’। বৈশ্বিক সরবরাহব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে উপসাগরীয় অঞ্চলের নৌ পথ ‘যত দ্রুতসম্ভব’ পুনরায় চালু করার আহ্বানও জানিয়েছে বেইজিং।
মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে যত দ্রুতসম্ভব একটি ‘সার্বিক ও স্থায়ী যুদ্ধবিরতি’ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথাও বলছে চীন।
দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনর্প্রতিষ্ঠায় চীন ও পাকিস্তান যৌথভাবে পাঁচ দফা উদ্যোগ ঘোষণা করেছে। মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা নিয়ে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের চার দফা প্রস্তাবনার আলোকে চীন কাজ চালিয়ে যাবে এবং ‘স্থায়ী শান্তি অর্জনে’ গঠনমূলক ভূমিকা রাখবে।
ইরান যুদ্ধ নিয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এমন অবস্থানকে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে। কারণ বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানকে টেকসই যুদ্ধবিরতি ও স্থায়ী সমাধানে এখনো রাজি করাতে পারেনি যুক্তরাষ্ট্র। ফলে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বেইজিং সফরে অন্য সব আলোচনার মধ্যেও ইরান যুদ্ধ গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।
জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের প্রথম দিনের দীর্ঘ বৈঠক হয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত এ যুদ্ধ নিয়ে বড় কোনো ঘোষণা আসেনি দুপক্ষের কারও কাছ থেকেই।
ইরান যুদ্ধে গত ৮ এপ্রিল থেকে চলছে যুদ্ধবিরতি। এর মধ্যে ১১ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেয় বহুল আলোচিত ‘ইসলামাবাদ টকসে’। সপ্তাহখানেক পরে দ্বিতীয় দফা আলোচনা হওয়ার কথা থাকলেও হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ অবরোধসহ নানা পরিস্থিতি ঘিরে ইরান আর আলোচনায় বসতে রাজি হয়নি।
এর মধ্যে গত ১৪ এপ্রিল বেইজিংয়ে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবির যুবরাজ শেখ খালেদ বিন মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। ওই সময় মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় চার দফা প্রস্তাব তুলে ধরেন জিনপিং। প্রস্তাবনাগুলো হলো—
জিনপিং বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো পরস্পরের ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী, যাদের আলাদা হয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়ন, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ‘সমন্বিত, টেকসই ও সহযোগিতামূলক নিরাপত্তা কাঠামো’ গড়ে তুলতে হবে।
চীনা প্রেসিডেন্ট বলেন, মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে পূর্ণ সম্মান জানাতে হবে। একই সঙ্গে বিভিন্ন দেশের নাগরিক, স্থাপনা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
জিনপিংয়ের মতে, আন্তর্জাতিক আইন ও বিধিব্যবস্থার কর্তৃত্ব সমুন্নত রাখতে হবে, যেন বিশ্ব আবার ‘শক্তিশালীর আইন’নির্ভর পরিস্থিতিতে ফিরে না যায়।
শি জিনপিং বলেন, উন্নয়ন ও নিরাপত্তাকে আলাদা করে দেখা যাবে না। মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর উন্নয়নের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে সব পক্ষকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

ফক্স নিউজের সঞ্চালক শন হ্যানিটি সাক্ষাৎকার নেন ট্রাম্পের। সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘আজ তিনি (শি জিনপিং) যেটিতে রাজি হয়েছেন, তা হলো ২০০টি বিমান অর্ডার করা। বোয়িং—২০০টি বড় আকারের বিমান। এটি অনেক বড় একটি অর্ডার। এই অর্ডারের মানে অনেক কর্মসংস্থান তৈরি হবে।’
৪ ঘণ্টা আগে
পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার কাশীপুর-বেলগাছিয়া আসনের নবনির্বাচিত বিধায়ক রিতেশ তিওয়ারি দাবি করেছেন, বিধানসভা নির্বাচনে মুসলিম ধর্মাবলম্বী একজন ভোটারও তাকে ভোট দেয়নি। এ কারণে আগামী পাঁচ বছর বিধায়ক থাকা অবস্থায় তিনি মুসলিমদের জন্য একটি কাজও করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
১৪ ঘণ্টা আগে
বৈঠক শেষে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত সারসংক্ষেপে তাইওয়ানের ইস্যুটি আলোচনায় উঠে এসেছিল বলে জানানো হয়েছে। তবে বৈঠক নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিত সারসংক্ষেপে তাইওয়ান ইস্যুর কোনো উল্লেখ ছিল না।
১৬ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনা শেষে ব্রিটেনের মন্ত্রিসভা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং। ‘দূরদৃষ্টি’ না থাকা প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমারের ওপর ‘আস্থা হারিয়ে’ এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি। সে কারণেই সরকারে থেকে যাওয়া ‘অসৎ ও নীতিবিরোধী’ মনে হয়েছে বলে উল্লেখ করেন স্ট্রিটিং।
১৭ ঘণ্টা আগে