
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ২০২০ সালের পর ভারত সফরে এলেন তিনি। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লিতে পৌঁছান তিনি। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। খবর এনডিটিভির।
এ দিকে জিনপিংয়ের সফর ঘিরে ভারতে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং বলেছেন, চীন ভারতের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দিকনির্দেশনায় দুই দেশের মতপার্থক্য দূর করার চেষ্টা করবে।
এ সফরে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে জিনপিংয়ের। চীনা রাষ্ট্রদূতও দুই নেতার মধ্যে বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে এক্সে দেয়া এক পোস্টে শু ফেইহং লেখেন, ‘প্রেসিডেন্ট শি ও প্রধানমন্ত্রী মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আয়োজন করছে চীন।’
চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, কাজান ও তিয়ানজিনে বৈঠকের পর টানা তৃতীয় বছর দুই নেতা একে অপরের সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন।
তিনি জানান, পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং মতপার্থক্য মোকাবিলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীন ভারতের সঙ্গে কাজ করবে।
এক্সে দেয়া পোস্টে শু ফেইহং লেখেন, ‘দুই নেতার কৌশলগত দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নে চীন ভারতের সঙ্গে কাজ করবে। কৌশলগত উচ্চতা ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পরিচালনা করবে, যোগাযোগ বাড়াবে, সহযোগিতা জোরদার করবে এবং মতপার্থক্য যথাযথভাবে মোকাবিলা করবে। একই সঙ্গে দুই দেশ ভালো প্রতিবেশী হিসেবে বন্ধুত্ব বজায় রাখবে এবং একে অপরের সাফল্যে সহযোগী অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।’
২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনের সেনাদের সংঘর্ষের পর এই প্রথমবারের মতো ভারত সফর করছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ওই সংঘর্ষের পর কয়েক মাস ধরে দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা বিরাজ করেছিল। তবে এরপর ভারত-চীন সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে। কাজান ও তিয়ানজিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন শি।
শি জিনপিংয়ের সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য এবং সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ কার্যালয়ের পরিচালক ছাই ছি। এছাড়া রয়েছেন সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
এনডিটিভি জানায়, শনিবার বিকালে নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে মোদি-শি বৈঠক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কাজান ও তিয়ানজিনে বৈঠকের পর টানা তৃতীয় বছর দুই নেতা বৈঠকে বসছেন।
তিনি বলেন, দুই নেতার কৌশলগত দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নে চীন ভারতের সঙ্গে কাজ করবে। কৌশলগত উচ্চতা ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পরিচালনা করবে, যোগাযোগ বাড়াবে, সহযোগিতা জোরদার করবে এবং মতপার্থক্য যথাযথভাবে মোকাবিলা করবে। দুই দেশ ভালো প্রতিবেশী হিসেবে বন্ধুত্ব বজায় রাখবে এবং একে অপরের সাফল্যে সহযোগী অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ২০২০ সালের পর ভারত সফরে এলেন তিনি। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লিতে পৌঁছান তিনি। বিকেলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার এক গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বসার কথা রয়েছে। খবর এনডিটিভির।
এ দিকে জিনপিংয়ের সফর ঘিরে ভারতে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত শু ফেইহং বলেছেন, চীন ভারতের সঙ্গে একযোগে কাজ করবে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের দিকনির্দেশনায় দুই দেশের মতপার্থক্য দূর করার চেষ্টা করবে।
এ সফরে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে জিনপিংয়ের। চীনা রাষ্ট্রদূতও দুই নেতার মধ্যে বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছেন।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাতে এক্সে দেয়া এক পোস্টে শু ফেইহং লেখেন, ‘প্রেসিডেন্ট শি ও প্রধানমন্ত্রী মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের আয়োজন করছে চীন।’
চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, কাজান ও তিয়ানজিনে বৈঠকের পর টানা তৃতীয় বছর দুই নেতা একে অপরের সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন।
তিনি জানান, পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানো এবং মতপার্থক্য মোকাবিলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীন ভারতের সঙ্গে কাজ করবে।
এক্সে দেয়া পোস্টে শু ফেইহং লেখেন, ‘দুই নেতার কৌশলগত দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নে চীন ভারতের সঙ্গে কাজ করবে। কৌশলগত উচ্চতা ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পরিচালনা করবে, যোগাযোগ বাড়াবে, সহযোগিতা জোরদার করবে এবং মতপার্থক্য যথাযথভাবে মোকাবিলা করবে। একই সঙ্গে দুই দেশ ভালো প্রতিবেশী হিসেবে বন্ধুত্ব বজায় রাখবে এবং একে অপরের সাফল্যে সহযোগী অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।’
২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনের সেনাদের সংঘর্ষের পর এই প্রথমবারের মতো ভারত সফর করছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ওই সংঘর্ষের পর কয়েক মাস ধরে দুই দেশের সম্পর্কে উত্তেজনা বিরাজ করেছিল। তবে এরপর ভারত-চীন সম্পর্কের বরফ গলতে শুরু করে। কাজান ও তিয়ানজিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন শি।
শি জিনপিংয়ের সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর স্ট্যান্ডিং কমিটির সদস্য এবং সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ কার্যালয়ের পরিচালক ছাই ছি। এছাড়া রয়েছেন সিপিসি কেন্দ্রীয় কমিটির পলিটব্যুরোর সদস্য ও চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
এনডিটিভি জানায়, শনিবার বিকালে নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিংয়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে মোদি-শি বৈঠক নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, কাজান ও তিয়ানজিনে বৈঠকের পর টানা তৃতীয় বছর দুই নেতা বৈঠকে বসছেন।
তিনি বলেন, দুই নেতার কৌশলগত দিকনির্দেশনা বাস্তবায়নে চীন ভারতের সঙ্গে কাজ করবে। কৌশলগত উচ্চতা ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পরিচালনা করবে, যোগাযোগ বাড়াবে, সহযোগিতা জোরদার করবে এবং মতপার্থক্য যথাযথভাবে মোকাবিলা করবে। দুই দেশ ভালো প্রতিবেশী হিসেবে বন্ধুত্ব বজায় রাখবে এবং একে অপরের সাফল্যে সহযোগী অংশীদার হিসেবে কাজ করবে।

ম্যানহাটনের স্মরণসভায় প্রায় চার ঘণ্টা ধরে নিহতদের নাম পাঠ করা হয়। এ সময় ৯/১১-এ স্বামী হারানো টেরি স্ট্রাডা সৌদি আরবের সমালোচনা করেন এবং সৌদি আরবকে জবাবদিহির আওতায় আনতে মার্কিন কর্মকর্তাদের ব্যর্থতার অভিযোগ তোলেন।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রায় ৩০ মিনিটের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় ব্রিকস বিজনেস ফোরামের পর। ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার ভারতে যান পেজেশকিয়ান। ২০২৪ সালে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর এটিই তার প্রথম ভারত সফর। এর আগে দুই সপ্তাহ আগে কিরগিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার সম্ম
১৪ ঘণ্টা আগে
বাব এল-মান্দেব লোহিত সাগরের দক্ষিণ প্রবেশপথ। এই পথ দিয়েই এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করে এবং সুয়েজ খালের মাধ্যমে ভূমধ্যসাগরে পৌঁছায়। ফলে প্রণালিটির ওপর হুতিদের কার্যকর নিয়ন্ত্রণ বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
১৫ ঘণ্টা আগে
ট্রাম্প বলেন, ৯/১১-এর পর ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে’ দায়িত্ব পালন করা মার্কিন সামরিক সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। এরপর তিনি ইরানকে ‘বিশ্বের এক নম্বর সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, ইরান যেন কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে মার্কিন সেনারা এখনো কাজ করছ
১৫ ঘণ্টা আগে